ভোটের ফলাফল ঘোষণার পরেও থামেনি রাজনৈতিক উত্তাপ- বরং তা এবার পৌঁছে গেছে আদালতের দোরগোড়ায়। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সরাসরি হাইকোর্টে মামলা করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। তার অভিযোগ, ভোট গণনায় গুরুতর অনিয়ম ও ষড়যন্ত্র হয়েছে। শুরু থেকেই এই কেন্দ্রের গণনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।
অভিযোগ উঠেছিল, গণনাকেন্দ্র থেকে বিরোধী দলের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয় এবং পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা প্রশ্নের মুখে পড়ে। গণনার দিন বিকেলেই ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষ পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার ভোটে জয় পান।
শুভেন্দু অধিকারী, আর সেই ফলাফলকেই আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছেন তিনি।
এই মামলার শুনানি চলছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের বেঞ্চে। শুনানির শুরুতেই বিচারপতি একটি তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন- তিনি জানান, তার দাদা ভারতীয় জনতা পার্টির জাতীয় মুখপাত্র, তাই পক্ষগুলির আপত্তি থাকলে তিনি এই মামলা শুনবেন না। তবে মমতার পক্ষের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে দেন, তাঁদের বিচারপতির প্রতি পূর্ণ আস্থা রয়েছে এবং তিনি নিরপেক্ষভাবেই বিচার করবেন বলে তাঁদের বিশ্বাস।
এদিকে, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, ভবানীপুরের গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে এবং আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনোভাবেই তা মুছে ফেলা যাবে না। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব ইভিএম ও ভিভিপ্যাটও সংরক্ষণ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই নির্দেশকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ এটি প্রমাণ সংরক্ষণে বড় ভূমিকা নিতে পারে। আদালত জানিয়েছে, দুই মাস পর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
এই মামলা শুধুমাত্র একটি কেন্দ্রের ফলাফল নিয়ে নয়, বরং গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলছে। এখন দেখার, আদালতের পর্যবেক্ষণ ও ভবিষ্যৎ রায়ে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়। ততদিন পর্যন্ত রাজনৈতিক ও আইনি মহলে এই ইস্যু ঘিরে জোর চর্চা চলবে।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
ভোটের ফলাফল ঘোষণার পরেও থামেনি রাজনৈতিক উত্তাপ- বরং তা এবার পৌঁছে গেছে আদালতের দোরগোড়ায়। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সরাসরি হাইকোর্টে মামলা করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। তার অভিযোগ, ভোট গণনায় গুরুতর অনিয়ম ও ষড়যন্ত্র হয়েছে। শুরু থেকেই এই কেন্দ্রের গণনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।
অভিযোগ উঠেছিল, গণনাকেন্দ্র থেকে বিরোধী দলের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয় এবং পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা প্রশ্নের মুখে পড়ে। গণনার দিন বিকেলেই ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষ পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার ভোটে জয় পান।
শুভেন্দু অধিকারী, আর সেই ফলাফলকেই আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছেন তিনি।
এই মামলার শুনানি চলছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের বেঞ্চে। শুনানির শুরুতেই বিচারপতি একটি তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন- তিনি জানান, তার দাদা ভারতীয় জনতা পার্টির জাতীয় মুখপাত্র, তাই পক্ষগুলির আপত্তি থাকলে তিনি এই মামলা শুনবেন না। তবে মমতার পক্ষের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে দেন, তাঁদের বিচারপতির প্রতি পূর্ণ আস্থা রয়েছে এবং তিনি নিরপেক্ষভাবেই বিচার করবেন বলে তাঁদের বিশ্বাস।
এদিকে, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, ভবানীপুরের গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে এবং আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনোভাবেই তা মুছে ফেলা যাবে না। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব ইভিএম ও ভিভিপ্যাটও সংরক্ষণ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই নির্দেশকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ এটি প্রমাণ সংরক্ষণে বড় ভূমিকা নিতে পারে। আদালত জানিয়েছে, দুই মাস পর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
এই মামলা শুধুমাত্র একটি কেন্দ্রের ফলাফল নিয়ে নয়, বরং গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলছে। এখন দেখার, আদালতের পর্যবেক্ষণ ও ভবিষ্যৎ রায়ে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়। ততদিন পর্যন্ত রাজনৈতিক ও আইনি মহলে এই ইস্যু ঘিরে জোর চর্চা চলবে।

আপনার মতামত লিখুন