বাগেরহাটের বীর মুক্তিযোদ্ধা তালুকদার আলী আহসান খসরু (৭৪) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
শুক্রবার (২৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আলী আহসান খসরুর মরদেহ বাগেরহাট প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে নিয়ে আসা হয়। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের এই সম্মুখসারির যোদ্ধাকে শেষবারের মতো দেখতে সেখানে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিসহ (সিপিবি) বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা ভিড় করেন।
এ সময় প্রিয় সহযোদ্ধার স্মৃতিচারণা করে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড মানিক লাল মজুমদারসহ অন্যান্যেরা। বক্তারা বলেন, আলী আহসান খসরু ছিলেন অত্যন্ত সদালাপী ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। মুক্তিযুদ্ধে তার অসামান্য অবদান বাগেরহাটবাসী চিরকাল শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।
প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি শরণখোলা উপজেলার গোলবুনিয়া এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।
/

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
বাগেরহাটের বীর মুক্তিযোদ্ধা তালুকদার আলী আহসান খসরু (৭৪) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
শুক্রবার (২৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আলী আহসান খসরুর মরদেহ বাগেরহাট প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে নিয়ে আসা হয়। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের এই সম্মুখসারির যোদ্ধাকে শেষবারের মতো দেখতে সেখানে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিসহ (সিপিবি) বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা ভিড় করেন।
এ সময় প্রিয় সহযোদ্ধার স্মৃতিচারণা করে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড মানিক লাল মজুমদারসহ অন্যান্যেরা। বক্তারা বলেন, আলী আহসান খসরু ছিলেন অত্যন্ত সদালাপী ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। মুক্তিযুদ্ধে তার অসামান্য অবদান বাগেরহাটবাসী চিরকাল শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।
প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি শরণখোলা উপজেলার গোলবুনিয়া এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন