ফেনীর সোনাগাজীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত আবদুর গণি বোরহানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলনে আপত্তি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। স্বজনদের বাধার মুখে মরদেহ না তুলেই ফিরে এসেছেন পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে ঢাকা রমনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হানিফের নেতৃত্বে পুলিশ দল এবং ফেনী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সোনাগাজীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইউসুফ মিয়া সোনাগাজীর ছাড়াইতকান্দি গ্রামে যান। সেখানে নিহতের বড় ভাই আমানত উল্যাহ মরদেহ উত্তোলনে লিখিত আপত্তি জানান।
আমানত উল্যাহ বলেন, ‘বোরহানকে দাফন করা হয়েছে অনেক আগে। এখন ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ উত্তোলন করলে ধর্মীয় ও সামাজিক রীতিনীতির পাশাপাশি আমাদের পরিবারের সদস্যদের মানসিক অনুভূতিতে চরম আঘাত আসবে। আমরা জেলা প্রশাসকের কাছেও এ বিষয়ে লিখিত আবেদন জানিয়েছি।’
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুফ মিয়া বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে আমরা মরদেহ তুলতে গিয়েছিলাম। কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে জোরালো আপত্তি জানানোয় জেলা প্রশাসককে বিষয়টি অবহিত করা হয়। পরে মরদেহ উত্তোলন না করেই আমরা ফিরে আসি।’
পারিবারিক সূত্র জানায়, বোরহান রাজধানীর বাংলামোটরে সন্ধানী লাইফ ইনস্যুরেন্সের আইটি কর্মকর্তা ছিলেন। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বাংলামোটর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যোগ দিয়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের গুলিতে তিনি নিহত হন।
৫ আগস্ট রাতে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা না হলেও রমনা থানা-পুলিশ একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিল। সেই মামলার তদন্তের স্বার্থেই মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।
সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের ছাড়াইতকান্দি গ্রামের মাস্টার আহসান উল্যাহর ছেলে বোরহান মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর পাস করেছিলেন। মৃত্যুর মাত্র ১১ মাস আগে বিয়ে করেছিলেন এই তরুণ।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
ফেনীর সোনাগাজীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত আবদুর গণি বোরহানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলনে আপত্তি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। স্বজনদের বাধার মুখে মরদেহ না তুলেই ফিরে এসেছেন পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে ঢাকা রমনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হানিফের নেতৃত্বে পুলিশ দল এবং ফেনী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সোনাগাজীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইউসুফ মিয়া সোনাগাজীর ছাড়াইতকান্দি গ্রামে যান। সেখানে নিহতের বড় ভাই আমানত উল্যাহ মরদেহ উত্তোলনে লিখিত আপত্তি জানান।
আমানত উল্যাহ বলেন, ‘বোরহানকে দাফন করা হয়েছে অনেক আগে। এখন ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ উত্তোলন করলে ধর্মীয় ও সামাজিক রীতিনীতির পাশাপাশি আমাদের পরিবারের সদস্যদের মানসিক অনুভূতিতে চরম আঘাত আসবে। আমরা জেলা প্রশাসকের কাছেও এ বিষয়ে লিখিত আবেদন জানিয়েছি।’
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুফ মিয়া বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে আমরা মরদেহ তুলতে গিয়েছিলাম। কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে জোরালো আপত্তি জানানোয় জেলা প্রশাসককে বিষয়টি অবহিত করা হয়। পরে মরদেহ উত্তোলন না করেই আমরা ফিরে আসি।’
পারিবারিক সূত্র জানায়, বোরহান রাজধানীর বাংলামোটরে সন্ধানী লাইফ ইনস্যুরেন্সের আইটি কর্মকর্তা ছিলেন। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বাংলামোটর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যোগ দিয়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের গুলিতে তিনি নিহত হন।
৫ আগস্ট রাতে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা না হলেও রমনা থানা-পুলিশ একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিল। সেই মামলার তদন্তের স্বার্থেই মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।
সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের ছাড়াইতকান্দি গ্রামের মাস্টার আহসান উল্যাহর ছেলে বোরহান মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর পাস করেছিলেন। মৃত্যুর মাত্র ১১ মাস আগে বিয়ে করেছিলেন এই তরুণ।

আপনার মতামত লিখুন