সংবাদ

একটি চুল বা লোমই বলবে অপরাধী কে: পিটিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের দিন শেষ


বাকী বিল্লাহ
বাকী বিল্লাহ
প্রকাশ: ৩ জুন ২০২৬, ০৭:২৬ পিএম

একটি চুল বা লোমই বলবে অপরাধী কে: পিটিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের দিন শেষ

  • লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আসামির স্বীকারোক্তি নেওয়ার দিন শেষ
  • অপরাধী চিহ্নিত করতে দেশে তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর নতুন ৪টি ফরেনসিক ল্যাব চালু করা হচ্ছে: সিআইডি

ছেলের খুনিকে শনাক্ত করতে বছরের পর বছর আদালতের বারান্দায় ঘুরছেন বৃদ্ধ বাবা। ধর্ষণের শিকার মেয়ের ডিএনএ রিপোর্টের অপেক্ষায় স্তব্ধ হয়ে বসে আছে এক অসহায় পরিবার। দেশের আদালতগুলোতে জমা হয়ে আছে লাখ লাখ মামলার পাহাড়।

এর প্রধান কারণ অপরাধের ধরন বদলেছে, কিন্তু আমাদের তদন্ত ব্যবস্থা রয়ে গেছেমান্ধাতা আমলের’। মামলার আলামত ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষা করতে দীর্ঘ সময় লেগে যাওয়াতেই আটকে থাকে বিচার। ভুক্তভোগীদের এই দীর্ঘশ্বাস আর বিচারহীনতার আক্ষেপ ঘোচাতে এবার একযুগান্তকারী পদক্ষেপ’ নিয়েছে সরকার। অপরাধীকে থার্ড ডিগ্রি বা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের চিরচেনা নির্মম দিন এবার শেষ হতে চলেছে। এখন বিজ্ঞানের নিখুঁত ছোঁয়ায় মুহূর্তেই উন্মোচিত হবে অপরাধের রহস্য।

৪৮৫ কোটির মহাপরিকল্পনা: বিভাগেই মিলবে ফরেনসিক সেবা

দেশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সরকারের উচ্চ পর্যায়ের মধ্যে জুন এক নীতি-নির্ধারণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মালিবাগ সিআইডি প্রধান কার্যালয়সহ পুলিশের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমাতে এবং বিজ্ঞানভিত্তিক অপরাধ দমনে দেশের চার বিভাগে নতুন করে আরও ৪টি অত্যাধুনিক ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করা হচ্ছে। সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর বরিশাল বিভাগে চালু হতে যাওয়া এই ল্যাবগুলোর জন্য সরকার ব্যয় করছে প্রায় ৪৮৫ কোটি টাকা। আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই এই মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে দেশে সিআইডির নিয়ন্ত্রণে মাত্র ৪টি ল্যাব রয়েছেযার মধ্যে মালিবাগ প্রধান কার্যালয়, মহাখালীর রাসায়নিক পরীক্ষাগার এবং চট্টগ্রামের দামপাড়ার ল্যাব অন্যতম। এছাড়া রাজশাহী খুলনায় পুরনো দুটি ল্যাব রয়েছে। নতুন পরিকল্পনায় জাপান (জাইকা) কোরিয়ান সরকারের আর্থিক প্রযুক্তিগত সহায়তায় রাজশাহী খুলনার পুরনো ল্যাব দুটিকে বিশ্বমানের প্রযুক্তিতে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঢাকা চট্টগ্রামের ল্যাবগুলোতে বাড়ানো হচ্ছে দক্ষ জনবল। এর আগে ২০২৩ সালে এই উদ্যোগ নেওয়া হলেও নানা জটিলতায় তা থমকে গিয়েছিল, তবে এবার তা আলোর মুখ দেখছে।

প্রযুক্তিই যখন সবচেয়ে বড় সাক্ষী: বিচারকদের কাজ হবে সহজ

তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে অপরাধীরা প্রতিদিন নিত্যনতুন কৌশলে ধর্ষণ, হত্যা সাইবার অপরাধের মতো নৃশংস ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে। পুলিশের একজন ডিআইজি পদমর্যাদার অপরাধ বিজ্ঞানী বলেন, "অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তথ্যপ্রযুক্তির জগতের উৎকর্ষে সাক্ষ্য আইনের বিধান মোতাবেক আদালতের নিকট মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হলেও, তথ্যপ্রযুক্তির প্রমাণ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণের সুযোগ সীমিত ছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে অপরাধের দোষী হিসেবে অভিযোগ প্রমাণের যে সীমাবদ্ধতা ছিল, এই ফরেনসিক ল্যাবগুলো সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।"

ল্যাবগুলো পুরোদমে চালু হলে ময়নাতদন্তের রাসায়নিক পরীক্ষা, ডিএনএ প্রোফাইলিং এবং ব্যালেস্টিক পরীক্ষা অত্যন্ত কম সময়ে করা সম্ভব হবে। ফলে মামলার জট যেমন কমবে, তেমনি নমুনা নষ্ট হওয়ার ভয় থাকবে না। দ্রুততম সময়ে আদালতে অকাট্য রিপোর্ট পেশ করা যাবে, যা বিচারকদের রায় দিতে পথ দেখাবে।

দক্ষ জনবল ছাড়া স্বপ্ন কি অধরাই থাকবে?

নতুন ৪টি ল্যাব যোগ হওয়ায় পুলিশের সক্ষমতা নিঃসন্দেহে বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। তবে মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠের মতো কিছু আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে, ল্যাব পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত দক্ষ জনবল, আধুনিক প্রশিক্ষণের অভাব এবং সাধারণ তদন্তকারী কর্মকর্তাদের প্রযুক্তির বিষয়ে অজ্ঞতা থাকলে এই বিশাল সাফল্য অর্জনে বেগ পেতে হবে। তা না হলে কোটি কোটি টাকার এই আধুনিক ল্যাব গড়ার উদ্দেশ্য ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই সংকট কাটানোর জন্য ফরেনসিক ল্যাব স্থাপনের পাশাপাশি দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কোরিয়া দেশে সিআইডির ১২০ জনেরও বেশি কর্মকর্তাকে আধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তদন্ত কর্মকর্তাদের দক্ষ করে তোলার জন্য একটি স্বতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।

তদন্তে বিজ্ঞানসম্মত বিপ্লব

এই মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে সিআইডির দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান ডিআইজি আলি আকবর খান অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেন, "আগের ল্যাব আধুনিকীকরণ নতুন ফরেনসিক ল্যাব চালু হলে অপরাধ দমনে নতুন মাত্রা যোগ হবে। তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক অপরাধ শনাক্ত দমন করা সহজ হবে। আর লাঠি দিয়ে পিটিয়ে স্বীকারোক্তি নেওয়ার দরকার হবে না, প্রযুক্তিই বিষয়টি প্রমাণ করবে। আদালতে আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত সাক্ষ্যপ্রমাণ নির্ভর তদন্ত উপস্থাপন করা সম্ভব হবে। এই লক্ষ্যে পুলিশের ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে।"

বিজ্ঞানভিত্তিক এই নতুন দিগন্ত কেবল অপরাধীদের মনেই ভয় ধরাবে না, বরং দেশের লাখ লাখ বিচারপ্রার্থী মানুষের মনে ফিরিয়ে আনবে এক বুক আস্থা। প্রযুক্তি যখন কথা বলবে, তখন কোনো অপরাধী আর পার পাবে না, আর কোনো নিরীহ মানুষকেও মিথ্যে অপবাদে বলির পাঁঠা হতে হবে না। এই ডিসেম্বরই হতে যাচ্ছে দেশের বিচার ব্যবস্থার সেই কাঙ্ক্ষিত মুক্তির মাস।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬


একটি চুল বা লোমই বলবে অপরাধী কে: পিটিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের দিন শেষ

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬

featured Image

  • লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আসামির স্বীকারোক্তি নেওয়ার দিন শেষ
  • অপরাধী চিহ্নিত করতে দেশে তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর নতুন ৪টি ফরেনসিক ল্যাব চালু করা হচ্ছে: সিআইডি

ছেলের খুনিকে শনাক্ত করতে বছরের পর বছর আদালতের বারান্দায় ঘুরছেন বৃদ্ধ বাবা। ধর্ষণের শিকার মেয়ের ডিএনএ রিপোর্টের অপেক্ষায় স্তব্ধ হয়ে বসে আছে এক অসহায় পরিবার। দেশের আদালতগুলোতে জমা হয়ে আছে লাখ লাখ মামলার পাহাড়।

এর প্রধান কারণ অপরাধের ধরন বদলেছে, কিন্তু আমাদের তদন্ত ব্যবস্থা রয়ে গেছেমান্ধাতা আমলের’। মামলার আলামত ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষা করতে দীর্ঘ সময় লেগে যাওয়াতেই আটকে থাকে বিচার। ভুক্তভোগীদের এই দীর্ঘশ্বাস আর বিচারহীনতার আক্ষেপ ঘোচাতে এবার একযুগান্তকারী পদক্ষেপ’ নিয়েছে সরকার। অপরাধীকে থার্ড ডিগ্রি বা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের চিরচেনা নির্মম দিন এবার শেষ হতে চলেছে। এখন বিজ্ঞানের নিখুঁত ছোঁয়ায় মুহূর্তেই উন্মোচিত হবে অপরাধের রহস্য।

৪৮৫ কোটির মহাপরিকল্পনা: বিভাগেই মিলবে ফরেনসিক সেবা

দেশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সরকারের উচ্চ পর্যায়ের মধ্যে জুন এক নীতি-নির্ধারণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মালিবাগ সিআইডি প্রধান কার্যালয়সহ পুলিশের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমাতে এবং বিজ্ঞানভিত্তিক অপরাধ দমনে দেশের চার বিভাগে নতুন করে আরও ৪টি অত্যাধুনিক ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করা হচ্ছে। সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর বরিশাল বিভাগে চালু হতে যাওয়া এই ল্যাবগুলোর জন্য সরকার ব্যয় করছে প্রায় ৪৮৫ কোটি টাকা। আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই এই মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে দেশে সিআইডির নিয়ন্ত্রণে মাত্র ৪টি ল্যাব রয়েছেযার মধ্যে মালিবাগ প্রধান কার্যালয়, মহাখালীর রাসায়নিক পরীক্ষাগার এবং চট্টগ্রামের দামপাড়ার ল্যাব অন্যতম। এছাড়া রাজশাহী খুলনায় পুরনো দুটি ল্যাব রয়েছে। নতুন পরিকল্পনায় জাপান (জাইকা) কোরিয়ান সরকারের আর্থিক প্রযুক্তিগত সহায়তায় রাজশাহী খুলনার পুরনো ল্যাব দুটিকে বিশ্বমানের প্রযুক্তিতে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঢাকা চট্টগ্রামের ল্যাবগুলোতে বাড়ানো হচ্ছে দক্ষ জনবল। এর আগে ২০২৩ সালে এই উদ্যোগ নেওয়া হলেও নানা জটিলতায় তা থমকে গিয়েছিল, তবে এবার তা আলোর মুখ দেখছে।

প্রযুক্তিই যখন সবচেয়ে বড় সাক্ষী: বিচারকদের কাজ হবে সহজ

তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে অপরাধীরা প্রতিদিন নিত্যনতুন কৌশলে ধর্ষণ, হত্যা সাইবার অপরাধের মতো নৃশংস ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে। পুলিশের একজন ডিআইজি পদমর্যাদার অপরাধ বিজ্ঞানী বলেন, "অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তথ্যপ্রযুক্তির জগতের উৎকর্ষে সাক্ষ্য আইনের বিধান মোতাবেক আদালতের নিকট মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হলেও, তথ্যপ্রযুক্তির প্রমাণ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণের সুযোগ সীমিত ছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে অপরাধের দোষী হিসেবে অভিযোগ প্রমাণের যে সীমাবদ্ধতা ছিল, এই ফরেনসিক ল্যাবগুলো সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।"

ল্যাবগুলো পুরোদমে চালু হলে ময়নাতদন্তের রাসায়নিক পরীক্ষা, ডিএনএ প্রোফাইলিং এবং ব্যালেস্টিক পরীক্ষা অত্যন্ত কম সময়ে করা সম্ভব হবে। ফলে মামলার জট যেমন কমবে, তেমনি নমুনা নষ্ট হওয়ার ভয় থাকবে না। দ্রুততম সময়ে আদালতে অকাট্য রিপোর্ট পেশ করা যাবে, যা বিচারকদের রায় দিতে পথ দেখাবে।

দক্ষ জনবল ছাড়া স্বপ্ন কি অধরাই থাকবে?

নতুন ৪টি ল্যাব যোগ হওয়ায় পুলিশের সক্ষমতা নিঃসন্দেহে বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। তবে মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠের মতো কিছু আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে, ল্যাব পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত দক্ষ জনবল, আধুনিক প্রশিক্ষণের অভাব এবং সাধারণ তদন্তকারী কর্মকর্তাদের প্রযুক্তির বিষয়ে অজ্ঞতা থাকলে এই বিশাল সাফল্য অর্জনে বেগ পেতে হবে। তা না হলে কোটি কোটি টাকার এই আধুনিক ল্যাব গড়ার উদ্দেশ্য ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই সংকট কাটানোর জন্য ফরেনসিক ল্যাব স্থাপনের পাশাপাশি দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কোরিয়া দেশে সিআইডির ১২০ জনেরও বেশি কর্মকর্তাকে আধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তদন্ত কর্মকর্তাদের দক্ষ করে তোলার জন্য একটি স্বতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।

তদন্তে বিজ্ঞানসম্মত বিপ্লব

এই মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে সিআইডির দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান ডিআইজি আলি আকবর খান অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেন, "আগের ল্যাব আধুনিকীকরণ নতুন ফরেনসিক ল্যাব চালু হলে অপরাধ দমনে নতুন মাত্রা যোগ হবে। তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক অপরাধ শনাক্ত দমন করা সহজ হবে। আর লাঠি দিয়ে পিটিয়ে স্বীকারোক্তি নেওয়ার দরকার হবে না, প্রযুক্তিই বিষয়টি প্রমাণ করবে। আদালতে আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত সাক্ষ্যপ্রমাণ নির্ভর তদন্ত উপস্থাপন করা সম্ভব হবে। এই লক্ষ্যে পুলিশের ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে।"

বিজ্ঞানভিত্তিক এই নতুন দিগন্ত কেবল অপরাধীদের মনেই ভয় ধরাবে না, বরং দেশের লাখ লাখ বিচারপ্রার্থী মানুষের মনে ফিরিয়ে আনবে এক বুক আস্থা। প্রযুক্তি যখন কথা বলবে, তখন কোনো অপরাধী আর পার পাবে না, আর কোনো নিরীহ মানুষকেও মিথ্যে অপবাদে বলির পাঁঠা হতে হবে না। এই ডিসেম্বরই হতে যাচ্ছে দেশের বিচার ব্যবস্থার সেই কাঙ্ক্ষিত মুক্তির মাস।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত