পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত ৬৬ হাজার ১৭৪ জন বাংলাদেশি হাজি সুস্থভাবে দেশে ফিরেছেন। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ১৮০টি ফিরতি ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান। ফিরে আসা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৫৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে এসেছেন ৬১ হাজার ৭১৫ জন।
এদিকে, এবারের হজ মৌসুমে সৌদি আরবে গিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৫৫ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী মৃত্যুবরণ করেছেন। এর মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৭ জন এবং জেদ্দায় ১ জন মারা গেছেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো বাংলাদেশি হাজির মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
আজ শুক্রবার (২৬ জুন) প্রকাশিত হজ বুলেটিনের সর্বশেষ আপডেট থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
হাজিদের ফিরিয়ে আনতে তিনটি এয়ারলাইনস মোট ১৮০টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে:
৯৭টি ফ্লাইটে এসেছেন ৩০ হাজার ৫৭৩ জন হাজি।
৬১টি ফ্লাইটে এসেছেন ২২ হাজার ৭২৯ জন হাজি।
২২টি ফ্লাইটে এসেছেন ৮ হাজার ৬৭২ জন হাজি।
এ ছাড়া অন্যান্য এয়ারলাইনসের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় দেশে ফিরেছেন আরও ৪ হাজার ২০০ জন হাজি।
হজ অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাকি হাজিরাও তাদের নির্ধারিত ফ্লাইটের সময়সূচী অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আগামী ১ জুলাইয়ের মধ্যে দেশে ফিরে আসবেন।
হজ বুলেটিং সূত্রে আরও জানা গেছে, হজের সময় ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১০ জন এখনও হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো থেকে মোট ৬৭ হাজার ৩৬ জন হাজিকে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক থেকে বিভিন্ন তথ্য ও গাইডলাইন সংক্রান্ত সেবা নিয়েছেন ২৮ হাজার ৩৮৩ জন হাজি।
উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল এবং ২১ মে প্রাক-হজ ফ্লাইট শেষ হয়। এরপর ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে গত ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়, যা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চালু থাকবে।
এ বছর বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত ৬৬ হাজার ১৭৪ জন বাংলাদেশি হাজি সুস্থভাবে দেশে ফিরেছেন। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ১৮০টি ফিরতি ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান। ফিরে আসা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৫৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে এসেছেন ৬১ হাজার ৭১৫ জন।
এদিকে, এবারের হজ মৌসুমে সৌদি আরবে গিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৫৫ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী মৃত্যুবরণ করেছেন। এর মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৭ জন এবং জেদ্দায় ১ জন মারা গেছেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো বাংলাদেশি হাজির মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
আজ শুক্রবার (২৬ জুন) প্রকাশিত হজ বুলেটিনের সর্বশেষ আপডেট থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
হাজিদের ফিরিয়ে আনতে তিনটি এয়ারলাইনস মোট ১৮০টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে:
৯৭টি ফ্লাইটে এসেছেন ৩০ হাজার ৫৭৩ জন হাজি।
৬১টি ফ্লাইটে এসেছেন ২২ হাজার ৭২৯ জন হাজি।
২২টি ফ্লাইটে এসেছেন ৮ হাজার ৬৭২ জন হাজি।
এ ছাড়া অন্যান্য এয়ারলাইনসের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় দেশে ফিরেছেন আরও ৪ হাজার ২০০ জন হাজি।
হজ অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাকি হাজিরাও তাদের নির্ধারিত ফ্লাইটের সময়সূচী অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আগামী ১ জুলাইয়ের মধ্যে দেশে ফিরে আসবেন।
হজ বুলেটিং সূত্রে আরও জানা গেছে, হজের সময় ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১০ জন এখনও হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো থেকে মোট ৬৭ হাজার ৩৬ জন হাজিকে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক থেকে বিভিন্ন তথ্য ও গাইডলাইন সংক্রান্ত সেবা নিয়েছেন ২৮ হাজার ৩৮৩ জন হাজি।
উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল এবং ২১ মে প্রাক-হজ ফ্লাইট শেষ হয়। এরপর ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে গত ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়, যা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চালু থাকবে।
এ বছর বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।

আপনার মতামত লিখুন