রাজশাহীর কর্ণহার থানার বিল ধরমপুর গ্রামের শিশু আদিব আহনাফ (১১) হত্যার ৪ মাস পর রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) আরএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) গাজিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গত ১ মার্চ তারাবির নামাজ পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল আদিব। পরদিন সকালে স্থানীয় একটি ঘাসখেত থেকে গলায় বেল্ট পেঁচানো অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
ডিবি পুলিশ জানায়, ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও প্রতিশোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে আদিবকে হত্যা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া কিশোরটি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে সে জানায়, এক মেয়ের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়টি আদিব ওই মেয়ের মাকে জানিয়ে দিয়েছিল। এ নিয়ে কিশোরটি তার নিজের মায়ের কাছে মারধর খায়। সেই ক্ষোভ থেকেই সে আদিবকে কৌশলে নির্জন স্থানে নিয়ে মাথায় আঘাতের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ডিবি পুলিশ ছায়াতদন্ত শুরু করে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত রোববার ওই কিশোরকে হেফাজতে নেওয়া হয়। মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান বলে জানিয়েছে পুলিশ।
/

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
রাজশাহীর কর্ণহার থানার বিল ধরমপুর গ্রামের শিশু আদিব আহনাফ (১১) হত্যার ৪ মাস পর রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) আরএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) গাজিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গত ১ মার্চ তারাবির নামাজ পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল আদিব। পরদিন সকালে স্থানীয় একটি ঘাসখেত থেকে গলায় বেল্ট পেঁচানো অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
ডিবি পুলিশ জানায়, ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও প্রতিশোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে আদিবকে হত্যা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া কিশোরটি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে সে জানায়, এক মেয়ের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়টি আদিব ওই মেয়ের মাকে জানিয়ে দিয়েছিল। এ নিয়ে কিশোরটি তার নিজের মায়ের কাছে মারধর খায়। সেই ক্ষোভ থেকেই সে আদিবকে কৌশলে নির্জন স্থানে নিয়ে মাথায় আঘাতের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ডিবি পুলিশ ছায়াতদন্ত শুরু করে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত রোববার ওই কিশোরকে হেফাজতে নেওয়া হয়। মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান বলে জানিয়েছে পুলিশ।
/

আপনার মতামত লিখুন