ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সাখুয়া ইউনিয়নের বালির বাজার এলাকায় ৫শ বছরের পুরোনো একটি বিশাল শিমুল গাছ কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। স্থানীয়দের কাছে এই প্রাচীন গাছটি কেবল সৌন্দর্যের উৎস নয়, বরং একে ঘিরে রয়েছে নানা রোমাঞ্চকর লোককাহিনি ও বিশ্বাস।
বিশাল আকৃতির এই গাছটির গোড়ায় দাঁড়ালে নিজেকে অতি ক্ষুদ্র মনে হয়। বসন্তকালে যখন গাছটি টকটকে লাল ফুলে ভরে ওঠে, তখন এক অপরূপ দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে দূরদূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা এখানে ছুটে আসেন।
স্থানীয়দের মধ্যে গাছটিকে নিয়ে বিভিন্ন অলৌকিক বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে। অনেকে মনের বাসনা পূরণে এখানে গরু, খাসি বা মোরগ মানত করেন। স্থানীয় বাসিন্দা মোকছেদ আলী বলেন, ‘শুনেছি আগে কেউ এই গাছটি কাটতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, এমনকি একজনের মৃত্যুও হয়েছিল। এটি আমাদের এলাকার ঐতিহ্য।’
জমির মালিক ইউসুফ আলী জানান, তার পূর্বপুরুষদের আমল থেকেই তারা এই প্রবীণ গাছটি দেখে আসছেন। বয়সের ভারে ন্যুব্জ হলেও প্রতিবছর ফাল্গুনে গাছটি ফুলে ফুলে ভরে ওঠে এবং মৌমাছি ও পাখির কলকাকলিতে মুখর থাকে।
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, ‘বিশাল আকৃতির এই প্রাচীন গাছটির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে এটি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।’
/

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সাখুয়া ইউনিয়নের বালির বাজার এলাকায় ৫শ বছরের পুরোনো একটি বিশাল শিমুল গাছ কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। স্থানীয়দের কাছে এই প্রাচীন গাছটি কেবল সৌন্দর্যের উৎস নয়, বরং একে ঘিরে রয়েছে নানা রোমাঞ্চকর লোককাহিনি ও বিশ্বাস।
বিশাল আকৃতির এই গাছটির গোড়ায় দাঁড়ালে নিজেকে অতি ক্ষুদ্র মনে হয়। বসন্তকালে যখন গাছটি টকটকে লাল ফুলে ভরে ওঠে, তখন এক অপরূপ দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে দূরদূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা এখানে ছুটে আসেন।
স্থানীয়দের মধ্যে গাছটিকে নিয়ে বিভিন্ন অলৌকিক বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে। অনেকে মনের বাসনা পূরণে এখানে গরু, খাসি বা মোরগ মানত করেন। স্থানীয় বাসিন্দা মোকছেদ আলী বলেন, ‘শুনেছি আগে কেউ এই গাছটি কাটতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, এমনকি একজনের মৃত্যুও হয়েছিল। এটি আমাদের এলাকার ঐতিহ্য।’
জমির মালিক ইউসুফ আলী জানান, তার পূর্বপুরুষদের আমল থেকেই তারা এই প্রবীণ গাছটি দেখে আসছেন। বয়সের ভারে ন্যুব্জ হলেও প্রতিবছর ফাল্গুনে গাছটি ফুলে ফুলে ভরে ওঠে এবং মৌমাছি ও পাখির কলকাকলিতে মুখর থাকে।
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, ‘বিশাল আকৃতির এই প্রাচীন গাছটির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে এটি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।’
/

আপনার মতামত লিখুন