জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার আদাবরে পোশাক শ্রমিক রুবেল হত্যাকাণ্ডের মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক কর্মকর্তা মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে ফের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ
এহসানুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। এর আগে গত রোববার
থেকে এই মামলায় তাকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা
সুমন রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের শেষ দিন অর্থাৎ ৫
আগস্ট সকালে আদাবরের রিংরোড এলাকায় কয়েক শ ছাত্র-জনতার প্রতিবাদী মিছিলে পুলিশ এবং
আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে
মারা যান পোশাক শ্রমিক রুবেল। এ ঘটনায় ২২ আগস্ট আদাবর থানায় মামলাটি করেন নিহতের বাবা
রফিকুল ইসলাম।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানিয়েছেন, ২৪ সালের ২০ জুলাই সাবেক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে আন্দোলন দমনে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়েছিল, মাঞ্জিল হায়দার সেই ষড়যন্ত্রের অন্যতম অংশীদার ছিলেন। তিনি এ মামলার অপর আসামি
তারেক আহমেদ সিদ্দিকীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে আন্দোলন দমনে উসকানি
ও মদদ দিয়েছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়েছে:
উল্লেখ্য, গত ৯ এপ্রিল মহাখালী ডিওএইচএস এলাকা থেকে মাঞ্জিল
হায়দারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় নিউ মার্কেট
থানায় তাকে তিন দফায় ১২ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়াও রমনা মডেল থানার সন্ত্রাসবিরোধী
আইনের মামলায় কয়েক দফায় রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে রুবেল হত্যা
মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার আদাবরে পোশাক শ্রমিক রুবেল হত্যাকাণ্ডের মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক কর্মকর্তা মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে ফের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ
এহসানুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। এর আগে গত রোববার
থেকে এই মামলায় তাকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা
সুমন রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের শেষ দিন অর্থাৎ ৫
আগস্ট সকালে আদাবরের রিংরোড এলাকায় কয়েক শ ছাত্র-জনতার প্রতিবাদী মিছিলে পুলিশ এবং
আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে
মারা যান পোশাক শ্রমিক রুবেল। এ ঘটনায় ২২ আগস্ট আদাবর থানায় মামলাটি করেন নিহতের বাবা
রফিকুল ইসলাম।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানিয়েছেন, ২৪ সালের ২০ জুলাই সাবেক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে আন্দোলন দমনে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়েছিল, মাঞ্জিল হায়দার সেই ষড়যন্ত্রের অন্যতম অংশীদার ছিলেন। তিনি এ মামলার অপর আসামি
তারেক আহমেদ সিদ্দিকীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে আন্দোলন দমনে উসকানি
ও মদদ দিয়েছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়েছে:
উল্লেখ্য, গত ৯ এপ্রিল মহাখালী ডিওএইচএস এলাকা থেকে মাঞ্জিল
হায়দারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় নিউ মার্কেট
থানায় তাকে তিন দফায় ১২ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়াও রমনা মডেল থানার সন্ত্রাসবিরোধী
আইনের মামলায় কয়েক দফায় রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে রুবেল হত্যা
মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন