গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি পোশাক কারখানায় রাতের শিফটে কাজ করার সময় লিজা আক্তার (৩৬) নামের এক নারী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ হওয়ার পরও কর্তৃপক্ষ ছুটি না দেওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে কারখানা ভাঙচুর ও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকেরা।
নিহত লিজা আক্তার পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার হোগলা গ্রামের বিদ্যুৎ মিয়ার স্ত্রী। তিনি শ্রীপুরের টেপিরবাড়ি এলাকায় ‘কালার অ্যান্ড কোং’ পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন।
শ্রমিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৪ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কাজ করার সময় লিজা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। সহকর্মীদের দাবি, লিজা আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন এবং রাতে কাজ শুরুর পর কর্তৃপক্ষের কাছে ছুটির আবেদন করেছিলেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন নাকচ করে দেয়। লিজা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই রাতে শোভা নামের আরেক নারী শ্রমিক অসুস্থ হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে আজ সকালে কারখানার সাধারণ শ্রমিকেরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা মাওনা-বর্মী আঞ্চলিক সড়ক প্রায় দুই ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন এবং কারখানায় ভাঙচুর চালান। শ্রমিকদের অভিযোগ, তাদের দিয়ে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত কাজ করানো হয় এবং অসুস্থ হলেও ছুটি দেওয়া হয় না। প্রতিবাদ করলে চাকরিচ্যুতির হুমকি দেওয়া হয় বলেও তারা জানান।
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) বিজন মালাকার বলেন, লিজা নামের ওই নারীকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুর আলম বলেন, “শ্রমিকের মৃত্যুর জেরে রাস্তা অবরোধ করা হয়েছিল। পরে বুঝিয়ে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
AK/Songbad

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি পোশাক কারখানায় রাতের শিফটে কাজ করার সময় লিজা আক্তার (৩৬) নামের এক নারী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ হওয়ার পরও কর্তৃপক্ষ ছুটি না দেওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে কারখানা ভাঙচুর ও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকেরা।
নিহত লিজা আক্তার পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার হোগলা গ্রামের বিদ্যুৎ মিয়ার স্ত্রী। তিনি শ্রীপুরের টেপিরবাড়ি এলাকায় ‘কালার অ্যান্ড কোং’ পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন।
শ্রমিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৪ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কাজ করার সময় লিজা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। সহকর্মীদের দাবি, লিজা আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন এবং রাতে কাজ শুরুর পর কর্তৃপক্ষের কাছে ছুটির আবেদন করেছিলেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন নাকচ করে দেয়। লিজা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই রাতে শোভা নামের আরেক নারী শ্রমিক অসুস্থ হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে আজ সকালে কারখানার সাধারণ শ্রমিকেরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা মাওনা-বর্মী আঞ্চলিক সড়ক প্রায় দুই ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন এবং কারখানায় ভাঙচুর চালান। শ্রমিকদের অভিযোগ, তাদের দিয়ে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত কাজ করানো হয় এবং অসুস্থ হলেও ছুটি দেওয়া হয় না। প্রতিবাদ করলে চাকরিচ্যুতির হুমকি দেওয়া হয় বলেও তারা জানান।
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) বিজন মালাকার বলেন, লিজা নামের ওই নারীকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুর আলম বলেন, “শ্রমিকের মৃত্যুর জেরে রাস্তা অবরোধ করা হয়েছিল। পরে বুঝিয়ে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
AK/Songbad

আপনার মতামত লিখুন