কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকায় চাঞ্চল্যকর জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিয়াউর রহমান জিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৫। সোমবার (৮ জুন) দিবাগত রাত পৌনে ৩ টার দিকে রামু উপজেলার উখিয়ারঘোনা (গনিয়াকাটা) এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গত ২ জুন রাত ১১টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামপুর পাহাড়তলী এলাকায় আসিফ ও হৃদয় নামে দুই যুবককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। এ ঘটনায় নিহত আসিফের বাবা মো. ইসমাইল বাদী হয়ে ৫ জুন কক্সবাজার সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
র্যাব-১৫-এর সদর ব্যাটালিয়নের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, মামলার ১ নম্বর আসামি জিয়া রামুর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে আছেন। পরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া জিয়া পাহাড়তলী এলাকার মৃত নজির আহমেদের ছেলে।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। র্যাব জানায়, জিয়ার বিরুদ্ধে আগে থেকেই কক্সবাজার সদর থানায় দুটি হত্যা ও একটি মাদক মামলাসহ মোট ৮ টি মামলা রয়েছে। এলাকায় তিনি দুর্ধর্ষ অপরাধী হিসেবে পরিচিত।
র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (আইন ও গণমাধ্যম) আ ম ফারুক জানান, গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকায় চাঞ্চল্যকর জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিয়াউর রহমান জিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৫। সোমবার (৮ জুন) দিবাগত রাত পৌনে ৩ টার দিকে রামু উপজেলার উখিয়ারঘোনা (গনিয়াকাটা) এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গত ২ জুন রাত ১১টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামপুর পাহাড়তলী এলাকায় আসিফ ও হৃদয় নামে দুই যুবককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। এ ঘটনায় নিহত আসিফের বাবা মো. ইসমাইল বাদী হয়ে ৫ জুন কক্সবাজার সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
র্যাব-১৫-এর সদর ব্যাটালিয়নের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, মামলার ১ নম্বর আসামি জিয়া রামুর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে আছেন। পরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া জিয়া পাহাড়তলী এলাকার মৃত নজির আহমেদের ছেলে।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। র্যাব জানায়, জিয়ার বিরুদ্ধে আগে থেকেই কক্সবাজার সদর থানায় দুটি হত্যা ও একটি মাদক মামলাসহ মোট ৮ টি মামলা রয়েছে। এলাকায় তিনি দুর্ধর্ষ অপরাধী হিসেবে পরিচিত।
র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (আইন ও গণমাধ্যম) আ ম ফারুক জানান, গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন