আমাদের দেশে নিরাপদ পানি দিন দিন কমে যাচ্ছে এবং নদীগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি এই সংকট সমাধানের উপায় হিসেবে খাল কাটার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
বুধবার (২৪ জুন) মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আমডালা খাল খনন কাজ পরিদর্শন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
পানির এই সংকটের পেছনের কারণ উল্লেখ করে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, "পার্শ্ববর্তী একটি দেশের পানি বৈষম্যের কারণে আমরা ঠিকমতো পানি পাচ্ছি না। এ সংকট মোকাবিলায় খাল কাটার গুরুত্ব অপরিসীম।"
গ্রামীণ উন্নয়ন ও দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির সম্পর্ক তুলে ধরে অনুষ্ঠানে ত্রাণমন্ত্রী আরও বলেন, "বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে স্বাবলম্বী করতে পারলে পুরো দেশের অর্থনীতি স্বাবলম্বী হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে খাল কাটার যুগান্তকারী কর্মসূচি নিয়েছিলেন এবং দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন।"
খাল খননের বহুমুখী উপকারিতা এবং সরকারের নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়ে দুলু বলেন, "খাল শুধু খাল নয়, খালের মধ্যে যেমন পানি সংরক্ষণ করে রাখা হবে শুকনো মৌসুমে, তেমনি বর্ষা মৌসুমে পানি যাতে দ্রুত নিষ্কাশন হয়ে ফসলহানি না হয়, সে ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।"
একই সাথে পরিবেশ রক্ষায় সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, "এবার নতুন দুটি জিনিস আমরা সংযুক্ত করেছি। খালের পাড়ে গাছ লাগাচ্ছি। এটাও আমাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিতে রয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে আমরা ২৫ কোটি গাছ লাগাবো।"
আমডালা খালের এই পরিদর্শন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এবং মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস. এ. কবির জিন্নাসহ মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
আমাদের দেশে নিরাপদ পানি দিন দিন কমে যাচ্ছে এবং নদীগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি এই সংকট সমাধানের উপায় হিসেবে খাল কাটার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
বুধবার (২৪ জুন) মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আমডালা খাল খনন কাজ পরিদর্শন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
পানির এই সংকটের পেছনের কারণ উল্লেখ করে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, "পার্শ্ববর্তী একটি দেশের পানি বৈষম্যের কারণে আমরা ঠিকমতো পানি পাচ্ছি না। এ সংকট মোকাবিলায় খাল কাটার গুরুত্ব অপরিসীম।"
গ্রামীণ উন্নয়ন ও দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির সম্পর্ক তুলে ধরে অনুষ্ঠানে ত্রাণমন্ত্রী আরও বলেন, "বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে স্বাবলম্বী করতে পারলে পুরো দেশের অর্থনীতি স্বাবলম্বী হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে খাল কাটার যুগান্তকারী কর্মসূচি নিয়েছিলেন এবং দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন।"
খাল খননের বহুমুখী উপকারিতা এবং সরকারের নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়ে দুলু বলেন, "খাল শুধু খাল নয়, খালের মধ্যে যেমন পানি সংরক্ষণ করে রাখা হবে শুকনো মৌসুমে, তেমনি বর্ষা মৌসুমে পানি যাতে দ্রুত নিষ্কাশন হয়ে ফসলহানি না হয়, সে ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।"
একই সাথে পরিবেশ রক্ষায় সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, "এবার নতুন দুটি জিনিস আমরা সংযুক্ত করেছি। খালের পাড়ে গাছ লাগাচ্ছি। এটাও আমাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিতে রয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে আমরা ২৫ কোটি গাছ লাগাবো।"
আমডালা খালের এই পরিদর্শন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এবং মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস. এ. কবির জিন্নাসহ মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন