নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ৯ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করার চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ও স্থানীয়দের বাধায় তারা প্রবেশ করতে পারেনি। বর্তমানে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।
বুধবার (২৩ জুন) ভোর ৪ টার দিকে উপজেলার আদাতলা সীমান্তের ২৪৪/এমপি পিলারের উত্তর পাতাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভারতের ২৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের এলেনপুর ক্যাম্পের সদস্যরা ৯ জনকে বাংলাদেশের দিকে পাঠানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে আদাতলা বিওপির বিজিবি সদস্যরা দ্রুত সেখানে পৌঁছে তাদের বাংলাদেশে ঢুকতে বাধা দেন।
বর্তমানে ওই নয়জন সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো সমাধান না হওয়ায় তপ্ত রোদে খাবার ও পানি ছাড়াই মানবেতর অবস্থায় রয়েছে তারা। দুপুরের দিকে বিএসএফ দাবি করে, ওই ব্যক্তিরা বাংলাদেশি। তবে বিজিবি এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে সীমান্তে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
পাতাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, ‘ভোর থেকে নারী-শিশুরা রোদে পুড়ে কষ্ট পাচ্ছে। তাদের সঙ্গে কোনো খাবার নেই। দ্রুত সমাধান না হলে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
নওগাঁ ব্যাটালিয়ন ১৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, সীমান্তে টহল জোরদার করা হয়েছে। কাউকে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। বিজিবির পক্ষ থেকে পতাকা বৈঠকের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বৈঠকের পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
/

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ৯ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করার চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ও স্থানীয়দের বাধায় তারা প্রবেশ করতে পারেনি। বর্তমানে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।
বুধবার (২৩ জুন) ভোর ৪ টার দিকে উপজেলার আদাতলা সীমান্তের ২৪৪/এমপি পিলারের উত্তর পাতাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভারতের ২৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের এলেনপুর ক্যাম্পের সদস্যরা ৯ জনকে বাংলাদেশের দিকে পাঠানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে আদাতলা বিওপির বিজিবি সদস্যরা দ্রুত সেখানে পৌঁছে তাদের বাংলাদেশে ঢুকতে বাধা দেন।
বর্তমানে ওই নয়জন সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো সমাধান না হওয়ায় তপ্ত রোদে খাবার ও পানি ছাড়াই মানবেতর অবস্থায় রয়েছে তারা। দুপুরের দিকে বিএসএফ দাবি করে, ওই ব্যক্তিরা বাংলাদেশি। তবে বিজিবি এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে সীমান্তে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
পাতাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, ‘ভোর থেকে নারী-শিশুরা রোদে পুড়ে কষ্ট পাচ্ছে। তাদের সঙ্গে কোনো খাবার নেই। দ্রুত সমাধান না হলে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
নওগাঁ ব্যাটালিয়ন ১৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, সীমান্তে টহল জোরদার করা হয়েছে। কাউকে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। বিজিবির পক্ষ থেকে পতাকা বৈঠকের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বৈঠকের পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
/

আপনার মতামত লিখুন