ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে পরচুলা (উইগ) তৈরি করে নিজেদের ভাগ্য বদলাচ্ছেন ১ হাজারের বেশি নারী। শিল্প উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান পিবাড়ীয়া গ্রুপের হাত ধরে গড়ে ওঠা এই কারখানায় কাজ করে অভাব জয় করেছেন অনেক নারী। তাঁদের নিপুণ হাতে তৈরি পরচুলা এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।
উপজেলার এই পরচুলা কারখানায় কর্মরত রাহেলা বেগমের গল্পটি হাজারো নারীর প্রতিচ্ছবি। দিনমজুর স্বামীর আয়ে সংসার চলত না রাহেলার। এখন পরচুলা কারখানায় কাজ করে মাস শেষে পাওয়া বেতনে তিনি সংসারে অবদান রাখছেন। রাহেলা বলেন, ‘আগে শুধু স্বামীর ওপর ভরসা করতে হতো। নিজের আয় থেকে মেয়ের জন্য টাকা জমাতে পারছেন বলে এখন স্বপ্ন দেখার সাহস পান তিনি ।’
রাহেলার মতো আরও ১ হাজার নারী শ্রমিকের জীবন এখানে বদলে গেছে। তাদের কেউ বিধবা, কেউ স্বামী পরিত্যক্তা, আবার কেউ অভাবের সংসারে হাল ধরেছেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হয়ে তারা এখন আন্তর্জাতিক মানের পরচুলা তৈরি করছেন।
নারীদের এই কর্মসংস্থান ও আর্থিক স্বাবলম্বিতার সাফল্য তুলে ধরতে রোববার (৪ মে) গফরগাঁও প্রেসক্লাবে ‘নারী কর্মসংস্থান বিষয়ক ওভিসি প্রকাশনা ও সংবাদ সম্মেলন’-এর আয়োজন করে পিবাড়ীয়া গ্রুপ।
সংবাদ সম্মেলনে পিবাড়ীয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান রানা বলেন, ‘একজন নারী স্বাবলম্বী হলে একটি পরিবার দাঁড়ায়, সমাজ শক্তিশালী হয়। আমরা শুধু চাকরি দিইনি, তাদের দক্ষ করে তুলেছি। তারা এখন রপ্তানিযোগ্য পণ্য তৈরি করছে। মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য।’
বর্তমানে পরচুলা শিল্প বাংলাদেশের একটি উদীয়মান রপ্তানি খাত। চুল সংগ্রহ থেকে শুরু করে প্রসেসিং, ডিজাইন ও ফিনিশিংসহ প্রতিটি ধাপে স্থানীয় নারীদের অংশগ্রহণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ সুগম হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পিবাড়ীয়া গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) এম.এ. আবু তাহের, ব্যবস্থাপক মেহেদী হাসান ও উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা খালেদা আক্তার।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে পরচুলা (উইগ) তৈরি করে নিজেদের ভাগ্য বদলাচ্ছেন ১ হাজারের বেশি নারী। শিল্প উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান পিবাড়ীয়া গ্রুপের হাত ধরে গড়ে ওঠা এই কারখানায় কাজ করে অভাব জয় করেছেন অনেক নারী। তাঁদের নিপুণ হাতে তৈরি পরচুলা এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।
উপজেলার এই পরচুলা কারখানায় কর্মরত রাহেলা বেগমের গল্পটি হাজারো নারীর প্রতিচ্ছবি। দিনমজুর স্বামীর আয়ে সংসার চলত না রাহেলার। এখন পরচুলা কারখানায় কাজ করে মাস শেষে পাওয়া বেতনে তিনি সংসারে অবদান রাখছেন। রাহেলা বলেন, ‘আগে শুধু স্বামীর ওপর ভরসা করতে হতো। নিজের আয় থেকে মেয়ের জন্য টাকা জমাতে পারছেন বলে এখন স্বপ্ন দেখার সাহস পান তিনি ।’
রাহেলার মতো আরও ১ হাজার নারী শ্রমিকের জীবন এখানে বদলে গেছে। তাদের কেউ বিধবা, কেউ স্বামী পরিত্যক্তা, আবার কেউ অভাবের সংসারে হাল ধরেছেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হয়ে তারা এখন আন্তর্জাতিক মানের পরচুলা তৈরি করছেন।
নারীদের এই কর্মসংস্থান ও আর্থিক স্বাবলম্বিতার সাফল্য তুলে ধরতে রোববার (৪ মে) গফরগাঁও প্রেসক্লাবে ‘নারী কর্মসংস্থান বিষয়ক ওভিসি প্রকাশনা ও সংবাদ সম্মেলন’-এর আয়োজন করে পিবাড়ীয়া গ্রুপ।
সংবাদ সম্মেলনে পিবাড়ীয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান রানা বলেন, ‘একজন নারী স্বাবলম্বী হলে একটি পরিবার দাঁড়ায়, সমাজ শক্তিশালী হয়। আমরা শুধু চাকরি দিইনি, তাদের দক্ষ করে তুলেছি। তারা এখন রপ্তানিযোগ্য পণ্য তৈরি করছে। মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য।’
বর্তমানে পরচুলা শিল্প বাংলাদেশের একটি উদীয়মান রপ্তানি খাত। চুল সংগ্রহ থেকে শুরু করে প্রসেসিং, ডিজাইন ও ফিনিশিংসহ প্রতিটি ধাপে স্থানীয় নারীদের অংশগ্রহণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ সুগম হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পিবাড়ীয়া গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) এম.এ. আবু তাহের, ব্যবস্থাপক মেহেদী হাসান ও উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা খালেদা আক্তার।

আপনার মতামত লিখুন