টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলা বিএনপির পদত্যাগী সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সাজু দলের হাইকমান্ড ও নেতা-কর্মীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। মঙ্গলবার (৫ মে) বেলা দুইটার দিকে সখিপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
লিখিত বক্তব্যে শাহজাহান সাজু বলেন, ‘৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে একটি চক্র বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও বর্তমান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করার অপচেষ্টা চালায়। এরই অংশ হিসেবে আহমেদ আযম খানের অন্যতম সহযোগী হিসেবে আমাকে টার্গেট করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে বিকৃত ও ভুয়া ভিডিও ভাইরাল করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি আমাকে সভাপতির পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আমি নিজেই পদত্যাগের আবেদন করেছিলাম।’
জাতীয়তাবাদের একজন আজন্ম কর্মী এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানকে নিজের রাজনৈতিক অভিভাবক দাবি করে শাহজাহান সাজু আরও বলেন, ‘একজন দায়িত্বশীল ও বিশ্বস্ত কর্মীর কাছ থেকে এমন আচরণ সমীচীন হয়নি বলে আমি মনে করি। এ জন্য দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীর কাছে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’
সংবাদ সম্মেলনে সখিপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর আবুল হাশেম আজাদ, উপজেলা বিএনপির সমাজসেবা সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি বিল্লাল হোসেন, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তানভীর হাসান শহীদ, পৌর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আব্দুল কাদের, পৌর যুবদলের সদস্যসচিব সরকার সুমনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলা বিএনপির পদত্যাগী সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সাজু দলের হাইকমান্ড ও নেতা-কর্মীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। মঙ্গলবার (৫ মে) বেলা দুইটার দিকে সখিপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
লিখিত বক্তব্যে শাহজাহান সাজু বলেন, ‘৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে একটি চক্র বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও বর্তমান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করার অপচেষ্টা চালায়। এরই অংশ হিসেবে আহমেদ আযম খানের অন্যতম সহযোগী হিসেবে আমাকে টার্গেট করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে বিকৃত ও ভুয়া ভিডিও ভাইরাল করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি আমাকে সভাপতির পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আমি নিজেই পদত্যাগের আবেদন করেছিলাম।’
জাতীয়তাবাদের একজন আজন্ম কর্মী এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানকে নিজের রাজনৈতিক অভিভাবক দাবি করে শাহজাহান সাজু আরও বলেন, ‘একজন দায়িত্বশীল ও বিশ্বস্ত কর্মীর কাছ থেকে এমন আচরণ সমীচীন হয়নি বলে আমি মনে করি। এ জন্য দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীর কাছে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’
সংবাদ সম্মেলনে সখিপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর আবুল হাশেম আজাদ, উপজেলা বিএনপির সমাজসেবা সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি বিল্লাল হোসেন, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তানভীর হাসান শহীদ, পৌর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আব্দুল কাদের, পৌর যুবদলের সদস্যসচিব সরকার সুমনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন