টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউনিয়নে জরাজীর্ণ বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এসে ৫ টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) সকালে ইউনিয়নের কস্তুরীপাড়া-বেঙ্গুলা গ্রামের চকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের তৎপরতায় আরও কয়েকটি গরু প্রাণে রক্ষা পেয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কস্তুরীপাড়া-রোহা গ্রামের চকে একটি কাঠের খুঁটি ভেঙে যাওয়ার পর সেটি বাঁশের খুঁটি দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে রাখা হয়েছিল। আজ সকালে মাঠে চড়তে যাওয়া বেঙ্গুলা গ্রামের কৃষক লিয়াকত, রমজান ও সলিমের পাঁচটি গরু ওই বিদ্যুতায়িত খুঁটির সংস্পর্শে এলে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী সেন্টু মিয়া জানান, তিনি ঘটনাটি দেখে চিৎকার করে লোকজনকে সতর্ক করেন। তার তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তায় অন্য গরুগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, গরুগুলোই ছিল তাদের আয়ের প্রধান উৎস। এই লোকসানে তারা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বাঁশ ও কাঠের খুঁটি দিয়ে বিদ্যুৎ লাইন টানা হয়েছে। বারবার সিমেন্টের খুঁটি স্থাপনের দাবি জানালেও কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। জরাজীর্ণ এই লাইন দ্রুত সংস্কার ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
কালিহাতী বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান সুমন বলেন, ‘বিষয়টি আমি আগে জানতাম না। লোক পাঠিয়ে খোঁজ নিচ্ছি।’
কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জে ও এম তৌফিক আজম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশের একজন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউনিয়নে জরাজীর্ণ বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এসে ৫ টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) সকালে ইউনিয়নের কস্তুরীপাড়া-বেঙ্গুলা গ্রামের চকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের তৎপরতায় আরও কয়েকটি গরু প্রাণে রক্ষা পেয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কস্তুরীপাড়া-রোহা গ্রামের চকে একটি কাঠের খুঁটি ভেঙে যাওয়ার পর সেটি বাঁশের খুঁটি দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে রাখা হয়েছিল। আজ সকালে মাঠে চড়তে যাওয়া বেঙ্গুলা গ্রামের কৃষক লিয়াকত, রমজান ও সলিমের পাঁচটি গরু ওই বিদ্যুতায়িত খুঁটির সংস্পর্শে এলে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী সেন্টু মিয়া জানান, তিনি ঘটনাটি দেখে চিৎকার করে লোকজনকে সতর্ক করেন। তার তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তায় অন্য গরুগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, গরুগুলোই ছিল তাদের আয়ের প্রধান উৎস। এই লোকসানে তারা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বাঁশ ও কাঠের খুঁটি দিয়ে বিদ্যুৎ লাইন টানা হয়েছে। বারবার সিমেন্টের খুঁটি স্থাপনের দাবি জানালেও কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। জরাজীর্ণ এই লাইন দ্রুত সংস্কার ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
কালিহাতী বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান সুমন বলেন, ‘বিষয়টি আমি আগে জানতাম না। লোক পাঠিয়ে খোঁজ নিচ্ছি।’
কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জে ও এম তৌফিক আজম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশের একজন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন