২৫০ শয্যার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে তাসিফ (৯) নামের আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল পৌনে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গে গত কয়েক দিনে তিন শিশুর প্রাণ গেল।
মারা যাওয়া শিশু তাসিফ লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরমিতা গ্রামের আজাদ উদ্দিনের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে হামের উপসর্গ নিয়ে তাসিফকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তার শরীরে তীব্র জ্বর ও লালচে ফুসকুড়িসহ (র্যাশ) বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা ছিল। আজ সকালে হঠাৎ তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। চিকিৎসকেরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু এর মধ্যেই তাসিফ মারা যায়।
হাসপাতালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এপ্রিল মাসের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে প্রায় দেড় হাজার শিশু এখানে চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ১৫ জন শিশুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে হামের উপসর্গ নিয়ে ১০৭টি শিশু ভর্তি আছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৩৪ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩৬ জন।
জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, শিশুদের মধ্যে হামের প্রকোপ বাড়ছে। আক্রান্ত শিশুদের অধিকাংশের মধ্যেই তীব্র জ্বর ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আইসোলেশন ওয়ার্ডে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
/

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
২৫০ শয্যার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে তাসিফ (৯) নামের আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল পৌনে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গে গত কয়েক দিনে তিন শিশুর প্রাণ গেল।
মারা যাওয়া শিশু তাসিফ লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরমিতা গ্রামের আজাদ উদ্দিনের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে হামের উপসর্গ নিয়ে তাসিফকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তার শরীরে তীব্র জ্বর ও লালচে ফুসকুড়িসহ (র্যাশ) বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা ছিল। আজ সকালে হঠাৎ তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। চিকিৎসকেরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু এর মধ্যেই তাসিফ মারা যায়।
হাসপাতালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এপ্রিল মাসের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে প্রায় দেড় হাজার শিশু এখানে চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ১৫ জন শিশুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে হামের উপসর্গ নিয়ে ১০৭টি শিশু ভর্তি আছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৩৪ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩৬ জন।
জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, শিশুদের মধ্যে হামের প্রকোপ বাড়ছে। আক্রান্ত শিশুদের অধিকাংশের মধ্যেই তীব্র জ্বর ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আইসোলেশন ওয়ার্ডে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
/

আপনার মতামত লিখুন