আগামী ৩ মে থেকে রাজধানীতে শুরু হতে যাচ্ছে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন ২০২৬। চার দিনব্যাপী এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সঙ্গে মাঠ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সরাসরি মতবিনিময়ের লক্ষ্যে মোট ৩৪টি কার্য অধিবেশন নির্ধারণ করা হয়েছে। ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এই সম্মেলনে জেলা প্রশাসকরা তাদের কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জগুলো সরাসরি তুলে ধরার সুযোগ পাবেন।
সম্মেলনের
প্রথম দিন সকালে প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ডিসি সম্মেলনের
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর তিনি ডিসিদের
সাথে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেবেন। এ
সময় প্রধানমন্ত্রী মাঠ পর্যায়ে সরকারি
সেবার মান বৃদ্ধি এবং
স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের
প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন। প্রথম দিনের কর্মসূচি শেষে জেলা প্রশাসকরা
রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ
করবেন এবং বঙ্গভবনে নৈশভোজে
অংশ নেবেন।
সম্মেলনের
প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়,
স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং আইন ও
বিচার বিভাগ নিয়ে আলোচনা হবে।
দ্বিতীয় দিনে গুরুত্ব পাবে
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি,
খাদ্য, শিল্প, বাণিজ্য এবং সড়ক পরিবহনসহ
প্রায় ২০টি মন্ত্রণালয় ও
বিভাগের কার্যক্রম। মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতার
আলোকে বিদ্যমান সমস্যা সমাধান এবং সরকারি প্রকল্পের
অগ্রগতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী
ও সচিবরা ডিসিদের সাথে সরাসরি কথা
বলবেন।
তৃতীয়
দিনে স্থানীয় সরকার বিভাগ, ভূমি মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ
ও জ্বালানি এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়সহ
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হবে। এদিন ডিসিরা
সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে প্রধান বিচারপতির
সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
সম্মেলনের
শেষ দিনে স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন
এবং দুর্নীতি দমন কমিশনসহ অবশিষ্ট
মন্ত্রণালয়গুলোর সাথে বৈঠক অনুষ্ঠিত
হবে। সমাপনী দিনে বাংলাদেশ-চীন
মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর
সাথে নৈশভোজে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে
এই সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটবে। প্রতি বছরের মতো এবারও সম্মেলন
থেকে আসা সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের
জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হবে।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
আগামী ৩ মে থেকে রাজধানীতে শুরু হতে যাচ্ছে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন ২০২৬। চার দিনব্যাপী এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সঙ্গে মাঠ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সরাসরি মতবিনিময়ের লক্ষ্যে মোট ৩৪টি কার্য অধিবেশন নির্ধারণ করা হয়েছে। ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এই সম্মেলনে জেলা প্রশাসকরা তাদের কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জগুলো সরাসরি তুলে ধরার সুযোগ পাবেন।
সম্মেলনের
প্রথম দিন সকালে প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ডিসি সম্মেলনের
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর তিনি ডিসিদের
সাথে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেবেন। এ
সময় প্রধানমন্ত্রী মাঠ পর্যায়ে সরকারি
সেবার মান বৃদ্ধি এবং
স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের
প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন। প্রথম দিনের কর্মসূচি শেষে জেলা প্রশাসকরা
রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ
করবেন এবং বঙ্গভবনে নৈশভোজে
অংশ নেবেন।
সম্মেলনের
প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়,
স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং আইন ও
বিচার বিভাগ নিয়ে আলোচনা হবে।
দ্বিতীয় দিনে গুরুত্ব পাবে
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি,
খাদ্য, শিল্প, বাণিজ্য এবং সড়ক পরিবহনসহ
প্রায় ২০টি মন্ত্রণালয় ও
বিভাগের কার্যক্রম। মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতার
আলোকে বিদ্যমান সমস্যা সমাধান এবং সরকারি প্রকল্পের
অগ্রগতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী
ও সচিবরা ডিসিদের সাথে সরাসরি কথা
বলবেন।
তৃতীয়
দিনে স্থানীয় সরকার বিভাগ, ভূমি মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ
ও জ্বালানি এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়সহ
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হবে। এদিন ডিসিরা
সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে প্রধান বিচারপতির
সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
সম্মেলনের
শেষ দিনে স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন
এবং দুর্নীতি দমন কমিশনসহ অবশিষ্ট
মন্ত্রণালয়গুলোর সাথে বৈঠক অনুষ্ঠিত
হবে। সমাপনী দিনে বাংলাদেশ-চীন
মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর
সাথে নৈশভোজে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে
এই সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটবে। প্রতি বছরের মতো এবারও সম্মেলন
থেকে আসা সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের
জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন