প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রণীত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক মো. আলিমুল ইসলাম। এই বাজেটকে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির সহায়ক এক ‘গণমুখী’ পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।
বাজেট-পরবর্তী এর প্রতিক্রিয়ায় উপাচার্য বলেন, দীর্ঘ দুই দশক পর ঘোষিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বৃহৎ ও জনকল্যাণমুখী বাজেটে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুবিধার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন সরকারের এই বাজেটে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ও উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
উপাচার্য আলিমুল ইসলাম আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ডের মতো জনকল্যাণমূলক সহায়তায় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কর ছাড় ও ভর্তুকির সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী। বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বরাদ্দ নিশ্চিত করা এবং চাল, ডাল, চিনি, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর কমানো সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬.৫ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশ প্রাক্কলন করা হয়েছে। উপাচার্য মনে করেন, অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে এই বাজেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দীর্ঘ ১১ বছর পর নবম পে-স্কেল ঘোষণার ফলে তাদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এই বাজেটে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
/

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রণীত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক মো. আলিমুল ইসলাম। এই বাজেটকে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির সহায়ক এক ‘গণমুখী’ পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।
বাজেট-পরবর্তী এর প্রতিক্রিয়ায় উপাচার্য বলেন, দীর্ঘ দুই দশক পর ঘোষিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বৃহৎ ও জনকল্যাণমুখী বাজেটে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুবিধার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন সরকারের এই বাজেটে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ও উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
উপাচার্য আলিমুল ইসলাম আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ডের মতো জনকল্যাণমূলক সহায়তায় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কর ছাড় ও ভর্তুকির সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী। বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বরাদ্দ নিশ্চিত করা এবং চাল, ডাল, চিনি, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর কমানো সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬.৫ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশ প্রাক্কলন করা হয়েছে। উপাচার্য মনে করেন, অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে এই বাজেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দীর্ঘ ১১ বছর পর নবম পে-স্কেল ঘোষণার ফলে তাদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এই বাজেটে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
/

আপনার মতামত লিখুন