ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে যখন একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে, ঠিক তখনই ওমান উপসাগরে ইরানি পতাকাবাহী একটি তেলবাহী জাহাজে গোলাবর্ষণ করেছে মার্কিন নৌবাহিনী। এই ঘটনার ফলে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাঝে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ওমান উপসাগরে একটি ইরানি
তেলবাহী জাহাজ মার্কিন ‘নৌ অবরোধ অমান্য করার চেষ্টা’ করলে সেটিতে হামলা চালানো হয়।
মার্কিন যুদ্ধবিমান থেকে ছোঁড়া কামানের গোলায় জাহাজটির রাডার ব্যবস্থা পুরোপুরি অকেজো
হয়ে গেছে। এমন এক সময়ে এই হামলা হলো যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অঞ্চলে
চলমান সামরিক অভিযান ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ সাময়িকভাবে স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর দাবি অনুযায়ী, তেহরান ও ওয়াশিংটন
যুদ্ধ বন্ধে এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারকের খুব
কাছাকাছি পৌঁছেছে। এই শান্তি প্রক্রিয়ায় প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে পাকিস্তান।
ইরান বর্তমানে মার্কিন প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে এবং শিগগিরই পাকিস্তানের মাধ্যমে
তাদের চূড়ান্ত জবাব পাঠাবে বলে জানা গেছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বড় ধরনের চুক্তির
সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে তিনি কিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দিয়েছেন:
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে
বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে তেহরানের কিছুটা নমনীয় হওয়ার আভাস মিলেছে। ইরানের বন্দর ও
সমুদ্র-বিষয়ক সংস্থা জানিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে কারিগরি
ও চিকিৎসা সেবা দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে যখন একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে, ঠিক তখনই ওমান উপসাগরে ইরানি পতাকাবাহী একটি তেলবাহী জাহাজে গোলাবর্ষণ করেছে মার্কিন নৌবাহিনী। এই ঘটনার ফলে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাঝে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ওমান উপসাগরে একটি ইরানি
তেলবাহী জাহাজ মার্কিন ‘নৌ অবরোধ অমান্য করার চেষ্টা’ করলে সেটিতে হামলা চালানো হয়।
মার্কিন যুদ্ধবিমান থেকে ছোঁড়া কামানের গোলায় জাহাজটির রাডার ব্যবস্থা পুরোপুরি অকেজো
হয়ে গেছে। এমন এক সময়ে এই হামলা হলো যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অঞ্চলে
চলমান সামরিক অভিযান ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ সাময়িকভাবে স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর দাবি অনুযায়ী, তেহরান ও ওয়াশিংটন
যুদ্ধ বন্ধে এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারকের খুব
কাছাকাছি পৌঁছেছে। এই শান্তি প্রক্রিয়ায় প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে পাকিস্তান।
ইরান বর্তমানে মার্কিন প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে এবং শিগগিরই পাকিস্তানের মাধ্যমে
তাদের চূড়ান্ত জবাব পাঠাবে বলে জানা গেছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বড় ধরনের চুক্তির
সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে তিনি কিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দিয়েছেন:
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে
বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে তেহরানের কিছুটা নমনীয় হওয়ার আভাস মিলেছে। ইরানের বন্দর ও
সমুদ্র-বিষয়ক সংস্থা জানিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে কারিগরি
ও চিকিৎসা সেবা দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন