বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বাপ্পারাজ।
বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন তিনি। জানা গেছে, বাপ্পারাজের নেতৃত্বাধীন প্যানেলে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী
হওয়ার কথা ছিল রুমানা ইসলাম মুক্তি’র।
সমকালকে মুক্তি
বলেন, বাপ্পারাজ একটি খুদে বার্তার মাধ্যমে তাকে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্তের কথা
জানিয়েছেন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন।
এ বিষয়ে বাপ্পারাজ
বলেন, “শিল্পী সমিতি আমার নিজের সংগঠন। সবসময় শিল্পীদের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।
তবে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কিছু কারণে এবার নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সবার
জন্য শুভকামনা রইল।”
বাপ্পারাজের সরে
দাঁড়ানোর ফলে তার প্যানেলের সভাপতি পদে নতুন প্রার্থী কে হবেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
রুমানা ইসলাম মুক্তি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই
সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এদিকে বাপ্পারাজের
এই সিদ্ধান্ত চলচ্চিত্র অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। এখন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী
সমিতির আসন্ন নির্বাচনে সভাপতি পদে কারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তা নিয়ে শিল্পী ও
সংশ্লিষ্ট মহলে কৌতূহল বেড়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৪ এপ্রিল মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন
ডিপজল নেতৃত্বাধীন কার্যনির্বাহী পরিষদের (২০২৪-২০২৬) মেয়াদ শেষ হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী,
মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বাপ্পারাজ।
বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন তিনি। জানা গেছে, বাপ্পারাজের নেতৃত্বাধীন প্যানেলে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী
হওয়ার কথা ছিল রুমানা ইসলাম মুক্তি’র।
সমকালকে মুক্তি
বলেন, বাপ্পারাজ একটি খুদে বার্তার মাধ্যমে তাকে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্তের কথা
জানিয়েছেন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন।
এ বিষয়ে বাপ্পারাজ
বলেন, “শিল্পী সমিতি আমার নিজের সংগঠন। সবসময় শিল্পীদের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।
তবে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কিছু কারণে এবার নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সবার
জন্য শুভকামনা রইল।”
বাপ্পারাজের সরে
দাঁড়ানোর ফলে তার প্যানেলের সভাপতি পদে নতুন প্রার্থী কে হবেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
রুমানা ইসলাম মুক্তি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই
সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এদিকে বাপ্পারাজের
এই সিদ্ধান্ত চলচ্চিত্র অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। এখন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী
সমিতির আসন্ন নির্বাচনে সভাপতি পদে কারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তা নিয়ে শিল্পী ও
সংশ্লিষ্ট মহলে কৌতূহল বেড়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৪ এপ্রিল মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন
ডিপজল নেতৃত্বাধীন কার্যনির্বাহী পরিষদের (২০২৪-২০২৬) মেয়াদ শেষ হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী,
মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন