হবিগঞ্জের চুনারুঘাট সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় প্রবেশের কারণে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন স্থানীয় খামারিরা। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বাজারে দেশীয় গরুর ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার আশঙ্কায় তারা এখন দিশেহারা।
স্থানীয় সূত্র ও খামারিদের অভিযোগ, উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের গুইবিল, দুধপাতিল, চিমটলি ও বাসপাড়া এলাকা দিয়ে প্রায় প্রতিদিনই ভারত থেকে চোরাই পথে গরু আসছে। দীর্ঘ সময় ও শ্রম দিয়ে গরু লালন-পালন করলেও ভারতীয় গরুর আধিপত্যের কারণে ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয়রা। এতে কেবল খামারিরাই আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন না, বরং পুরো দেশীয় খামার শিল্প হুমকির মুখে পড়ছে।
খামারিরা জানান, অবৈধভাবে আসা এসব গরুর কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় না। ফলে সীমান্ত দিয়ে বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। প্রাণিসম্পদ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও মনে করছেন, এভাবে অনিয়ন্ত্রিত গরু প্রবেশ অব্যাহত থাকলে দেশের প্রাণিসম্পদ খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এ অবস্থায় খামারিরা সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি ও চোরাচালান বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, “সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে। সীমান্তে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।”

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় প্রবেশের কারণে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন স্থানীয় খামারিরা। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বাজারে দেশীয় গরুর ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার আশঙ্কায় তারা এখন দিশেহারা।
স্থানীয় সূত্র ও খামারিদের অভিযোগ, উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের গুইবিল, দুধপাতিল, চিমটলি ও বাসপাড়া এলাকা দিয়ে প্রায় প্রতিদিনই ভারত থেকে চোরাই পথে গরু আসছে। দীর্ঘ সময় ও শ্রম দিয়ে গরু লালন-পালন করলেও ভারতীয় গরুর আধিপত্যের কারণে ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয়রা। এতে কেবল খামারিরাই আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন না, বরং পুরো দেশীয় খামার শিল্প হুমকির মুখে পড়ছে।
খামারিরা জানান, অবৈধভাবে আসা এসব গরুর কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় না। ফলে সীমান্ত দিয়ে বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। প্রাণিসম্পদ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও মনে করছেন, এভাবে অনিয়ন্ত্রিত গরু প্রবেশ অব্যাহত থাকলে দেশের প্রাণিসম্পদ খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এ অবস্থায় খামারিরা সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি ও চোরাচালান বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, “সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে। সীমান্তে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন