তরুণদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিচর্চায় উৎসাহিত করতে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে ‘বিআইআইসিসি ২০২৬’ জাতীয় পর্বের ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ১৯ মে রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এই আয়োজন করে বাংলাদেশ ইয়ং সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড ইনোভেটরস সোসাইটি (বাইসিস)। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ১২টি দল আন্তর্জাতিক পর্বের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। নির্বাচিত দলগুলো আগামী জুনে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞানী ড. মোবারক আহমেদ খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষাবিদ কর্ণেল (অব.) আশরাফ আল দ্বীন এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক জুবায়ের আহমেদ। এ ছাড়া প্রযুক্তিবিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা ও নাবাটেক ওয়ার্ল্ডের প্রধান নির্বাহী নাদিমুল হক জুলাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন বাইসিসের সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন।
‘বিআইআইসিসি ২০২৬’ একটি আন্তর্জাতিক উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতা। মালয়েশিয়া ইয়ং সায়েন্টিস্ট অর্গানাইজেশন (মাইসো)-এর তত্ত্বাবধানে আগামী ১৯ থেকে ২৩ জুন মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে এর আন্তর্জাতিক পর্ব। এতে সহ-আয়োজক হিসেবে যুক্ত রয়েছে বাইসিস।
আয়োজকেরা জানান, এই প্রতিযোগিতা তরুণদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিচর্চায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মেধা ও সৃজনশীলতা তুলে ধরার একটি বড় সুযোগ।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ী দলগুলোর হাতে মেডেল, সনদ ও ইয়েস কার্ড তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিজ্ঞান গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিশেষ অবদানের জন্য ড. মোবারক আহমেদ খানকে সম্মাননা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে ড. মোবারক আহমেদ খান বলেন, ‘গবেষণা ও উদ্ভাবনই একটি জাতিকে এগিয়ে নেয়। তরুণ প্রজন্মই আগামী দিনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নেতৃত্ব দেবে। এই আয়োজন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের মেধাকে তুলে ধরতে ভূমিকা রাখবে।’
বাংলাদেশ ইয়ং সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড ইনোভেটরস সোসাইটি (বাইসিস) দীর্ঘদিন ধরে তরুণ গবেষক ও উদ্ভাবকদের কাজে উৎসাহিত করে আসছে। তাদের মতে, বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিচর্চা দিন দিন বাড়ছে, কিন্তু আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত। এই প্রতিযোগিতা সেই ব্যবধান পূরণের একটি সেতু।
নির্বাচিত দলগুলো মালয়েশিয়ায় নিজেদের উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করবে। সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তরুণ উদ্ভাবকদের সঙ্গেও যোগাযোগ ও জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ পাবে তারা।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
তরুণদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিচর্চায় উৎসাহিত করতে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে ‘বিআইআইসিসি ২০২৬’ জাতীয় পর্বের ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ১৯ মে রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এই আয়োজন করে বাংলাদেশ ইয়ং সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড ইনোভেটরস সোসাইটি (বাইসিস)। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ১২টি দল আন্তর্জাতিক পর্বের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। নির্বাচিত দলগুলো আগামী জুনে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞানী ড. মোবারক আহমেদ খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষাবিদ কর্ণেল (অব.) আশরাফ আল দ্বীন এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক জুবায়ের আহমেদ। এ ছাড়া প্রযুক্তিবিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা ও নাবাটেক ওয়ার্ল্ডের প্রধান নির্বাহী নাদিমুল হক জুলাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন বাইসিসের সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন।
‘বিআইআইসিসি ২০২৬’ একটি আন্তর্জাতিক উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতা। মালয়েশিয়া ইয়ং সায়েন্টিস্ট অর্গানাইজেশন (মাইসো)-এর তত্ত্বাবধানে আগামী ১৯ থেকে ২৩ জুন মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে এর আন্তর্জাতিক পর্ব। এতে সহ-আয়োজক হিসেবে যুক্ত রয়েছে বাইসিস।
আয়োজকেরা জানান, এই প্রতিযোগিতা তরুণদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিচর্চায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মেধা ও সৃজনশীলতা তুলে ধরার একটি বড় সুযোগ।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ী দলগুলোর হাতে মেডেল, সনদ ও ইয়েস কার্ড তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিজ্ঞান গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিশেষ অবদানের জন্য ড. মোবারক আহমেদ খানকে সম্মাননা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে ড. মোবারক আহমেদ খান বলেন, ‘গবেষণা ও উদ্ভাবনই একটি জাতিকে এগিয়ে নেয়। তরুণ প্রজন্মই আগামী দিনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নেতৃত্ব দেবে। এই আয়োজন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের মেধাকে তুলে ধরতে ভূমিকা রাখবে।’
বাংলাদেশ ইয়ং সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড ইনোভেটরস সোসাইটি (বাইসিস) দীর্ঘদিন ধরে তরুণ গবেষক ও উদ্ভাবকদের কাজে উৎসাহিত করে আসছে। তাদের মতে, বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিচর্চা দিন দিন বাড়ছে, কিন্তু আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত। এই প্রতিযোগিতা সেই ব্যবধান পূরণের একটি সেতু।
নির্বাচিত দলগুলো মালয়েশিয়ায় নিজেদের উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করবে। সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তরুণ উদ্ভাবকদের সঙ্গেও যোগাযোগ ও জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ পাবে তারা।

আপনার মতামত লিখুন