সংবাদ

উন্নয়ন প্রকল্পে সচিবের ‘কমিশন বাণিজ্য’, ভিডিও ভাইরাল


প্রতিনিধি, দুমকি (পটুয়াখালী)
প্রতিনিধি, দুমকি (পটুয়াখালী)
প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম

উন্নয়ন প্রকল্পে সচিবের ‘কমিশন বাণিজ্য’, ভিডিও ভাইরাল
আমিনুল ইসলাম।

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) উন্নয়ন তহবিলের কাজ থেকে সচিব আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১০ শতাংশ কমিশন দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে (ভাইরাল) এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকার কাজ নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে সচিব আমিনুল ইসলাম নিজের জন্য ১০ শতাংশ এবং উপজেলা প্রশাসনের জন্য আরও ৫ শতাংশ কমিশন দাবি করেন। এছাড়া ভ্যাট-ট্যাক্স ও জামানতসহ মোট ৩৭ শতাংশ অর্থ বিভিন্ন খাতে দিতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ফোরকান হাওলাদার জানান, কমিশনের এমন দাবিতে উপস্থিত ইউপি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ জানান। তাঁরা বলেন, অতীতে এই পরিষদে এ ধরনের কমিশন নেওয়ার কোনো নজির ছিল না।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি সচিব আমিনুল ইসলাম। তার দাবি, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হতে পারে এবং তিনি এমন কোনো বক্তব্য দেননি।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, সরকারি উন্নয়ন তহবিল থেকে কমিশন নেওয়ার কোনো বিধান নেই। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬


উন্নয়ন প্রকল্পে সচিবের ‘কমিশন বাণিজ্য’, ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬

featured Image

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) উন্নয়ন তহবিলের কাজ থেকে সচিব আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১০ শতাংশ কমিশন দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে (ভাইরাল) এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকার কাজ নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে সচিব আমিনুল ইসলাম নিজের জন্য ১০ শতাংশ এবং উপজেলা প্রশাসনের জন্য আরও ৫ শতাংশ কমিশন দাবি করেন। এছাড়া ভ্যাট-ট্যাক্স ও জামানতসহ মোট ৩৭ শতাংশ অর্থ বিভিন্ন খাতে দিতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ফোরকান হাওলাদার জানান, কমিশনের এমন দাবিতে উপস্থিত ইউপি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ জানান। তাঁরা বলেন, অতীতে এই পরিষদে এ ধরনের কমিশন নেওয়ার কোনো নজির ছিল না।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি সচিব আমিনুল ইসলাম। তার দাবি, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হতে পারে এবং তিনি এমন কোনো বক্তব্য দেননি।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, সরকারি উন্নয়ন তহবিল থেকে কমিশন নেওয়ার কোনো বিধান নেই। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত