প্রথম ম্যাচে তার খেলা দেখে প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল যে প্রথম একাদশে রাখা হবে কিনা। দ্বিতীয় ম্যাচে সব প্রশ্নের জবাব দিয়ে দিলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোলকরলেন। তার পরেই তার বার্তা, ‘আমি ফিরে এসেছি’। সংবাদ সম্মেলনে লিওনেল মেসিকে নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই এড়িয়ে গেলেন রোনালদো।
কঙ্গো ম্যাচে খারাপ খেলার পর
তাকে কতটা কঠিন সময় কাটাতে হয়েছে তা উঠে এসেছে রোনালদোর কথায়। তিনি বলেন, ‘খুব কঠিন,
অন্ধকার একটা সপ্তাহ ছিল। মনে হচ্ছিল আমি যেন ফুটবল থেকে অবসর নিয়ে ফেলেছি। কিন্তু
আমি নিজেকে শক্ত রেখেছিলাম। কারণ আমি সব কিছুর থেকে কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাস করি। আমি
জানতাম সতীর্থেরা আমাকে অনেক সাহায্য করবে। কঠিন সময় ছিল, স্বীকার করতেই হবে। কিন্তু
আমরা ফিরে এসেছি। আমি খুব খুশি।’
৬টি বিশ্বকাপে গোল করে বিশ্বরেকর্ড
করেছেন রোনালদো। তার ক্যারিয়ারে আরও একটি মাইলফলক। তবে সে সব নিয়ে ভাবছেনই না রোনালদো।
বলেন, ‘রেকর্ড ভাঙতে সব সময়েই ভালো লাগে। কিন্তু আমার গোলে দল নিজের লক্ষ্য ছুঁতে পেরেছে।
দলের কঠোর পরিশ্রম এবং নিজেদের আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়াই আসল লক্ষ্য ছিল।’
কোয়ার্টার ফাইনালে পর্তুগালের
মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে মেসির আর্জেন্টিনার। সেই প্রসঙ্গ উঠতেই রোনালদো বলেন,
‘জানি না এর কী উত্তর দেবো। এই ধরনের প্রশ্নের কোনো অর্থ নেই। তবে সেরা মানের খেলা
হতে চলেছে।’ আরও একটি প্রশ্ন আসতে রোনালদো বলেন, ‘পরের প্রশ্ন করুন।’ এর পর মেসির হ্যাটট্রিক
এবং কিলিয়ান এমবাপ্পেকে নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। রোনালদো উত্তর দেননি।
‘আমাদের অধিনায়ক একজন আদর্শ’
পর্তুগালের কোচ রবার্তো মার্তিনেজ
জানিয়েছেন, গোটা দলের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন রোনালদোই।
তিনি বলেন, ‘সপ্তাহটা কঠিন ছিল আমাদের কাছে। যে ফলাফল প্রথম ম্যাচে চেয়েছিলাম তা পাইনি।
অনেক সমালোচনা, অনেক আওয়াজ শুনেছি যা সঠিক ছিল না। ভেতরে ভেতরে আমরা রেগে গিয়েছিলাম।
তবু সব আবেগ দূরে সরিয়ে রেখে আমরা নিজেদের সেরাটা দিতে পেরেছি। রোনালদো নিখুঁত একজন
অধিনায়ক। সব সময় নিজের কাজে মনোযোগ দেয়। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলে বাকিদের চাঙ্গা করে।
আমাদের অধিনায়ক একজন আদর্শ। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলছে। পর্তুগালের বাকিদের কাছে ও অনুপ্রেরণা।
প্রতিটা অনুশীলনে রোনালদো নিজেকে উন্নত করার চেষ্টা করে।’
মেসি ভালো না রোনালদো, এ নিয়ে
আলোচনা চলছে বহু দিন ধরেই। সাফল্যের বিচারে মেসি অবশ্য অনেক এগিয়ে গেছেন।
অস্ট্রিয়া ম্যাচের পর পর্তুগালের
কোচ রবার্তো মার্তিনেজকে প্রশ্ন করা হয়েছিল মেসি-রোনালদোর তুলনা নিয়ে। তিনি বলেন,
‘ওরা দু’জনেই ফুটবলকে বদলে দিয়েছে, উন্নত করেছে। ফুটবলকে এগিয়ে যেতে ওদের দু’জনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা
খুব দরকার। আমাদের অধিনায়ক ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলছে। ও আদর্শ, এখন দলের অধিনায়ক।’ মার্তিনেজ
আরও বলেছেন, ‘জাতীয় দল বলতে ঠিক কী বোঝায়, তার আদর্শ উদাহরণ রোনালদো। প্রতিটা অনুশীলনে
ও নিজেকে উন্নত করতে চায়। সাজঘরে ওর ব্যক্তিত্ব চোখে পড়ার মতো। শৃঙ্খলা দেখলেও অবাক
হতে হয়। কেন ও এত আগ্রাসী সেটা বুঝতে পারি।’

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
প্রথম ম্যাচে তার খেলা দেখে প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল যে প্রথম একাদশে রাখা হবে কিনা। দ্বিতীয় ম্যাচে সব প্রশ্নের জবাব দিয়ে দিলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোলকরলেন। তার পরেই তার বার্তা, ‘আমি ফিরে এসেছি’। সংবাদ সম্মেলনে লিওনেল মেসিকে নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই এড়িয়ে গেলেন রোনালদো।
কঙ্গো ম্যাচে খারাপ খেলার পর
তাকে কতটা কঠিন সময় কাটাতে হয়েছে তা উঠে এসেছে রোনালদোর কথায়। তিনি বলেন, ‘খুব কঠিন,
অন্ধকার একটা সপ্তাহ ছিল। মনে হচ্ছিল আমি যেন ফুটবল থেকে অবসর নিয়ে ফেলেছি। কিন্তু
আমি নিজেকে শক্ত রেখেছিলাম। কারণ আমি সব কিছুর থেকে কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাস করি। আমি
জানতাম সতীর্থেরা আমাকে অনেক সাহায্য করবে। কঠিন সময় ছিল, স্বীকার করতেই হবে। কিন্তু
আমরা ফিরে এসেছি। আমি খুব খুশি।’
৬টি বিশ্বকাপে গোল করে বিশ্বরেকর্ড
করেছেন রোনালদো। তার ক্যারিয়ারে আরও একটি মাইলফলক। তবে সে সব নিয়ে ভাবছেনই না রোনালদো।
বলেন, ‘রেকর্ড ভাঙতে সব সময়েই ভালো লাগে। কিন্তু আমার গোলে দল নিজের লক্ষ্য ছুঁতে পেরেছে।
দলের কঠোর পরিশ্রম এবং নিজেদের আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়াই আসল লক্ষ্য ছিল।’
কোয়ার্টার ফাইনালে পর্তুগালের
মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে মেসির আর্জেন্টিনার। সেই প্রসঙ্গ উঠতেই রোনালদো বলেন,
‘জানি না এর কী উত্তর দেবো। এই ধরনের প্রশ্নের কোনো অর্থ নেই। তবে সেরা মানের খেলা
হতে চলেছে।’ আরও একটি প্রশ্ন আসতে রোনালদো বলেন, ‘পরের প্রশ্ন করুন।’ এর পর মেসির হ্যাটট্রিক
এবং কিলিয়ান এমবাপ্পেকে নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। রোনালদো উত্তর দেননি।
‘আমাদের অধিনায়ক একজন আদর্শ’
পর্তুগালের কোচ রবার্তো মার্তিনেজ
জানিয়েছেন, গোটা দলের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন রোনালদোই।
তিনি বলেন, ‘সপ্তাহটা কঠিন ছিল আমাদের কাছে। যে ফলাফল প্রথম ম্যাচে চেয়েছিলাম তা পাইনি।
অনেক সমালোচনা, অনেক আওয়াজ শুনেছি যা সঠিক ছিল না। ভেতরে ভেতরে আমরা রেগে গিয়েছিলাম।
তবু সব আবেগ দূরে সরিয়ে রেখে আমরা নিজেদের সেরাটা দিতে পেরেছি। রোনালদো নিখুঁত একজন
অধিনায়ক। সব সময় নিজের কাজে মনোযোগ দেয়। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলে বাকিদের চাঙ্গা করে।
আমাদের অধিনায়ক একজন আদর্শ। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলছে। পর্তুগালের বাকিদের কাছে ও অনুপ্রেরণা।
প্রতিটা অনুশীলনে রোনালদো নিজেকে উন্নত করার চেষ্টা করে।’
মেসি ভালো না রোনালদো, এ নিয়ে
আলোচনা চলছে বহু দিন ধরেই। সাফল্যের বিচারে মেসি অবশ্য অনেক এগিয়ে গেছেন।
অস্ট্রিয়া ম্যাচের পর পর্তুগালের
কোচ রবার্তো মার্তিনেজকে প্রশ্ন করা হয়েছিল মেসি-রোনালদোর তুলনা নিয়ে। তিনি বলেন,
‘ওরা দু’জনেই ফুটবলকে বদলে দিয়েছে, উন্নত করেছে। ফুটবলকে এগিয়ে যেতে ওদের দু’জনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা
খুব দরকার। আমাদের অধিনায়ক ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলছে। ও আদর্শ, এখন দলের অধিনায়ক।’ মার্তিনেজ
আরও বলেছেন, ‘জাতীয় দল বলতে ঠিক কী বোঝায়, তার আদর্শ উদাহরণ রোনালদো। প্রতিটা অনুশীলনে
ও নিজেকে উন্নত করতে চায়। সাজঘরে ওর ব্যক্তিত্ব চোখে পড়ার মতো। শৃঙ্খলা দেখলেও অবাক
হতে হয়। কেন ও এত আগ্রাসী সেটা বুঝতে পারি।’

আপনার মতামত লিখুন