ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের জেরে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। তবে পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে কোনো ‘পুশইন’ বা অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা হলে ঢাকা পাল্টা ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি আগামী জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন বা ভারত সফরে যেতে পারেন বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সোমবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকে হটিয়ে বড় জয় পেয়েছে বিজেপি। বেসরকারি ফলাফলে দলটি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারির কাছে ১৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছেন।
এই নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশের কোনো পর্যবেক্ষণ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ-উর রহমান। তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ও বাংলাদেশের পর্যবেক্ষণ প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা নিয়ে কোনো অবজারভেশন নেই। এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। নির্বাচনে যারা জিতবেন, যেই জিতুক, প্রথম কথাটা হচ্ছে আমরা পশ্চিমবঙ্গের বিষয়ে খুব বেশি আলাদা করে চিন্তা করতে চাই না। ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজ্যগুলোতে জনগণ যাদের নির্বাচিত করবে, তাদের সঙ্গেই সম্পর্ক অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ।’
ভারত একটি রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক বাধাগ্রস্ত হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্যগুলো মূলত ‘পলিটিক্যাল রেটরিক’। নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পরও সুন্দর সহযোগিতার সম্পর্ক বজায় থাকবে।
তিস্তা চুক্তির বিষয়ে তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, এটি মূলত দুটি রাষ্ট্রের মধ্যকার চুক্তি।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ আলম, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ ও সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল উপস্থিত ছিলেন।
ভারতে যে দলই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসুক না কেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে কোনো পরিবর্তন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে নিয়ে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ভারতের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য না করে নিজ দেশের জনস্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন।
বর্তমান সরকার নানা সংকটের মধ্যে দায়িত্ব নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে দেশে সুদিন ফিরিয়ে আনা হবে। সরকারকে জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। দেশে এখন আর একদলীয় শাসন ব্যবস্থা নেই, তাই যা ইচ্ছা তা করা যাবে না। বিরোধী দলের সমালোচনার অবস্থান থেকেও দেশ পরিচালনায় গুরুত্ব পাবে।’
ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এ উপলক্ষে ঢাকা জেলা ও দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের নেতাকর্মীরা এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
কর্মসূচিতে বিএনপির খোরশেদ আলম, মোজাদ্দেদ আলী বাবু, আশিকুর রহমান স্বপন, স্বেচ্ছাসেবক দলের নাজমুল হাসান অভি, আসাদুজ্জামান, যুবদলের মোকাররম হোসেন সাজ্জাদ, ছাত্রদলের পাভেল মোল্লা, তমিজ উদ্দিন, তাঁতী দলের হিরা হোসেনসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সদ্য শপথ নেওয়া এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আগামী দিনে আমার রাজনীতি হবে গণমানুষের কল্যাণ করা। দেশের পররাষ্ট্রনীতি মানুষের স্বার্থের কথা বিবেচনায় নিয়েই নির্ধারিত হবে।’
দেশের মানুষের স্বার্থের বাইরে বর্তমান সরকার কোনো কাজ করবে না বলে তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন এবং দীর্ঘ আন্দোলনে পাশে থাকা নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদলের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর ঢাকা গভীর নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে পুশইনের ঘটনা ঘটলে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সীমান্ত সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করা হয়েছে।’
একইসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, চীন ও ভারতের মতো বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কূটনৈতিক প্রতিশ্রুতি রয়েছে। আগামী জুন মাসেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত অথবা চীন সফরে যেতে পারেন। বর্তমানে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সুবিধাজনক সময় ও শিডিউল সমন্বয় করে এই সফরের বিস্তারিত পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য চীন সফরে ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ ও এর বাস্তবায়নে চীনের কারিগরি সহযোগিতা অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় থাকবে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সম্প্রতি সম্পাদিত বিভিন্ন বাণিজ্য চুক্তির সমালোচনা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করেই এসব চুক্তি করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির আলোচনাকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি সমালোচকদের উদ্দেশে বলেন, ‘যেকোনো চুক্তির সমালোচনা করার আগে অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনামূলক চিত্র দেখা প্রয়োজন। এই চুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অন্য দেশের চেয়ে এগিয়ে আছে।’

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের জেরে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। তবে পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে কোনো ‘পুশইন’ বা অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা হলে ঢাকা পাল্টা ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি আগামী জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন বা ভারত সফরে যেতে পারেন বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সোমবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকে হটিয়ে বড় জয় পেয়েছে বিজেপি। বেসরকারি ফলাফলে দলটি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারির কাছে ১৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছেন।
এই নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশের কোনো পর্যবেক্ষণ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ-উর রহমান। তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ও বাংলাদেশের পর্যবেক্ষণ প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা নিয়ে কোনো অবজারভেশন নেই। এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। নির্বাচনে যারা জিতবেন, যেই জিতুক, প্রথম কথাটা হচ্ছে আমরা পশ্চিমবঙ্গের বিষয়ে খুব বেশি আলাদা করে চিন্তা করতে চাই না। ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজ্যগুলোতে জনগণ যাদের নির্বাচিত করবে, তাদের সঙ্গেই সম্পর্ক অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ।’
ভারত একটি রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক বাধাগ্রস্ত হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্যগুলো মূলত ‘পলিটিক্যাল রেটরিক’। নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পরও সুন্দর সহযোগিতার সম্পর্ক বজায় থাকবে।
তিস্তা চুক্তির বিষয়ে তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, এটি মূলত দুটি রাষ্ট্রের মধ্যকার চুক্তি।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ আলম, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ ও সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল উপস্থিত ছিলেন।
ভারতে যে দলই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসুক না কেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে কোনো পরিবর্তন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে নিয়ে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ভারতের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য না করে নিজ দেশের জনস্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন।
বর্তমান সরকার নানা সংকটের মধ্যে দায়িত্ব নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে দেশে সুদিন ফিরিয়ে আনা হবে। সরকারকে জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। দেশে এখন আর একদলীয় শাসন ব্যবস্থা নেই, তাই যা ইচ্ছা তা করা যাবে না। বিরোধী দলের সমালোচনার অবস্থান থেকেও দেশ পরিচালনায় গুরুত্ব পাবে।’
ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এ উপলক্ষে ঢাকা জেলা ও দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের নেতাকর্মীরা এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
কর্মসূচিতে বিএনপির খোরশেদ আলম, মোজাদ্দেদ আলী বাবু, আশিকুর রহমান স্বপন, স্বেচ্ছাসেবক দলের নাজমুল হাসান অভি, আসাদুজ্জামান, যুবদলের মোকাররম হোসেন সাজ্জাদ, ছাত্রদলের পাভেল মোল্লা, তমিজ উদ্দিন, তাঁতী দলের হিরা হোসেনসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সদ্য শপথ নেওয়া এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আগামী দিনে আমার রাজনীতি হবে গণমানুষের কল্যাণ করা। দেশের পররাষ্ট্রনীতি মানুষের স্বার্থের কথা বিবেচনায় নিয়েই নির্ধারিত হবে।’
দেশের মানুষের স্বার্থের বাইরে বর্তমান সরকার কোনো কাজ করবে না বলে তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন এবং দীর্ঘ আন্দোলনে পাশে থাকা নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদলের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর ঢাকা গভীর নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে পুশইনের ঘটনা ঘটলে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সীমান্ত সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করা হয়েছে।’
একইসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, চীন ও ভারতের মতো বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কূটনৈতিক প্রতিশ্রুতি রয়েছে। আগামী জুন মাসেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত অথবা চীন সফরে যেতে পারেন। বর্তমানে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সুবিধাজনক সময় ও শিডিউল সমন্বয় করে এই সফরের বিস্তারিত পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য চীন সফরে ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ ও এর বাস্তবায়নে চীনের কারিগরি সহযোগিতা অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় থাকবে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সম্প্রতি সম্পাদিত বিভিন্ন বাণিজ্য চুক্তির সমালোচনা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করেই এসব চুক্তি করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির আলোচনাকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি সমালোচকদের উদ্দেশে বলেন, ‘যেকোনো চুক্তির সমালোচনা করার আগে অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনামূলক চিত্র দেখা প্রয়োজন। এই চুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অন্য দেশের চেয়ে এগিয়ে আছে।’

আপনার মতামত লিখুন