সংবাদ

জানাল বিশ্বব্যাংক

দেশের অর্ধেক তরুণ এক দশকে চাকরি পাননি


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম

দেশের অর্ধেক তরুণ এক দশকে চাকরি পাননি

বাংলাদেশে গত এক দশকে কর্মক্ষম তরুণদের বড় একটি অংশ চাকরি পাননি- এমন চিত্র তুলে ধরেছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট বলেছেন, এই সময়ে শ্রমবাজারে প্রবেশ করা তরুণদের প্রায় অর্ধেকই কর্মসংস্থানের বাইরে রয়ে গেছেন। আর তরুণীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কঠিন।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি জানান, গত দশ বছরে দেশের শ্রমবাজারে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ তরুণ যুক্ত হয়েছেন। কিন্তু এ সময় নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে মাত্র ৮৭ লাখ। ফলে বিপুলসংখ্যক তরুণ কর্মহীন থেকে গেছেন। যা ভবিষ্যৎ অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন।

তিন দিনের সফর শেষে ঢাকা ত্যাগের আগে দেওয়া এই বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংক-এর এই শীর্ষ কর্মকর্তা আরও বলেন, সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এ খাতে সহায়তা অব্যাহত রাখবে বিশ্বব্যাংক।

তিনি সতর্ক করে বলেন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে হলে দীর্ঘদিনের সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি। বিশেষ করে তরুণ ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থান বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত বাড়তে থাকা তরুণ জনসংখ্যাকে কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে না পারলে তা অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর চাপ তৈরি করতে পারে। তাই বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দিচ্ছে সরকার ও উন্নয়ন অংশীদাররা। 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০২ মে ২০২৬


দেশের অর্ধেক তরুণ এক দশকে চাকরি পাননি

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশে গত এক দশকে কর্মক্ষম তরুণদের বড় একটি অংশ চাকরি পাননি- এমন চিত্র তুলে ধরেছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট বলেছেন, এই সময়ে শ্রমবাজারে প্রবেশ করা তরুণদের প্রায় অর্ধেকই কর্মসংস্থানের বাইরে রয়ে গেছেন। আর তরুণীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কঠিন।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি জানান, গত দশ বছরে দেশের শ্রমবাজারে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ তরুণ যুক্ত হয়েছেন। কিন্তু এ সময় নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে মাত্র ৮৭ লাখ। ফলে বিপুলসংখ্যক তরুণ কর্মহীন থেকে গেছেন। যা ভবিষ্যৎ অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন।

তিন দিনের সফর শেষে ঢাকা ত্যাগের আগে দেওয়া এই বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংক-এর এই শীর্ষ কর্মকর্তা আরও বলেন, সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এ খাতে সহায়তা অব্যাহত রাখবে বিশ্বব্যাংক।

তিনি সতর্ক করে বলেন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে হলে দীর্ঘদিনের সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি। বিশেষ করে তরুণ ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থান বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত বাড়তে থাকা তরুণ জনসংখ্যাকে কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে না পারলে তা অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর চাপ তৈরি করতে পারে। তাই বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দিচ্ছে সরকার ও উন্নয়ন অংশীদাররা। 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত