চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আওতাধীন পাঁচ ব্যাংকের হাজারো আমানতকারীর। ব্যাংক হিসাবে কোটি কোটি টাকা জমা থাকলেও প্রয়োজনের সময় সেই টাকা তুলতে না পেরে অসহায় হয়ে পড়েছেন অনেকে। কারও ব্যবসা বন্ধের পথে, কেউ বাবার চিকিৎসা করাতে পারছেন না, আবার কেউ প্রিয়জনের মৃত্যুর পরও শেষবারের মতো পাশে দাঁড়ানোর টাকা জোগাড় করতে হন্যে হয়ে ঘুরছেন ব্যাংকের শাখায় শাখায়। ঈদ সামনে রেখে এই সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
ব্যবসায়ী আবু ইউসুফের একসময় তার ১৬টি পিকআপ ভ্যান ছিল। পরিবহন ও মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপের ব্যবসাও ছিল জমজমাট। কিন্তু দুই বছর ধরে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের কারওয়ান বাজার শাখায় জমা থাকা প্রায় ৫০ লাখ টাকা তুলতে না পেরে একে একে সব হারিয়েছেন তিনি। বর্তমানে তার হাতে আছে মাত্র একটি পিকআপ ভ্যান। সেটিও বিক্রি করে দেওয়ার উপক্রম।
ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন পর্যন্ত দিতে পারেননি তিনি। প্রতিদিন আশায় বুক বেঁধে ব্যাংকে ছুটে যান, কিন্তু ফিরে আসতে হয় খালি হাতে। সংসারের খরচ, সন্তানদের লেখাপড়া, অসুস্থ স্ত্রী ও নিজের চিকিৎসা সব মিলিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন আবু ইউসুফ।
তিনি সংবাদকে বলেন, ‘আমার একাউন্টে টাকা থেকেও হাতে টাকা না থাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধের পথে। প্রতিদিন টাকা পাওয়ার আশায় ব্যাংকে ছুটে যাচ্ছি। সন্তানদের কলেজের ফি দিতে পারছি না। স্ত্রী ও আমি নিজেও অসুস্থ, চিকিৎসা করাতে পারছি না। আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি।’
একই ধরনের অসহায় পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন জাপানপ্রবাসী তোহিদুল ইসলাম। প্রবাস জীবনের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে তিনি জমা রেখেছিলেন ইউনিয়ন ব্যাংকের চট্টগ্রামের ডিটি রোড শাখায়। হিসাবটিতে প্রায় দুই কোটি টাকা রয়েছে। কিন্তু সেই টাকা এখন তার কাছে যেন কাগজে লেখা একটি সংখ্যামাত্র।
কিডনি ও হৃদরোগে আক্রান্ত বাবার চিকিৎসার জন্য ব্যাংকের কাছে আবেদনও করেছেন তিনি। আবেদনে বাবার শারীরিক অবস্থার কথাও উল্লেখ করেছেন। তারপরও টাকা তুলতে পারেননি। আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধারদেনা করে এতদিন চিকিৎসা চললেও এখন সেটিও প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম। বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন তার বাবা।
তোহিদুল ইসলাম সংবাদকে বলেন, ‘ইউনিয়ন ব্যাংকে দুই কোটি টাকা জমা থাকলেও বাবার চিকিৎসা করাতে পারছি না। আমার বাবা কিডনি এবং হার্টজনিত রোগে অসুস্থ। তবুও ডায়ালাইসিস করাতে পারছি না। আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে ধার করে এতদিন চিকিৎসা চলেছে। এখন আটকে গেছি।’
মো. বানেজ উদ্দিনের অভিজ্ঞতাও কম হৃদয়বিদারক নয়। সড়ক দুর্ঘটনায় বোনের মৃত্যুর খবর পেয়ে ছুটে যান ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের বসুন্ধরা শাখায়। হিসাবে আট লাখ টাকা থাকার পরও ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারেননি। ব্যাংক কর্মকর্তারা তাকে জানান, ব্যাংকে পর্যাপ্ত টাকা নেই। শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৯ হাজার টাকা তুলতে সক্ষম হন তিনি। সেই সামান্য অর্থ নিয়েই ছুটতে হয়েছে বোনের লাশ দেখতে।
মো. বানেজ উদ্দিন সংবাদকে বলেন, ‘বেতন পাইনি। ব্যাংকের একাউন্টে আট লাখ টাকা জমা। সড়ক দুর্ঘটনায় বোন মারা গেছে। টাকার জন্য ব্যাংকে গিয়েও পাইনি। মাত্র ১৯ হাজার টাকা তুলতে পেরেছি।’
এমন অসংখ্য গল্প এখন জড়িয়ে আছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আওতাধীন পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের জীবনে। নির্দেশনা অনুযায়ী, অর্থ উত্তোলনের সুযোগ থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক আমানতকারী অভিযোগ করছেন, নানা অজুহাতে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ঈদ সামনে রেখে টাকা তোলার আশায় প্রতিদিন ব্যাংকের শাখাগুলোতে ভিড় বাড়ছে। কিন্তু হতাশা নিয়েই ফিরতে হচ্ছে অনেককে।
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা প্রায় দুই বছর ধরে নিজেদের জমানো অর্থ ফেরতের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সংকটে থাকা এই পাঁচ ব্যাংককে নিয়ে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর দায়িত্ব নেওয়ার পর ‘হেয়ার কাট’ প্রথার ঘোষণা দিলে আমানতকারীদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। পরে তারা আন্দোলনেও নামেন।
সম্প্রতি ঢাকাসহ বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা শহরগুলোতে আমানতের অর্থ ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন গ্রাহকরা। কোথাও কোথাও ব্যাংকের শাখা অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বড় অঙ্কের খেলাপি ঋণের কারণে শরিয়াহভিত্তিক এই পাঁচ ব্যাংকের সংকট আরও প্রকট হয়ে ওঠে। দিনের পর দিন আন্দোলন করেও অনেকে নিজেদের কষ্টার্জিত সঞ্চয় ফেরত পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।
নড়বড়ে অবস্থায় থাকা এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও এসআইবিএলকে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করা হলেও পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি বলে মনে করছেন গ্রাহকরা। বরং ব্যাংকগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব, একীভূত থাকতে অনাগ্রহ এবং আইনি জটিলতা ঘিরে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, একীভূতকরণ প্রক্রিয়া ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা নেই। প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সম্প্রতি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমানতকারীদের যে কোনো অভিযোগ গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। নির্দেশনা অনুযায়ী অর্থ উত্তোলন করছে। অর্থ উত্তোলন করতে পারছে না, এটি সঠিক নয়। যারা অভিযোগ করছেন, সত্যতা যাচাই ছাড়া সঠিক কিছু বলা যাচ্ছে না।’

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আওতাধীন পাঁচ ব্যাংকের হাজারো আমানতকারীর। ব্যাংক হিসাবে কোটি কোটি টাকা জমা থাকলেও প্রয়োজনের সময় সেই টাকা তুলতে না পেরে অসহায় হয়ে পড়েছেন অনেকে। কারও ব্যবসা বন্ধের পথে, কেউ বাবার চিকিৎসা করাতে পারছেন না, আবার কেউ প্রিয়জনের মৃত্যুর পরও শেষবারের মতো পাশে দাঁড়ানোর টাকা জোগাড় করতে হন্যে হয়ে ঘুরছেন ব্যাংকের শাখায় শাখায়। ঈদ সামনে রেখে এই সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
ব্যবসায়ী আবু ইউসুফের একসময় তার ১৬টি পিকআপ ভ্যান ছিল। পরিবহন ও মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপের ব্যবসাও ছিল জমজমাট। কিন্তু দুই বছর ধরে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের কারওয়ান বাজার শাখায় জমা থাকা প্রায় ৫০ লাখ টাকা তুলতে না পেরে একে একে সব হারিয়েছেন তিনি। বর্তমানে তার হাতে আছে মাত্র একটি পিকআপ ভ্যান। সেটিও বিক্রি করে দেওয়ার উপক্রম।
ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন পর্যন্ত দিতে পারেননি তিনি। প্রতিদিন আশায় বুক বেঁধে ব্যাংকে ছুটে যান, কিন্তু ফিরে আসতে হয় খালি হাতে। সংসারের খরচ, সন্তানদের লেখাপড়া, অসুস্থ স্ত্রী ও নিজের চিকিৎসা সব মিলিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন আবু ইউসুফ।
তিনি সংবাদকে বলেন, ‘আমার একাউন্টে টাকা থেকেও হাতে টাকা না থাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধের পথে। প্রতিদিন টাকা পাওয়ার আশায় ব্যাংকে ছুটে যাচ্ছি। সন্তানদের কলেজের ফি দিতে পারছি না। স্ত্রী ও আমি নিজেও অসুস্থ, চিকিৎসা করাতে পারছি না। আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি।’
একই ধরনের অসহায় পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন জাপানপ্রবাসী তোহিদুল ইসলাম। প্রবাস জীবনের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে তিনি জমা রেখেছিলেন ইউনিয়ন ব্যাংকের চট্টগ্রামের ডিটি রোড শাখায়। হিসাবটিতে প্রায় দুই কোটি টাকা রয়েছে। কিন্তু সেই টাকা এখন তার কাছে যেন কাগজে লেখা একটি সংখ্যামাত্র।
কিডনি ও হৃদরোগে আক্রান্ত বাবার চিকিৎসার জন্য ব্যাংকের কাছে আবেদনও করেছেন তিনি। আবেদনে বাবার শারীরিক অবস্থার কথাও উল্লেখ করেছেন। তারপরও টাকা তুলতে পারেননি। আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধারদেনা করে এতদিন চিকিৎসা চললেও এখন সেটিও প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম। বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন তার বাবা।
তোহিদুল ইসলাম সংবাদকে বলেন, ‘ইউনিয়ন ব্যাংকে দুই কোটি টাকা জমা থাকলেও বাবার চিকিৎসা করাতে পারছি না। আমার বাবা কিডনি এবং হার্টজনিত রোগে অসুস্থ। তবুও ডায়ালাইসিস করাতে পারছি না। আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে ধার করে এতদিন চিকিৎসা চলেছে। এখন আটকে গেছি।’
মো. বানেজ উদ্দিনের অভিজ্ঞতাও কম হৃদয়বিদারক নয়। সড়ক দুর্ঘটনায় বোনের মৃত্যুর খবর পেয়ে ছুটে যান ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের বসুন্ধরা শাখায়। হিসাবে আট লাখ টাকা থাকার পরও ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারেননি। ব্যাংক কর্মকর্তারা তাকে জানান, ব্যাংকে পর্যাপ্ত টাকা নেই। শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৯ হাজার টাকা তুলতে সক্ষম হন তিনি। সেই সামান্য অর্থ নিয়েই ছুটতে হয়েছে বোনের লাশ দেখতে।
মো. বানেজ উদ্দিন সংবাদকে বলেন, ‘বেতন পাইনি। ব্যাংকের একাউন্টে আট লাখ টাকা জমা। সড়ক দুর্ঘটনায় বোন মারা গেছে। টাকার জন্য ব্যাংকে গিয়েও পাইনি। মাত্র ১৯ হাজার টাকা তুলতে পেরেছি।’
এমন অসংখ্য গল্প এখন জড়িয়ে আছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আওতাধীন পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের জীবনে। নির্দেশনা অনুযায়ী, অর্থ উত্তোলনের সুযোগ থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক আমানতকারী অভিযোগ করছেন, নানা অজুহাতে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ঈদ সামনে রেখে টাকা তোলার আশায় প্রতিদিন ব্যাংকের শাখাগুলোতে ভিড় বাড়ছে। কিন্তু হতাশা নিয়েই ফিরতে হচ্ছে অনেককে।
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা প্রায় দুই বছর ধরে নিজেদের জমানো অর্থ ফেরতের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সংকটে থাকা এই পাঁচ ব্যাংককে নিয়ে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর দায়িত্ব নেওয়ার পর ‘হেয়ার কাট’ প্রথার ঘোষণা দিলে আমানতকারীদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। পরে তারা আন্দোলনেও নামেন।
সম্প্রতি ঢাকাসহ বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা শহরগুলোতে আমানতের অর্থ ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন গ্রাহকরা। কোথাও কোথাও ব্যাংকের শাখা অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বড় অঙ্কের খেলাপি ঋণের কারণে শরিয়াহভিত্তিক এই পাঁচ ব্যাংকের সংকট আরও প্রকট হয়ে ওঠে। দিনের পর দিন আন্দোলন করেও অনেকে নিজেদের কষ্টার্জিত সঞ্চয় ফেরত পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।
নড়বড়ে অবস্থায় থাকা এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও এসআইবিএলকে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করা হলেও পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি বলে মনে করছেন গ্রাহকরা। বরং ব্যাংকগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব, একীভূত থাকতে অনাগ্রহ এবং আইনি জটিলতা ঘিরে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, একীভূতকরণ প্রক্রিয়া ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা নেই। প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সম্প্রতি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমানতকারীদের যে কোনো অভিযোগ গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। নির্দেশনা অনুযায়ী অর্থ উত্তোলন করছে। অর্থ উত্তোলন করতে পারছে না, এটি সঠিক নয়। যারা অভিযোগ করছেন, সত্যতা যাচাই ছাড়া সঠিক কিছু বলা যাচ্ছে না।’

আপনার মতামত লিখুন