সংবাদ

চরফ্যাশনে কোস্ট ফাউন্ডেশনের জমিতে বাধা ও দখলের চেষ্টার অভিযোগ


প্রতিনিধি, চরফ্যাশন (ভোলা)
প্রতিনিধি, চরফ্যাশন (ভোলা)
প্রকাশ: ৭ মে ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম

চরফ্যাশনে কোস্ট ফাউন্ডেশনের জমিতে বাধা ও দখলের চেষ্টার অভিযোগ
অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনে কোস্ট ফাউন্ডেশনের সংবাদ সম্মেলন। ছবি : সংবাদ

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চরমানিকা ইউনিয়নে কোস্ট ফাউন্ডেশনের ক্রয়কৃত জমিতে উন্নয়নকাজে বাধা, দখলচেষ্টা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে চরফ্যাশন কোস্ট ফাউন্ডেশনের আঞ্চলিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ করেন। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ২০২১ সালে চরমানিকা ইউনিয়নের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকায় চার্চ অব বাংলাদেশের কাছ থেকে ৩২ লাখ টাকায় ৬৯ শতাংশ জমি ক্রয় করে কোস্ট ফাউন্ডেশন। বর্তমানে সেখানে ‘কোস্ট রিসোর্স ও বালাইনাশক প্রদর্শনী ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ নির্মাণের কাজ চলছে। কিন্তু গত ১৮ এপ্রিল কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই একটি স্থানীয় চক্র কাজে বাধা দিচ্ছে এবং জমি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। 

সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার সহকারী পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘তাদের কাছে জমির সব বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। কিন্তু একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে কলোনির সাধারণ মানুষকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও জমি দখলে লিপ্ত রয়েছে। তারা উন্নয়নকাজে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সংস্থার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।’ 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ ঘটনায় গত ১৯ এপ্রিল দক্ষিণ আইচা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। 

আঞ্চলিক টিম লিডার মোসাঃ রাশিদা বেগম অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ সায়েদ ফরাজি ও তার সহযোগীরা সংস্থার নারী সহকর্মীদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার চালাচ্ছে। মূলত কোস্টের সীমানার ভেতরে থাকা সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণের উদ্দেশ্যেই তারা এসব অপতৎপরতা চালাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। 

ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. জহির উদ্দিন বলেন, ‘প্রতিপক্ষের কাছে কোনো বৈধ দলিল নেই। তারা কেবল ভিন্ন ভিন্ন ইস্যু তৈরি করে উন্নয়নমূলক কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।’ 

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কোস্ট ফাউন্ডেশন কর্মসূচি সমন্বয়কারী খোকন চন্দ্র শীল ও মো. মাকসুদুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। উন্নয়নকাজে বাধাদানকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছে সংস্থাটির সদস্যবৃন্দ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সায়েদ ফরাজির তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশ জানায়, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


চরফ্যাশনে কোস্ট ফাউন্ডেশনের জমিতে বাধা ও দখলের চেষ্টার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬

featured Image

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চরমানিকা ইউনিয়নে কোস্ট ফাউন্ডেশনের ক্রয়কৃত জমিতে উন্নয়নকাজে বাধা, দখলচেষ্টা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে চরফ্যাশন কোস্ট ফাউন্ডেশনের আঞ্চলিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ করেন। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ২০২১ সালে চরমানিকা ইউনিয়নের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকায় চার্চ অব বাংলাদেশের কাছ থেকে ৩২ লাখ টাকায় ৬৯ শতাংশ জমি ক্রয় করে কোস্ট ফাউন্ডেশন। বর্তমানে সেখানে ‘কোস্ট রিসোর্স ও বালাইনাশক প্রদর্শনী ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ নির্মাণের কাজ চলছে। কিন্তু গত ১৮ এপ্রিল কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই একটি স্থানীয় চক্র কাজে বাধা দিচ্ছে এবং জমি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। 

সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার সহকারী পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘তাদের কাছে জমির সব বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। কিন্তু একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে কলোনির সাধারণ মানুষকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও জমি দখলে লিপ্ত রয়েছে। তারা উন্নয়নকাজে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সংস্থার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।’ 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ ঘটনায় গত ১৯ এপ্রিল দক্ষিণ আইচা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। 

আঞ্চলিক টিম লিডার মোসাঃ রাশিদা বেগম অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ সায়েদ ফরাজি ও তার সহযোগীরা সংস্থার নারী সহকর্মীদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার চালাচ্ছে। মূলত কোস্টের সীমানার ভেতরে থাকা সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণের উদ্দেশ্যেই তারা এসব অপতৎপরতা চালাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। 

ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. জহির উদ্দিন বলেন, ‘প্রতিপক্ষের কাছে কোনো বৈধ দলিল নেই। তারা কেবল ভিন্ন ভিন্ন ইস্যু তৈরি করে উন্নয়নমূলক কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।’ 

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কোস্ট ফাউন্ডেশন কর্মসূচি সমন্বয়কারী খোকন চন্দ্র শীল ও মো. মাকসুদুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। উন্নয়নকাজে বাধাদানকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছে সংস্থাটির সদস্যবৃন্দ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সায়েদ ফরাজির তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশ জানায়, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত