আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সাধারণ মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে মহাসড়ক এবং রেললাইনের অতি সন্নিকটে কোনো ধরনের পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। আজ বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেশনে ডিসিদের দেওয়া এমন নির্দেশনার কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি জানান, অতীতে সড়কের ওপর হাট বসানোর ফলে সৃষ্ট যানজট ও জনদুর্ভোগের অভিজ্ঞতা থেকে এবার আগেভাগেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পশুর হাটের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, বড় বড় হাটগুলোতে জালিয়াতি রোধে পুলিশের বিশেষ নজরদারি থাকবে এবং প্রয়োজনে বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। হাটে জাল নোট শনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনীয় মেশিন সরবরাহের পাশাপাশি ব্যাংকগুলোকেও সক্রিয় থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া যত্রতত্র হাট বসানো ঠেকাতে মোবাইল কোর্ট ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত টহল জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে তিনি বলেন, গ্রাম ও উপজেলা পর্যায়ে সাত দিন পর্যন্ত লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করতে হবে এবং এই সময়ে কোনো চামড়া ঢাকার অভিমুখে আনা যাবে না। এর ফলে ঢাকার ইটিপি ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ কমবে এবং চামড়া নষ্ট হওয়া রোধ করা সম্ভব হবে। এজন্য চামড়া সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় লবণ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে বলেও জানান তিনি।
ঈদযাত্রায় সড়ক ও নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল স্থাপন করা হবে বলে মন্ত্রী। মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং যে সমস্ত ফেরিঘাট দিয়ে যাত্রীরা যাতায়াত করেন সেখানে নৌ-দুর্ঘটনা এড়াতে জেলা প্রশাসন ও নৌ-পরিবহন বিভাগকে সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও মাইকিং করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাত্রী সাধারণের নিরাপদ যাতায়াত এবং ঘরমুখী মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ের সকল সংস্থাকে হারমোনিয়াস কো-অপারেশন বা সুসমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সাধারণ মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে মহাসড়ক এবং রেললাইনের অতি সন্নিকটে কোনো ধরনের পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। আজ বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেশনে ডিসিদের দেওয়া এমন নির্দেশনার কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি জানান, অতীতে সড়কের ওপর হাট বসানোর ফলে সৃষ্ট যানজট ও জনদুর্ভোগের অভিজ্ঞতা থেকে এবার আগেভাগেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পশুর হাটের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, বড় বড় হাটগুলোতে জালিয়াতি রোধে পুলিশের বিশেষ নজরদারি থাকবে এবং প্রয়োজনে বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। হাটে জাল নোট শনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনীয় মেশিন সরবরাহের পাশাপাশি ব্যাংকগুলোকেও সক্রিয় থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া যত্রতত্র হাট বসানো ঠেকাতে মোবাইল কোর্ট ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত টহল জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে তিনি বলেন, গ্রাম ও উপজেলা পর্যায়ে সাত দিন পর্যন্ত লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করতে হবে এবং এই সময়ে কোনো চামড়া ঢাকার অভিমুখে আনা যাবে না। এর ফলে ঢাকার ইটিপি ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ কমবে এবং চামড়া নষ্ট হওয়া রোধ করা সম্ভব হবে। এজন্য চামড়া সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় লবণ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে বলেও জানান তিনি।
ঈদযাত্রায় সড়ক ও নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল স্থাপন করা হবে বলে মন্ত্রী। মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং যে সমস্ত ফেরিঘাট দিয়ে যাত্রীরা যাতায়াত করেন সেখানে নৌ-দুর্ঘটনা এড়াতে জেলা প্রশাসন ও নৌ-পরিবহন বিভাগকে সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও মাইকিং করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাত্রী সাধারণের নিরাপদ যাতায়াত এবং ঘরমুখী মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ের সকল সংস্থাকে হারমোনিয়াস কো-অপারেশন বা সুসমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন