রাজধানীর উত্তরায় সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) খালেদ নেওয়াজের মৃত্যুর ছয় বছর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি নিয়ে শুরু হয়েছে পারিবারিক 'অশান্তি'। করোনা মহামারীর সময় মারা যাওয়া এই সাবেক কর্মকর্তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বর্তমানে তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে চলছে তীব্র বিরোধ। মেজর খালেদের মৃত্যুর পর তার তিন ছেলে, দুই মেয়ে এবং চতুর্থ স্ত্রী নুসরাত জাহান ঝিনুক উত্তরাধিকারী হিসেবে থাকলেও এখন পর্যন্ত বিষয়টির কোনো সুষ্ঠু সমাধান হয়নি।
এই বিবাদের কেন্দ্রে রয়েছেন সাবেক এই কর্মকর্তার চতুর্থ স্ত্রী নুসরাত জাহান ঝিনুক। তিনি অভিযোগ তুলেছেন, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে তিনি উত্তরার একটি পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন এবং একটি গাড়ি ব্যবহার করছেন। কিন্তু সম্প্রতি তার সৎ ছেলেদের সাথে সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
ঝিনুকের ভাষ্যমতে, "বড় ছেলে সানি নেওয়াজ ও মেজ ছেলে মেহবিশ নেওয়াজ ভাড়াটিয়াদের সাথে হাত মিলিয়ে আমাকে আমার ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করছেন।"
তিনি আরও দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবে তাকে উচ্ছেদের ভয় দেখানো হচ্ছে।
তবে সৎ মায়ের আনা এসব অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত দুই ভাই। সানি নেওয়াজ ও মেহবিশ নেওয়াজ পাল্টা দাবি করে বলেন, পরিস্থিতি আসলে উল্টো।
তাদের মতে, নুসরাত জাহান ঝিনুকই প্রভাব খাটিয়ে পুরো বাড়িটি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং তাদের উল্টো ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগের জেরে নুসরাত জাহান ঝিনুক ইতিমধ্যে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেখানে কোনো সমাধান না পেয়ে অবশেষে তিনি গণমাধ্যমের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
তদন্তে জানা গেছে, সম্পত্তির সুষ্ঠু বণ্টনের জন্য আদালত থেকে সাকসেশন বা উত্তরাধিকার সনদও জারি করা হয়েছে। কিন্তু পারিবারিকভাবে কোনো ঐক্যমতে পৌঁছাতে না পারায় বিষয়টি এখনো ঝুলে আছে। নুসরাত জাহান ঝিনুক এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন যাতে দ্রুত একটি ন্যায়সঙ্গত সমাধান আসে এবং দীর্ঘদিনের এই পারিবারিক টানাপোড়েনের অবসান ঘটে।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
রাজধানীর উত্তরায় সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) খালেদ নেওয়াজের মৃত্যুর ছয় বছর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি নিয়ে শুরু হয়েছে পারিবারিক 'অশান্তি'। করোনা মহামারীর সময় মারা যাওয়া এই সাবেক কর্মকর্তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বর্তমানে তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে চলছে তীব্র বিরোধ। মেজর খালেদের মৃত্যুর পর তার তিন ছেলে, দুই মেয়ে এবং চতুর্থ স্ত্রী নুসরাত জাহান ঝিনুক উত্তরাধিকারী হিসেবে থাকলেও এখন পর্যন্ত বিষয়টির কোনো সুষ্ঠু সমাধান হয়নি।
এই বিবাদের কেন্দ্রে রয়েছেন সাবেক এই কর্মকর্তার চতুর্থ স্ত্রী নুসরাত জাহান ঝিনুক। তিনি অভিযোগ তুলেছেন, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে তিনি উত্তরার একটি পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন এবং একটি গাড়ি ব্যবহার করছেন। কিন্তু সম্প্রতি তার সৎ ছেলেদের সাথে সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
ঝিনুকের ভাষ্যমতে, "বড় ছেলে সানি নেওয়াজ ও মেজ ছেলে মেহবিশ নেওয়াজ ভাড়াটিয়াদের সাথে হাত মিলিয়ে আমাকে আমার ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করছেন।"
তিনি আরও দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবে তাকে উচ্ছেদের ভয় দেখানো হচ্ছে।
তবে সৎ মায়ের আনা এসব অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত দুই ভাই। সানি নেওয়াজ ও মেহবিশ নেওয়াজ পাল্টা দাবি করে বলেন, পরিস্থিতি আসলে উল্টো।
তাদের মতে, নুসরাত জাহান ঝিনুকই প্রভাব খাটিয়ে পুরো বাড়িটি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং তাদের উল্টো ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগের জেরে নুসরাত জাহান ঝিনুক ইতিমধ্যে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেখানে কোনো সমাধান না পেয়ে অবশেষে তিনি গণমাধ্যমের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
তদন্তে জানা গেছে, সম্পত্তির সুষ্ঠু বণ্টনের জন্য আদালত থেকে সাকসেশন বা উত্তরাধিকার সনদও জারি করা হয়েছে। কিন্তু পারিবারিকভাবে কোনো ঐক্যমতে পৌঁছাতে না পারায় বিষয়টি এখনো ঝুলে আছে। নুসরাত জাহান ঝিনুক এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন যাতে দ্রুত একটি ন্যায়সঙ্গত সমাধান আসে এবং দীর্ঘদিনের এই পারিবারিক টানাপোড়েনের অবসান ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন