সুন্দরবনের নদী ও খালে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে বনদস্যুরা। গত দুই দিনে মাছ, কাঁকড়া ও মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে অন্তত ২০ জন জেলে ও মৌয়াল অপহরণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় উপকূলীয় বনজীবীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে বন থেকে ফিরে আসা কয়েকজন জেলে ও অপহৃতদের স্বজনেরা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তাঁদের ভাষ্যমতে, সোমবার সকাল থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত সুন্দরবনের চুনকুড়ি নদীর গোয়ালবুনিয়া, ধানোখালী খাল, মামুন্দো নদীর মাইটভাঙা এবং মালঞ্চ নদীর চালতেবাড়ি খাল এলাকায় পৃথকভাবে এসব অপহরণের ঘটনা ঘটে।
বনজীবীরা জানান, দস্যুরা নিজেদের ‘আলিফ বাহিনী’ ও ‘ডন বাহিনী’র সদস্য পরিচয় দিয়ে নৌকায় হামলা চালায়। প্রতিটি নৌকা থেকে একজন করে জেলে বা মৌয়ালকে জিম্মি করে নিয়ে যায় তারা। অপহৃতদের মধ্যে ১৬ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ, ঈশ্বরীপুর, রমজাননগর ও হরিনগর এলাকার বাসিন্দা।
স্বজনদের অভিযোগ, অপহৃতদের মুক্তির বিনিময়ে দস্যুরা মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করছে। ইব্রাহিম গাজী নামের একজনের মুক্তির জন্য ৩০ হাজার, মুরশিদ আলমের জন্য ১ লাখ এবং আব্দুল সালামের জন্য ২৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে অন্য অপহৃতদের পরিবারের সদস্যরা বিস্তারিত বলতে ভয় পাচ্ছেন।
স্থানীয়দের দাবি, সুন্দরবনে দস্যু তৎপরতা মাঝখানে বন্ধ থাকলেও এখন তারা আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বনজীবীদের সুরক্ষা দিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা ফজলুল হক জানান, জেলে অপহরণের খবর তারা পেয়েছেন। তবে অপহৃতদের নিরাপত্তার কথা ভেবে পরিবারগুলো স্পষ্ট তথ্য দিতে চাচ্ছে না।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘জিম্মিদের উদ্ধারের বিষয়টি মাথায় রেখে স্বজনেরা অনেক সময় তথ্য গোপন করেন। তবে আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদারকি করছি।’

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
সুন্দরবনের নদী ও খালে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে বনদস্যুরা। গত দুই দিনে মাছ, কাঁকড়া ও মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে অন্তত ২০ জন জেলে ও মৌয়াল অপহরণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় উপকূলীয় বনজীবীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে বন থেকে ফিরে আসা কয়েকজন জেলে ও অপহৃতদের স্বজনেরা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তাঁদের ভাষ্যমতে, সোমবার সকাল থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত সুন্দরবনের চুনকুড়ি নদীর গোয়ালবুনিয়া, ধানোখালী খাল, মামুন্দো নদীর মাইটভাঙা এবং মালঞ্চ নদীর চালতেবাড়ি খাল এলাকায় পৃথকভাবে এসব অপহরণের ঘটনা ঘটে।
বনজীবীরা জানান, দস্যুরা নিজেদের ‘আলিফ বাহিনী’ ও ‘ডন বাহিনী’র সদস্য পরিচয় দিয়ে নৌকায় হামলা চালায়। প্রতিটি নৌকা থেকে একজন করে জেলে বা মৌয়ালকে জিম্মি করে নিয়ে যায় তারা। অপহৃতদের মধ্যে ১৬ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ, ঈশ্বরীপুর, রমজাননগর ও হরিনগর এলাকার বাসিন্দা।
স্বজনদের অভিযোগ, অপহৃতদের মুক্তির বিনিময়ে দস্যুরা মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করছে। ইব্রাহিম গাজী নামের একজনের মুক্তির জন্য ৩০ হাজার, মুরশিদ আলমের জন্য ১ লাখ এবং আব্দুল সালামের জন্য ২৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে অন্য অপহৃতদের পরিবারের সদস্যরা বিস্তারিত বলতে ভয় পাচ্ছেন।
স্থানীয়দের দাবি, সুন্দরবনে দস্যু তৎপরতা মাঝখানে বন্ধ থাকলেও এখন তারা আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বনজীবীদের সুরক্ষা দিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা ফজলুল হক জানান, জেলে অপহরণের খবর তারা পেয়েছেন। তবে অপহৃতদের নিরাপত্তার কথা ভেবে পরিবারগুলো স্পষ্ট তথ্য দিতে চাচ্ছে না।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘জিম্মিদের উদ্ধারের বিষয়টি মাথায় রেখে স্বজনেরা অনেক সময় তথ্য গোপন করেন। তবে আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদারকি করছি।’

আপনার মতামত লিখুন