কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ১০ বছরের এক ছেলে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. ওয়াহেদ আলী (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। সোমবার (২৫ মে) গভীর রাতে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের তারাপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ওয়াহেদ আলী তারাপুর গ্রামের মৃত রজব আলী বিশ্বাসের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি আমবাগানের তত্ত্বাবধায়ক (কেয়ারটেকার) হিসেবে কাজ করেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে তারাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্র মাঠে ছাগল চড়াতে যায়। পরে সে মাঠের পাশের একটি আমবাগানে আম কুড়াতে গেলে তত্ত্বাবধায়ক ওয়াহেদ আলী তাকে জোরপূর্বক মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন। শিশুটি বাড়িতে ফিরে তার মাকে বিষয়টি জানালে স্থানীয় কয়েকজন মাতব্বর ঘটনাটি গ্রাম্য সালিশে মীমাংসার চেষ্টা করেন।
পরে বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে গতকাল সোমবার রাতে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। মামলার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার বাদী বলেন, ‘এমন ঘটনা যেন আর কোনো শিশুর সঙ্গে না ঘটে। আমি আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। সেজন্যই থানায় মামলা করেছি।’
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, শিশু ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, এ ধরনের ফৌজদারি অপরাধে গ্রাম্য সালিশ ডাকার কোনো আইনি সুযোগ নেই। তিনি সবাইকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সচেতন হওয়ার পাশাপাশি পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ১০ বছরের এক ছেলে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. ওয়াহেদ আলী (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। সোমবার (২৫ মে) গভীর রাতে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের তারাপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ওয়াহেদ আলী তারাপুর গ্রামের মৃত রজব আলী বিশ্বাসের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি আমবাগানের তত্ত্বাবধায়ক (কেয়ারটেকার) হিসেবে কাজ করেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে তারাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্র মাঠে ছাগল চড়াতে যায়। পরে সে মাঠের পাশের একটি আমবাগানে আম কুড়াতে গেলে তত্ত্বাবধায়ক ওয়াহেদ আলী তাকে জোরপূর্বক মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন। শিশুটি বাড়িতে ফিরে তার মাকে বিষয়টি জানালে স্থানীয় কয়েকজন মাতব্বর ঘটনাটি গ্রাম্য সালিশে মীমাংসার চেষ্টা করেন।
পরে বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে গতকাল সোমবার রাতে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। মামলার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার বাদী বলেন, ‘এমন ঘটনা যেন আর কোনো শিশুর সঙ্গে না ঘটে। আমি আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। সেজন্যই থানায় মামলা করেছি।’
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, শিশু ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, এ ধরনের ফৌজদারি অপরাধে গ্রাম্য সালিশ ডাকার কোনো আইনি সুযোগ নেই। তিনি সবাইকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সচেতন হওয়ার পাশাপাশি পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন