সংবাদ

৩ দিনে হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৩০, হাসপাতালে প্রায় ৪ হাজার


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৬ মে ২০২৬, ০৫:৪১ পিএম

৩ দিনে হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৩০, হাসপাতালে প্রায় ৪ হাজার
বাড়ছে হামের প্রকোপ, বাড়ছে হাসপাতালের চাপ

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৬৫৪ জন। মৃতদের মধ্যে দুজন নিশ্চিত হামে ও পাঁচজন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

বুধবার (৬ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

গত তিন দিনের পরিসংখ্যানে হাম পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্পষ্ট। দেশে গত ৪ মে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে ১৭ জনের মৃত্যুর ঘটনা । স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩০২ জন।নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৫৪ জন।

পরদিন ৫ মে হাম ও এর উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৬ শিশুর মৃত্যু হয়। যার মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে দুইজন ও উপসর্গ নিয়ে চারজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন করে ২৫৯ জনের দেহে হাম শনাক্ত হয়েছে। 

বুধবার ৬ মে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৭ শিশুর। এর মধ্যে ২ জন নিশ্চিত হামে। বাকি ৫ জন উপসর্গে মারা গেছে। গেল ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩০ হাজার ৮৮৫ জন।সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২৭ হাজার ২২৩ জন।

অর্থাৎ মাত্র তিন দিনে হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনের। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন প্রায় ৪ হাজার রোগী।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত (৬ মে) নিশ্চিত হামে মোট ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬৮ জনে।

এ সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৯৯ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪ হাজার ২৬০ জন।

বর্তমানে হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩০ হাজার ৮৮৫ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২৭ হাজার ২২৩ জন।

গত কয়েক দিনের তথ্য বলছে, প্রতিদিনই গড়ে ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। মার্চের মাঝামাঝিতে যেখানে দৈনিক ভর্তির সংখ্যা ছিল ৪০০-৫০০, সেখানে মে মাসের প্রথম সপ্তাহেই তা তিনগুণ বেড়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, হাম প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুদের টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, টিকাদানের পাশাপাশি গণসচেতনতা বাড়ানো ও আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬


৩ দিনে হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৩০, হাসপাতালে প্রায় ৪ হাজার

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৬৫৪ জন। মৃতদের মধ্যে দুজন নিশ্চিত হামে ও পাঁচজন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

বুধবার (৬ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

গত তিন দিনের পরিসংখ্যানে হাম পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্পষ্ট। দেশে গত ৪ মে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে ১৭ জনের মৃত্যুর ঘটনা । স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩০২ জন।নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৫৪ জন।

পরদিন ৫ মে হাম ও এর উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৬ শিশুর মৃত্যু হয়। যার মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে দুইজন ও উপসর্গ নিয়ে চারজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন করে ২৫৯ জনের দেহে হাম শনাক্ত হয়েছে। 

বুধবার ৬ মে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৭ শিশুর। এর মধ্যে ২ জন নিশ্চিত হামে। বাকি ৫ জন উপসর্গে মারা গেছে। গেল ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩০ হাজার ৮৮৫ জন।সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২৭ হাজার ২২৩ জন।

অর্থাৎ মাত্র তিন দিনে হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনের। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন প্রায় ৪ হাজার রোগী।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত (৬ মে) নিশ্চিত হামে মোট ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬৮ জনে।

এ সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৯৯ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪ হাজার ২৬০ জন।

বর্তমানে হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩০ হাজার ৮৮৫ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২৭ হাজার ২২৩ জন।

গত কয়েক দিনের তথ্য বলছে, প্রতিদিনই গড়ে ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। মার্চের মাঝামাঝিতে যেখানে দৈনিক ভর্তির সংখ্যা ছিল ৪০০-৫০০, সেখানে মে মাসের প্রথম সপ্তাহেই তা তিনগুণ বেড়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, হাম প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুদের টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, টিকাদানের পাশাপাশি গণসচেতনতা বাড়ানো ও আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা জরুরি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত