পবিত্র ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র ২ দিন। এরই মধ্যে ফরিদপুরে জমে উঠেছে শেষ মুহূর্তের কোরবানির পশুর হাট। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকেই বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে জেলার সর্ববৃহৎ ‘টেপাখোলা গরুর হাটে’ পশু নিয়ে হাজির হচ্ছেন বেপারিরা। সকালের দিকে ক্রেতাদের উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাট প্রাঙ্গণে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সমাগম ও ব্যস্ততা বাড়ছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ফরিদপুর জেলায় কোরবানির পশুর সার্বিক চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯০ হাজার ৮৬৪টি। এর বিপরীতে জেলার ৮ হাজার ১৬৯ জন খামারি মিলে এবার ১ লাখ ৩৬১টি পশু প্রস্তুত করেছেন। ফলে চাহিদার তুলনায় জেলায় পর্যাপ্ত পশুর জোগান রয়েছে, যা পশুর বাজার স্থিতিশীল রাখতে বড় ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এদিকে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুবিধার্থে এবার ফরিদপুর জেলার ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৪২টি স্থানে গবাদিপশুর হাট বসেছে বলে জানা গেছে। এসব হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ বুথসহ নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে প্রশাসন।

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র ২ দিন। এরই মধ্যে ফরিদপুরে জমে উঠেছে শেষ মুহূর্তের কোরবানির পশুর হাট। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকেই বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে জেলার সর্ববৃহৎ ‘টেপাখোলা গরুর হাটে’ পশু নিয়ে হাজির হচ্ছেন বেপারিরা। সকালের দিকে ক্রেতাদের উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাট প্রাঙ্গণে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সমাগম ও ব্যস্ততা বাড়ছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ফরিদপুর জেলায় কোরবানির পশুর সার্বিক চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯০ হাজার ৮৬৪টি। এর বিপরীতে জেলার ৮ হাজার ১৬৯ জন খামারি মিলে এবার ১ লাখ ৩৬১টি পশু প্রস্তুত করেছেন। ফলে চাহিদার তুলনায় জেলায় পর্যাপ্ত পশুর জোগান রয়েছে, যা পশুর বাজার স্থিতিশীল রাখতে বড় ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এদিকে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুবিধার্থে এবার ফরিদপুর জেলার ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৪২টি স্থানে গবাদিপশুর হাট বসেছে বলে জানা গেছে। এসব হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ বুথসহ নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন