সংবাদ

দিনাজপুরে পশুর হাটে মন্দাভাব


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, দিনাজপুর
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, দিনাজপুর
প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম

দিনাজপুরে পশুর হাটে মন্দাভাব
দিনাজপুরের একটি হাটে সারি সারি গরু নিয়ে ক্রেতার অপেক্ষায় আছেন বিক্রেতারা। ছবিঃ সংবাদ

কোরবানির দিনক্ষণ এগিয়ে এলেও দিনাজপুরে পশুর হাটে বেচাকেনায় সন্তুষ্ট নন বিক্রেতারা। হাটে পশুর আমদানিতে কোনো কমতি না থাকলেও সেই তুলনায় ক্রেতাদের আনাগোনা ও তৎপরতা বেশ কম। দাম নিয়েও ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। বিক্রেতাদের দাবি, তারা কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না; আর ক্রেতারা বলছেন, পশুর দাম তাদের সাধ্যের মধ্যেই আছে।

দিনাজপুরের বিভিন্ন হাটে বিপুলসংখ্যক কোরবানির পশু উঠছে। শনিবার পর্যন্ত জেলার হাটগুলো ঘুরে একই চিত্র দেখা গেছে। কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা না পাওয়ায় পশু বিক্রেতারা বেশ হতাশ।

সাধারণত কোরবানির তিন থেকে চার দিন আগে পশুর হাটে সর্বোচ্চ বেচাকেনা হয়। মূলত রাখার জায়গার সমস্যার কারণে জেলা ও উপজেলা শহরের কোরবানিদাতারা শেষ মুহূর্তে পশু কিনে থাকেন। এ কারণে এখন হাটে পশুর আমদানির তুলনায় প্রকৃত ক্রেতার সংখ্যা অনেক কম। অনেকে কেবল হাটে পশুর সরবরাহ এবং দাম যাচাই করতে আসছেন। তবে পছন্দ ও দামে বনিবনা হলে কেউ কেউ কিনেও নিচ্ছেন।

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে এখনো বড় গরুর ক্রেতা কম। পশুর আকার ও ওজন অনুপাতে ক্রেতারা দাম বলছেন না। যেমন, আট মণ ওজনের একটি গরুর দাম ক্রেতারা হাঁকছেন দেড় লাখ থেকে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। ফলে বড় গরুর বাজারে কিছুটা মন্দাভাব। তবে ছোট এবং মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। মাঝারি আকারের গরু ১ লাখ থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে ক্রেতাদের দাবি, বাজারে পছন্দের গরুর সরবরাহ ভালো। দামও সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে রয়েছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রতিটি জেলায় এবার চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে। ফলে হাটে পর্যাপ্ত গবাদিপশু থাকায় শেষ মুহূর্তে ক্রেতারা তাদের সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পশু কিনতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬


দিনাজপুরে পশুর হাটে মন্দাভাব

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬

featured Image

কোরবানির দিনক্ষণ এগিয়ে এলেও দিনাজপুরে পশুর হাটে বেচাকেনায় সন্তুষ্ট নন বিক্রেতারা। হাটে পশুর আমদানিতে কোনো কমতি না থাকলেও সেই তুলনায় ক্রেতাদের আনাগোনা ও তৎপরতা বেশ কম। দাম নিয়েও ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। বিক্রেতাদের দাবি, তারা কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না; আর ক্রেতারা বলছেন, পশুর দাম তাদের সাধ্যের মধ্যেই আছে।

দিনাজপুরের বিভিন্ন হাটে বিপুলসংখ্যক কোরবানির পশু উঠছে। শনিবার পর্যন্ত জেলার হাটগুলো ঘুরে একই চিত্র দেখা গেছে। কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা না পাওয়ায় পশু বিক্রেতারা বেশ হতাশ।

সাধারণত কোরবানির তিন থেকে চার দিন আগে পশুর হাটে সর্বোচ্চ বেচাকেনা হয়। মূলত রাখার জায়গার সমস্যার কারণে জেলা ও উপজেলা শহরের কোরবানিদাতারা শেষ মুহূর্তে পশু কিনে থাকেন। এ কারণে এখন হাটে পশুর আমদানির তুলনায় প্রকৃত ক্রেতার সংখ্যা অনেক কম। অনেকে কেবল হাটে পশুর সরবরাহ এবং দাম যাচাই করতে আসছেন। তবে পছন্দ ও দামে বনিবনা হলে কেউ কেউ কিনেও নিচ্ছেন।

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে এখনো বড় গরুর ক্রেতা কম। পশুর আকার ও ওজন অনুপাতে ক্রেতারা দাম বলছেন না। যেমন, আট মণ ওজনের একটি গরুর দাম ক্রেতারা হাঁকছেন দেড় লাখ থেকে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। ফলে বড় গরুর বাজারে কিছুটা মন্দাভাব। তবে ছোট এবং মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। মাঝারি আকারের গরু ১ লাখ থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে ক্রেতাদের দাবি, বাজারে পছন্দের গরুর সরবরাহ ভালো। দামও সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে রয়েছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রতিটি জেলায় এবার চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে। ফলে হাটে পর্যাপ্ত গবাদিপশু থাকায় শেষ মুহূর্তে ক্রেতারা তাদের সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পশু কিনতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত