সংবাদ

মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য: সংস‌দে অর্থমন্ত্রী


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম

মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য: সংস‌দে অর্থমন্ত্রী

​আগামী অর্থবছরে দেশের মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ও খাদ্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে একগুচ্ছ কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে টেবিলে উত্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ হিসাবে গত মে মাসে মূল্যস্ফীতি যেখানে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে উঠেছিল, সেখানে সরকারের এই নতুন লক্ষ্যমাত্রা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
​নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফজলে হুদার এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আঞ্চলিক উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এমপি ফজলে হুদা মূলত দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উত্তরাঞ্চলের অনুন্নত এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের বিশেষ কোনো পরিকল্পনা বা বরাদ্দ রয়েছে কি না, তা জানতে চেয়েছিলেন।
​জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, "দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষা এবং অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নকে বর্তমান সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করেছে।"
এই উদ্দেশ্য পূরণে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির কার্যকর সমন্বয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ, বাজেট ঘাটতি সহনীয় পর্যায়ে রাখা, অগ্রাধিকারভিত্তিক ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
​সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষায় সামাজিক নিরাপত্তা খাতকে বড় ধরনের জোর দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই খাতে এক লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় ৪১ লাখ নারীকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা দিতে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং কৃষক কার্ড কর্মসূচির আওতায় ১০০ উপজেলায় ৪২ লাখ ৫০ হাজার কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করে ১ হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই বিশেষ বরাদ্দের যৌক্তিকতা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, "এসব কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো মূল্যস্ফীতির চাপের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর হাতে সরাসরি সহায়তা পৌঁছে দিয়ে তাদের ভোগক্ষমতা ও জীবিকা সুরক্ষা বজায় রাখা।"
​খাদ্যপণ্যের বাজার সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগের কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৫৫ লাখ উপকারভোগী পরিবারকে কর্মাভাবকালীন ৬ মাসে ১৫ টাকা কেজি দরে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি সারাদেশে এক হাজারের বেশি বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে ভর্তুকিমূল্যে চাল ও আটা সরবরাহ সচল রাখা হয়েছে এবং চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৪১৯টি উপজেলায় অতিরিক্ত ওএমএস কার্যক্রম চালু করা হয়েছে, যেখানে প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারি খাদ্যশস্য ধারণক্ষমতা ২৩ লাখ ১৬ হাজার মেট্রিক টন থেকে বাড়িয়ে ২৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনে এবং খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৩৮ লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন থেকে ৪১ লাখ ২৯ হাজার মেট্রিক টনে উন্নীত করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
​উত্তরাঞ্চলের অবহেলিত ও অনুন্নত এলাকাগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে অর্থমন্ত্রী তার জবাবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বাজেটে উত্তরাঞ্চলের জন্য আলাদা অংকভিত্তিক বরাদ্দ নির্দিষ্ট করা না হলেও সামগ্রিকভাবে ভৌত অবকাঠামো খাতে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
এই অঞ্চলের সার্বিক অর্থনৈতিক রূপান্তরের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নের আওতায় দেশের উত্তরাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন, বিশেষায়িত কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, কোল্ড-চেইন, সংরক্ষণাগার, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্প ও লজিস্টিকস উন্নয়নের বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যবদল ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
​বক্তব্যের শেষাংশে সরকারের সমন্বিত প্রচেষ্টার কথা পুনর্ব্যক্ত করে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, "সরকার মনে করে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা, খাদ্যনিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক অবকাঠামো উন্নয়নে সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমেই সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।"

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬


মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য: সংস‌দে অর্থমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬

featured Image

​আগামী অর্থবছরে দেশের মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ও খাদ্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে একগুচ্ছ কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে টেবিলে উত্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ হিসাবে গত মে মাসে মূল্যস্ফীতি যেখানে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে উঠেছিল, সেখানে সরকারের এই নতুন লক্ষ্যমাত্রা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
​নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফজলে হুদার এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আঞ্চলিক উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এমপি ফজলে হুদা মূলত দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উত্তরাঞ্চলের অনুন্নত এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের বিশেষ কোনো পরিকল্পনা বা বরাদ্দ রয়েছে কি না, তা জানতে চেয়েছিলেন।
​জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, "দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষা এবং অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নকে বর্তমান সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করেছে।"
এই উদ্দেশ্য পূরণে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির কার্যকর সমন্বয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ, বাজেট ঘাটতি সহনীয় পর্যায়ে রাখা, অগ্রাধিকারভিত্তিক ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
​সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষায় সামাজিক নিরাপত্তা খাতকে বড় ধরনের জোর দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই খাতে এক লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় ৪১ লাখ নারীকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা দিতে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং কৃষক কার্ড কর্মসূচির আওতায় ১০০ উপজেলায় ৪২ লাখ ৫০ হাজার কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করে ১ হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই বিশেষ বরাদ্দের যৌক্তিকতা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, "এসব কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো মূল্যস্ফীতির চাপের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর হাতে সরাসরি সহায়তা পৌঁছে দিয়ে তাদের ভোগক্ষমতা ও জীবিকা সুরক্ষা বজায় রাখা।"
​খাদ্যপণ্যের বাজার সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগের কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৫৫ লাখ উপকারভোগী পরিবারকে কর্মাভাবকালীন ৬ মাসে ১৫ টাকা কেজি দরে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি সারাদেশে এক হাজারের বেশি বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে ভর্তুকিমূল্যে চাল ও আটা সরবরাহ সচল রাখা হয়েছে এবং চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৪১৯টি উপজেলায় অতিরিক্ত ওএমএস কার্যক্রম চালু করা হয়েছে, যেখানে প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারি খাদ্যশস্য ধারণক্ষমতা ২৩ লাখ ১৬ হাজার মেট্রিক টন থেকে বাড়িয়ে ২৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনে এবং খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৩৮ লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন থেকে ৪১ লাখ ২৯ হাজার মেট্রিক টনে উন্নীত করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
​উত্তরাঞ্চলের অবহেলিত ও অনুন্নত এলাকাগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে অর্থমন্ত্রী তার জবাবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বাজেটে উত্তরাঞ্চলের জন্য আলাদা অংকভিত্তিক বরাদ্দ নির্দিষ্ট করা না হলেও সামগ্রিকভাবে ভৌত অবকাঠামো খাতে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
এই অঞ্চলের সার্বিক অর্থনৈতিক রূপান্তরের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নের আওতায় দেশের উত্তরাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন, বিশেষায়িত কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, কোল্ড-চেইন, সংরক্ষণাগার, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্প ও লজিস্টিকস উন্নয়নের বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যবদল ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
​বক্তব্যের শেষাংশে সরকারের সমন্বিত প্রচেষ্টার কথা পুনর্ব্যক্ত করে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, "সরকার মনে করে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা, খাদ্যনিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক অবকাঠামো উন্নয়নে সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমেই সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।"


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত