দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চার দেশ সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ব্রুনাই চলতি বছরে তীব্র ধোঁয়াশার (হেইজ) উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে সতর্ক করেছে সিঙ্গাপুর ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (এসআইআইএ)।
সংস্থাটি বুধবার (২৪ জুন) তাদের বার্ষিক ‘হেইজ আউটলুক’ প্রতিবেদনে এ অঞ্চলের জন্য ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে।
২০১৯ সাল থেকে এই প্রতিবেদন প্রকাশ শুরু করার পর দ্বিতীয়বারের মতো সর্বোচ্চ এই সতর্কতা জারি করল এসআইআইএ। এর আগে ২০২৩ সালে প্রথমবার ‘রেড অ্যালার্ট’ দেওয়া হয়েছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এল নিনো ও ভারত মহাসাগরীয় দ্বিপদ (ইন্ডিয়ান ওশেন ডাইপোল) আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে আগামী আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর মাস ধোঁয়াশার জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময় হতে পারে। চলমান এল নিনো প্রভাবে শুষ্ক মৌসুম দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এছাড়া বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে আগুন নেভানোর সামগ্রিক প্রস্তুতি ও সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে ধারণা করছে সংস্থাটি।
এসআইআইএ-এর সহযোগী পরিচালক খোর ইউ-লেং জানান, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক খামারি ও প্রতিষ্ঠান খরচ বাঁচাতে আধুনিক যন্ত্রপাতির পরিবর্তে আগুন দিয়ে জমি পরিষ্কার ও বর্জ্য ফেলার মতো ক্ষতিকর পথ বেছে নিতে পারে। এ ছাড়া জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বায়োফুয়েলের চাহিদা বাড়ছে, যা ভূমি ব্যবহারের তীব্রতা আরও বাড়াবে।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি বলে প্রতিবেদনে জোর দেওয়া হয়েছে।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চার দেশ সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ব্রুনাই চলতি বছরে তীব্র ধোঁয়াশার (হেইজ) উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে সতর্ক করেছে সিঙ্গাপুর ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (এসআইআইএ)।
সংস্থাটি বুধবার (২৪ জুন) তাদের বার্ষিক ‘হেইজ আউটলুক’ প্রতিবেদনে এ অঞ্চলের জন্য ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে।
২০১৯ সাল থেকে এই প্রতিবেদন প্রকাশ শুরু করার পর দ্বিতীয়বারের মতো সর্বোচ্চ এই সতর্কতা জারি করল এসআইআইএ। এর আগে ২০২৩ সালে প্রথমবার ‘রেড অ্যালার্ট’ দেওয়া হয়েছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এল নিনো ও ভারত মহাসাগরীয় দ্বিপদ (ইন্ডিয়ান ওশেন ডাইপোল) আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে আগামী আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর মাস ধোঁয়াশার জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময় হতে পারে। চলমান এল নিনো প্রভাবে শুষ্ক মৌসুম দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এছাড়া বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে আগুন নেভানোর সামগ্রিক প্রস্তুতি ও সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে ধারণা করছে সংস্থাটি।
এসআইআইএ-এর সহযোগী পরিচালক খোর ইউ-লেং জানান, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক খামারি ও প্রতিষ্ঠান খরচ বাঁচাতে আধুনিক যন্ত্রপাতির পরিবর্তে আগুন দিয়ে জমি পরিষ্কার ও বর্জ্য ফেলার মতো ক্ষতিকর পথ বেছে নিতে পারে। এ ছাড়া জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বায়োফুয়েলের চাহিদা বাড়ছে, যা ভূমি ব্যবহারের তীব্রতা আরও বাড়াবে।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি বলে প্রতিবেদনে জোর দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন