মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কান্দিপাড়া গ্রামে টানা ১ সপ্তাহ স্বেচ্ছাশ্রমে প্রায় ২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খাল পরিষ্কার করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গ্রামের মধ্য কান্দিপাড়া থেকে আদর্শপাড়া পর্যন্ত বিস্তৃত এই খালের পানিপ্রবাহ সচল করতে গত শুক্রবার (১৯ জুন) এ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। আজ শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে খালের পরিচ্ছন্নতা কাজ শেষ হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় খালটি ময়লা-আবর্জনা ও পলি জমে ভরাট হয়ে গিয়েছিল। এতে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়, যার প্রভাব পড়ে স্থানীয় কৃষিজমিতে। সেচ সংকট ও জলাবদ্ধতার পাশাপাশি পরিবেশের ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছিল। এই সমস্যা সমাধানে স্থানীয়রা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে খাল পরিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেন।
সমাজসেবক মো. এস আলমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন দিনে প্রায় দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন। তারা খালের বিভিন্ন অংশ থেকে ময়লা-আবর্জনা ও পলি অপসারণ করেন। স্থানীয়দের আশা, খালটি পরিষ্কার হওয়ায় এখন থেকে নির্বিঘ্নে কৃষিজমিতে সেচ দেওয়া যাবে এবং জলাবদ্ধতা দূর হবে।
আজ কর্মসূচির সমাপনী দিনে উপস্থিত ছিলেন মেদিনীমণ্ডল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম গাউস সিদ্দিক, লৌহজং উপজেলা যুবদলের সভাপতি লুৎফর রহমান পাভেল মোল্লা, মো. রাশেদ হাওলাদার ও ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. বিল্লালসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
কর্মসূচির সমন্বয়কারী মো. এস আলম বলেন, “সবাই সচেতন থাকলে খালটি দীর্ঘদিন সচল থাকবে। তবে পরিষ্কারের পাশাপাশি এটি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা প্রয়োজন। খালটি সচল হওয়ায় এলাকার কৃষক ও সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন।”
/

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কান্দিপাড়া গ্রামে টানা ১ সপ্তাহ স্বেচ্ছাশ্রমে প্রায় ২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খাল পরিষ্কার করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গ্রামের মধ্য কান্দিপাড়া থেকে আদর্শপাড়া পর্যন্ত বিস্তৃত এই খালের পানিপ্রবাহ সচল করতে গত শুক্রবার (১৯ জুন) এ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। আজ শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে খালের পরিচ্ছন্নতা কাজ শেষ হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় খালটি ময়লা-আবর্জনা ও পলি জমে ভরাট হয়ে গিয়েছিল। এতে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়, যার প্রভাব পড়ে স্থানীয় কৃষিজমিতে। সেচ সংকট ও জলাবদ্ধতার পাশাপাশি পরিবেশের ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছিল। এই সমস্যা সমাধানে স্থানীয়রা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে খাল পরিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেন।
সমাজসেবক মো. এস আলমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন দিনে প্রায় দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন। তারা খালের বিভিন্ন অংশ থেকে ময়লা-আবর্জনা ও পলি অপসারণ করেন। স্থানীয়দের আশা, খালটি পরিষ্কার হওয়ায় এখন থেকে নির্বিঘ্নে কৃষিজমিতে সেচ দেওয়া যাবে এবং জলাবদ্ধতা দূর হবে।
আজ কর্মসূচির সমাপনী দিনে উপস্থিত ছিলেন মেদিনীমণ্ডল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম গাউস সিদ্দিক, লৌহজং উপজেলা যুবদলের সভাপতি লুৎফর রহমান পাভেল মোল্লা, মো. রাশেদ হাওলাদার ও ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. বিল্লালসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
কর্মসূচির সমন্বয়কারী মো. এস আলম বলেন, “সবাই সচেতন থাকলে খালটি দীর্ঘদিন সচল থাকবে। তবে পরিষ্কারের পাশাপাশি এটি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা প্রয়োজন। খালটি সচল হওয়ায় এলাকার কৃষক ও সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন।”
/

আপনার মতামত লিখুন