তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘ শাসনের অবসান এবং রাজ্য শাসনে বিজেপির ঐতিহাসিক উত্থানকে কেন্দ্র করে উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে রাজ্যজুড়ে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ও রাজনৈতিক সহিংসতার খবর পাওয়া যাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত ৪৮ ঘণ্টায় ২০০টিরও বেশি মামলা এবং কয়েক শ মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক সিদ্ধনাথ গুপ্ত
গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ৪ মে ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত
থেকে সহিংসতা ও মারধরের অভিযোগ আসছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী:
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় নান্নুর এবং নিউ টাউনে দুজনের
মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে। তবে সবচেয়ে বেশি উত্তেজনা ছড়িয়েছে উত্তর চব্বিশ
পরগনার মধ্যমগ্রামে। বুধবার রাতে সেখানে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী
চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তাঁর গাড়িতে থাকা আরও এক যুবক
গুরুতর আহত হয়েছেন। এই ঘটনার পর মধ্যমগ্রাম ও সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ও উত্তেজনা
বিরাজ করছে।
রাজধানী কলকাতার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে
‘বিশেষ অভিযান’ শুরু করেছে পুলিশ। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার নন্দ সতর্ক করে
দিয়ে বলেছেন, "শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা যে-ই করুক, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
নেওয়া হবে।"
ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশের আওতাধীন এলাকাগুলো থেকে ৮০ জনকে
গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৫ জনকে সুনির্দিষ্ট মামলায় এবং ১৫ জনকে আগাম সতর্কতামূলক
ব্যবস্থা হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজ্যের এই নজিরবিহীন রাজনৈতিক পালাবদল এবং পরবর্তী সহিংসতার
ঘটনায় পুরো ভারতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পশ্চিমবঙ্গ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে
স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘ শাসনের অবসান এবং রাজ্য শাসনে বিজেপির ঐতিহাসিক উত্থানকে কেন্দ্র করে উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে রাজ্যজুড়ে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ও রাজনৈতিক সহিংসতার খবর পাওয়া যাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত ৪৮ ঘণ্টায় ২০০টিরও বেশি মামলা এবং কয়েক শ মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক সিদ্ধনাথ গুপ্ত
গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ৪ মে ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত
থেকে সহিংসতা ও মারধরের অভিযোগ আসছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী:
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় নান্নুর এবং নিউ টাউনে দুজনের
মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে। তবে সবচেয়ে বেশি উত্তেজনা ছড়িয়েছে উত্তর চব্বিশ
পরগনার মধ্যমগ্রামে। বুধবার রাতে সেখানে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী
চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তাঁর গাড়িতে থাকা আরও এক যুবক
গুরুতর আহত হয়েছেন। এই ঘটনার পর মধ্যমগ্রাম ও সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ও উত্তেজনা
বিরাজ করছে।
রাজধানী কলকাতার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে
‘বিশেষ অভিযান’ শুরু করেছে পুলিশ। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার নন্দ সতর্ক করে
দিয়ে বলেছেন, "শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা যে-ই করুক, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
নেওয়া হবে।"
ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশের আওতাধীন এলাকাগুলো থেকে ৮০ জনকে
গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৫ জনকে সুনির্দিষ্ট মামলায় এবং ১৫ জনকে আগাম সতর্কতামূলক
ব্যবস্থা হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজ্যের এই নজিরবিহীন রাজনৈতিক পালাবদল এবং পরবর্তী সহিংসতার
ঘটনায় পুরো ভারতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পশ্চিমবঙ্গ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে
স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন