রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) নতুন ভবনে শুক্রবার ভোরে এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মে দিবসের ছুটির সকালে আনুমানিক ৫টার দিকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে অধিদপ্তরের বেশ কয়েকটি কক্ষের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুপুরের দিকে সংবাদমাধ্যমকে জানান, ভোরের দিকে যখন আগুন লাগে, তখন নিরাপত্তারক্ষীরা বিষয়টি শুরুতে টের পাননি। এই বিলম্বের কারণেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে। অনেকগুলো কক্ষের ফাইলপত্র ও আসবাবপত্র পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়েছে। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।
তার মতে, এটি বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে হতে পারে অথবা অন্য কোনো কারণও থাকতে পারে, যা সঠিক তদন্তের পরই বোঝা সম্ভব হবে।
সকালে অগ্নিকাণ্ডস্থল সশরীরে পরিদর্শন করতে আসেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এ সময় তাদের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন এবং অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহিনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন। ধ্বংসাবশেষ দেখে মন্ত্রী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং অবিলম্বে সচিবকে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রদান করেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে মন্ত্রী উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলেন, এই আগুনের পেছনে কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে।
তিনি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে তাগিদ দেন। বর্তমানে ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছে।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) নতুন ভবনে শুক্রবার ভোরে এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মে দিবসের ছুটির সকালে আনুমানিক ৫টার দিকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে অধিদপ্তরের বেশ কয়েকটি কক্ষের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুপুরের দিকে সংবাদমাধ্যমকে জানান, ভোরের দিকে যখন আগুন লাগে, তখন নিরাপত্তারক্ষীরা বিষয়টি শুরুতে টের পাননি। এই বিলম্বের কারণেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে। অনেকগুলো কক্ষের ফাইলপত্র ও আসবাবপত্র পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়েছে। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।
তার মতে, এটি বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে হতে পারে অথবা অন্য কোনো কারণও থাকতে পারে, যা সঠিক তদন্তের পরই বোঝা সম্ভব হবে।
সকালে অগ্নিকাণ্ডস্থল সশরীরে পরিদর্শন করতে আসেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এ সময় তাদের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন এবং অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহিনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন। ধ্বংসাবশেষ দেখে মন্ত্রী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং অবিলম্বে সচিবকে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রদান করেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে মন্ত্রী উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলেন, এই আগুনের পেছনে কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে।
তিনি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে তাগিদ দেন। বর্তমানে ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন