রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আজ মঙ্গলবার (২ জুন) শুরু হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে এই সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে।
গতকাল সোমবার সকালে এই দম্পতিকে আদালতে হাজির করা হলে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের এজলাসে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ মে রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে দেওয়া অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আমলে নেন আদালত। এই মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষী রয়েছেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী এক মাসের মধ্যেই মামলার রায় নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।
গতকাল শুনানি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মামলার স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিজুর রহমান দুলু বলেন: "আমরা আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছি। যেহেতু আসামিরা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় ইতিমধ্যেই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে, তাই এই বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার কোনো সুযোগ নেই।"
শুনানিতে পিপি আজিজুর রহমান দুলু অভিযোগ গঠনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে আদালতে রামিসা হত্যাকাণ্ডের নৃশংস বর্ণনা দেন।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি প্রকাশ্যে এলে দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরদিনই (২০ মে) প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরবর্তীতে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় সোহেল। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আজ মঙ্গলবার (২ জুন) শুরু হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে এই সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে।
গতকাল সোমবার সকালে এই দম্পতিকে আদালতে হাজির করা হলে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের এজলাসে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ মে রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে দেওয়া অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আমলে নেন আদালত। এই মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষী রয়েছেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী এক মাসের মধ্যেই মামলার রায় নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।
গতকাল শুনানি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মামলার স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিজুর রহমান দুলু বলেন: "আমরা আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছি। যেহেতু আসামিরা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় ইতিমধ্যেই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে, তাই এই বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার কোনো সুযোগ নেই।"
শুনানিতে পিপি আজিজুর রহমান দুলু অভিযোগ গঠনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে আদালতে রামিসা হত্যাকাণ্ডের নৃশংস বর্ণনা দেন।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি প্রকাশ্যে এলে দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরদিনই (২০ মে) প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরবর্তীতে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় সোহেল। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন