অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় থেকে জামায়াতে ইসলামী সমর্থক ১৮ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের (এএজি) একযোগে পদত্যাগের ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. বদরুদ্দোজা বাদল।
বুধবার (২৪ জুন) সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সুপ্রিম কোর্টের এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এমন মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, সাধারণত সরকার পরিবর্তনের পর অ্যাটর্নি জেনারেলসহ অন্য আইন কর্মকর্তারা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন, এটিই এ দেশের প্রচলিত রীতি। নির্বাচন শেষে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর অতীতেও সরকার-সমর্থিত আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ করতে দেখা গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, "যারা মঙ্গলবার পদত্যাগ করেছেন, তারা চার মাস ধরে এই সরকারের অধীনে আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময়ে তারা নিয়মিত বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন এবং পদ-পদবি ব্যবহার করেছেন। কিন্তু এখন রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে পদত্যাগের ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, যা অনাকাঙ্ক্ষিত।"
তিনি আরও যোগ করে বলেন, "তাদের এই বক্তব্য পুরোপুরি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত এবং রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি। তাদের কাছ থেকে আমরা এমন আচরণ মোটেও প্রত্যাশা করিনি।"
বক্তব্যের একপর্যায়ে গত চার মাসে পদত্যাগী এই আইন কর্মকর্তারা রাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী বা অন্তর্ঘাতমূলক কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে অ্যাটর্নি জেনারেলের প্রতি আহ্বান জানান ব্যারিস্টার বাদল। তিনি তদন্তের দাবি তুলে বলেন, "এই চার মাসে তারা সরকারের পক্ষে কাজ করেছেন, নাকি সরকারের স্বার্থবিরোধী কোনো ভূমিকা পালন করেছেন, সেটি তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। একই সাথে তাদের দায়িত্বে থাকা মামলাগুলোর নথিও পর্যালোচনা করা উচিত।"
বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক দাবি করেন, সরকারের কাছ থেকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের পর পদত্যাগ করে সরকারের বিরুদ্ধেই অবস্থান নেওয়া বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দেয়। সেই সাথে পদত্যাগকারীদের আনা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ইসলামিক লয়ার্স কাউন্সিলের সদস্য ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল গত মঙ্গলবার একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন। তাদের পদত্যাগপত্রে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিল এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদকে পদত্যাগের মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় থেকে জামায়াতে ইসলামী সমর্থক ১৮ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের (এএজি) একযোগে পদত্যাগের ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. বদরুদ্দোজা বাদল।
বুধবার (২৪ জুন) সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সুপ্রিম কোর্টের এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এমন মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, সাধারণত সরকার পরিবর্তনের পর অ্যাটর্নি জেনারেলসহ অন্য আইন কর্মকর্তারা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন, এটিই এ দেশের প্রচলিত রীতি। নির্বাচন শেষে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর অতীতেও সরকার-সমর্থিত আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ করতে দেখা গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, "যারা মঙ্গলবার পদত্যাগ করেছেন, তারা চার মাস ধরে এই সরকারের অধীনে আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময়ে তারা নিয়মিত বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন এবং পদ-পদবি ব্যবহার করেছেন। কিন্তু এখন রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে পদত্যাগের ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, যা অনাকাঙ্ক্ষিত।"
তিনি আরও যোগ করে বলেন, "তাদের এই বক্তব্য পুরোপুরি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত এবং রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি। তাদের কাছ থেকে আমরা এমন আচরণ মোটেও প্রত্যাশা করিনি।"
বক্তব্যের একপর্যায়ে গত চার মাসে পদত্যাগী এই আইন কর্মকর্তারা রাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী বা অন্তর্ঘাতমূলক কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে অ্যাটর্নি জেনারেলের প্রতি আহ্বান জানান ব্যারিস্টার বাদল। তিনি তদন্তের দাবি তুলে বলেন, "এই চার মাসে তারা সরকারের পক্ষে কাজ করেছেন, নাকি সরকারের স্বার্থবিরোধী কোনো ভূমিকা পালন করেছেন, সেটি তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। একই সাথে তাদের দায়িত্বে থাকা মামলাগুলোর নথিও পর্যালোচনা করা উচিত।"
বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক দাবি করেন, সরকারের কাছ থেকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের পর পদত্যাগ করে সরকারের বিরুদ্ধেই অবস্থান নেওয়া বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দেয়। সেই সাথে পদত্যাগকারীদের আনা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ইসলামিক লয়ার্স কাউন্সিলের সদস্য ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল গত মঙ্গলবার একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন। তাদের পদত্যাগপত্রে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিল এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদকে পদত্যাগের মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন