মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ৫ বছরের এক শিশুকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগে তার সৎ বাবা মতি বেপারীকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানাধীন দেওহাটা গরুর হাট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মতি বেপারী সিংগাইর উপজেলার চান্দহর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের মৃত ছবুর আলী বেপারীর ছেলে। বুধবার (৬ মে) সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মানবেন্দ্র বালো।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি মামলার বাদিনী নাছিমার আগের সংসারের সন্তান। গত ১ মে দিবাগত রাত পৌনে তিনটার দিকে শিশুর কান্নার শব্দে নাছিমার ঘুম ভাঙে। তিনি দেখেন, শিশুটি যন্ত্রণায় ছটফট করছে। ভোরে শিশুটির রক্তক্ষরণ শুরু হলে এবং শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে প্রথমে সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপরই ডিবির ইনচার্জ মানবেন্দ্র বালোর নেতৃত্বে একটি দল অভিযানে নামে। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত মতি বেপারী মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপন করেন।
ডিবি পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জানতে পারে, আসামি টাঙ্গাইলের একটি গরুর হাটে অবস্থান করছেন। ডিবি সদস্যরা সেখানে ক্রেতা ও বিক্রেতার ছদ্মবেশ ধারণ করেন এবং টানা সাত ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান শেষে এসআই সুরেশ রাজবংশী, রনি দেবনাথ ও আশিকুর রহমানের যৌথ দল তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ মানবেন্দ্র বালো বলেন, "এটি একটি অত্যন্ত জঘন্য ও অমানবিক অপরাধ। পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় আমরা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও ছদ্মবেশ ধারণ করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।" এই ঘটনায় সিংগাইর থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ৫ বছরের এক শিশুকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগে তার সৎ বাবা মতি বেপারীকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানাধীন দেওহাটা গরুর হাট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মতি বেপারী সিংগাইর উপজেলার চান্দহর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের মৃত ছবুর আলী বেপারীর ছেলে। বুধবার (৬ মে) সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মানবেন্দ্র বালো।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি মামলার বাদিনী নাছিমার আগের সংসারের সন্তান। গত ১ মে দিবাগত রাত পৌনে তিনটার দিকে শিশুর কান্নার শব্দে নাছিমার ঘুম ভাঙে। তিনি দেখেন, শিশুটি যন্ত্রণায় ছটফট করছে। ভোরে শিশুটির রক্তক্ষরণ শুরু হলে এবং শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে প্রথমে সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপরই ডিবির ইনচার্জ মানবেন্দ্র বালোর নেতৃত্বে একটি দল অভিযানে নামে। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত মতি বেপারী মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপন করেন।
ডিবি পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জানতে পারে, আসামি টাঙ্গাইলের একটি গরুর হাটে অবস্থান করছেন। ডিবি সদস্যরা সেখানে ক্রেতা ও বিক্রেতার ছদ্মবেশ ধারণ করেন এবং টানা সাত ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান শেষে এসআই সুরেশ রাজবংশী, রনি দেবনাথ ও আশিকুর রহমানের যৌথ দল তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ মানবেন্দ্র বালো বলেন, "এটি একটি অত্যন্ত জঘন্য ও অমানবিক অপরাধ। পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় আমরা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও ছদ্মবেশ ধারণ করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।" এই ঘটনায় সিংগাইর থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন