সংবাদ

পরাজয়ের পরও অনড় মমতা! আইনি লড়াইয়ের ইঙ্গিত


দীপক মূখার্জী, কলকাতা থেকে
দীপক মূখার্জী, কলকাতা থেকে
প্রকাশ: ৭ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম

পরাজয়ের পরও অনড় মমতা! আইনি লড়াইয়ের ইঙ্গিত
দলীয় বৈঠক থেকে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন “আমি গিয়ে পদত্যাগ করব না”

ভোটে বড় পরাজয়ের পরও নিজের অবস্থান থেকে একচুলও নড়লেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার (৬ মে) কালীঘাটে দলীয় বৈঠক থেকে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন “আমি গিয়ে পদত্যাগ করব না। রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক, রেকর্ড থাকুক।”এই মন্তব্য ঘিরে ইতোমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের ফল অনুযায়ী ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি। ফলে বাংলায় ক্ষমতার পালাবদল কার্যত নিশ্চিত। কিন্তু এই ফল মেনে নিতে নারাজ তৃণমূল নেত্রী। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার কথা ভাবছেন।

এমনকি প্রয়োজনে তিনি নিজেই আদালতে সওয়াল করতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন। তার পাশে থাকতে পারেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, বিপ্লব মিত্র ও বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, দলের ভেতরেই ‘অন্তর্ঘাত’-এর অভিযোগ তুলেছেন মমতা। কর্মীদের উদ্দেশে তার বার্তা- “যারা অন্তর্ঘাত করছে, তাদের নাম দিন।” তবে ভাঙনের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী- তৃণমূল আবার ঘুরে দাঁড়াবে।

এদিকে, ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগও সামনে আসছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যেখানে অভিযোগ নেওয়া হচ্ছে না, সেখানে অনলাইনে জানাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপের পথেও হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গঠন করা হবে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং টিম।

অন্যদিকে, নতুন সরকারের শপথের দিন দলীয় কার্যালয়ে রবীন্দ্রসঙ্গীত বাজানোর নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়- যা রাজনৈতিক বার্তার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক প্রতীক হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে স্পষ্ট- রাজনৈতিক ময়দান থেকে শুরু করে আদালত, দুই ক্ষেত্রেই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


পরাজয়ের পরও অনড় মমতা! আইনি লড়াইয়ের ইঙ্গিত

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬

featured Image

ভোটে বড় পরাজয়ের পরও নিজের অবস্থান থেকে একচুলও নড়লেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার (৬ মে) কালীঘাটে দলীয় বৈঠক থেকে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন “আমি গিয়ে পদত্যাগ করব না। রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক, রেকর্ড থাকুক।”এই মন্তব্য ঘিরে ইতোমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের ফল অনুযায়ী ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি। ফলে বাংলায় ক্ষমতার পালাবদল কার্যত নিশ্চিত। কিন্তু এই ফল মেনে নিতে নারাজ তৃণমূল নেত্রী। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার কথা ভাবছেন।

এমনকি প্রয়োজনে তিনি নিজেই আদালতে সওয়াল করতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন। তার পাশে থাকতে পারেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, বিপ্লব মিত্র ও বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, দলের ভেতরেই ‘অন্তর্ঘাত’-এর অভিযোগ তুলেছেন মমতা। কর্মীদের উদ্দেশে তার বার্তা- “যারা অন্তর্ঘাত করছে, তাদের নাম দিন।” তবে ভাঙনের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী- তৃণমূল আবার ঘুরে দাঁড়াবে।

এদিকে, ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগও সামনে আসছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যেখানে অভিযোগ নেওয়া হচ্ছে না, সেখানে অনলাইনে জানাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপের পথেও হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গঠন করা হবে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং টিম।

অন্যদিকে, নতুন সরকারের শপথের দিন দলীয় কার্যালয়ে রবীন্দ্রসঙ্গীত বাজানোর নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়- যা রাজনৈতিক বার্তার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক প্রতীক হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে স্পষ্ট- রাজনৈতিক ময়দান থেকে শুরু করে আদালত, দুই ক্ষেত্রেই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্ব।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত