সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ (৬৫) কারাগারে অন্তরীণ অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। রোববার (২৪ মে) দিবাগত রাতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আব্দুর রহমান জানান, রাত ৩টার দিকে আব্দুল লতিফকে তীব্র বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৪টা ১০ মিনিটে তিনি মারা যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ত্রিদিব দেবনাথ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাতক্ষীরা জেলা কারাগারের জেলার মনির হোসেন সাবেক পিপি ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল লতিফের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। মৃত আব্দুল লতিফ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবায়শা গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শহরের রসুলপুর এলাকায় বসবাস করতেন।
দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আব্দুল লতিফ জেলা জজ আদালতের পিপি নিযুক্ত হন। গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সাবেক এই পিপির বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় আটটি হত্যা ও নাশকতা মামলা এবং তার ছেলে রাসেলের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকেই তারা গ্রেপ্তার এড়াতে খুলনায় আত্মগোপনে ছিলেন।
এর আগে গত ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর খুলনার বয়রা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাতক্ষীরা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ ও তার ছেলে রাসেলকে গ্রেপ্তার করে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, তীব্র অর্থ সংকটের কারণে আব্দুল লতিফ শহরের রসুলপুর এলাকার নিজের পাঁচতলা ভবনটি ফ্ল্যাট আকারে বিক্রি করা শুরু করেছিলেন। আইনগত জটিলতা এড়াতে উকিল কমিশনের মাধ্যমে ভবনের কয়েকটি ফ্ল্যাট বিক্রিও করেন। অবশিষ্ট ফ্ল্যাটগুলো রেজিস্ট্রি করার জন্য তিনি সাতক্ষীরায় আসতে পারছিলেন না। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর সকালে সাতক্ষীরা থেকে সাব-রেজিস্ট্রার ও দলিল লেখকেরা খুলনার বয়রায় তার বাসায় পৌঁছালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে বাবা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করে।
কারাগারে লতিফের মৃত্যুর বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে পরবর্তী আইনি ও ময়নাতদন্ত সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ (৬৫) কারাগারে অন্তরীণ অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। রোববার (২৪ মে) দিবাগত রাতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আব্দুর রহমান জানান, রাত ৩টার দিকে আব্দুল লতিফকে তীব্র বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৪টা ১০ মিনিটে তিনি মারা যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ত্রিদিব দেবনাথ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাতক্ষীরা জেলা কারাগারের জেলার মনির হোসেন সাবেক পিপি ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল লতিফের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। মৃত আব্দুল লতিফ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবায়শা গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শহরের রসুলপুর এলাকায় বসবাস করতেন।
দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আব্দুল লতিফ জেলা জজ আদালতের পিপি নিযুক্ত হন। গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সাবেক এই পিপির বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় আটটি হত্যা ও নাশকতা মামলা এবং তার ছেলে রাসেলের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকেই তারা গ্রেপ্তার এড়াতে খুলনায় আত্মগোপনে ছিলেন।
এর আগে গত ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর খুলনার বয়রা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাতক্ষীরা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ ও তার ছেলে রাসেলকে গ্রেপ্তার করে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, তীব্র অর্থ সংকটের কারণে আব্দুল লতিফ শহরের রসুলপুর এলাকার নিজের পাঁচতলা ভবনটি ফ্ল্যাট আকারে বিক্রি করা শুরু করেছিলেন। আইনগত জটিলতা এড়াতে উকিল কমিশনের মাধ্যমে ভবনের কয়েকটি ফ্ল্যাট বিক্রিও করেন। অবশিষ্ট ফ্ল্যাটগুলো রেজিস্ট্রি করার জন্য তিনি সাতক্ষীরায় আসতে পারছিলেন না। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর সকালে সাতক্ষীরা থেকে সাব-রেজিস্ট্রার ও দলিল লেখকেরা খুলনার বয়রায় তার বাসায় পৌঁছালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে বাবা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করে।
কারাগারে লতিফের মৃত্যুর বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে পরবর্তী আইনি ও ময়নাতদন্ত সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন