সংবাদ

অর্থনীতি পুনর্গঠনে তিন ধাপের পরিকল্পনা সরকারের: প্রধানমন্ত্রী


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০১:০৪ পিএম

অর্থনীতি পুনর্গঠনে তিন ধাপের পরিকল্পনা সরকারের: প্রধানমন্ত্রী

দেশের অর্থনীতিকে সচল টেকসই করতেপুনরুদ্ধার, উত্তরণ পুনর্গঠন’—এই তিন ধাপে সরকার কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের (বাজেট অধিবেশন) ১৮তম কার্যদিবসে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই পরিকল্পনার কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংসদে সরকারি বিরোধী দলের মধ্যে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও আমরা জনগণের মনে আশার সঞ্চার করতে পেরেছি। যদিও সংসদে ভবিষ্যতের চেয়ে অতীত নিয়ে আলোচনা বেশি হয়েছে, তবে জনগণ চায় আমরা যেন ভবিষ্যৎ নিয়েই কথা বলি।

এবারের বাজেটকে সুন্দর, স্বাভাবিক বাস্তবমুখী হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এটি সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনে কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দেবে। তিনি জানান, ইতিমেধ্যে ৬১টি পণ্যের শুল্ক প্রত্যাহারের ফলে বাজারে পণ্যের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। দেশের চলমান নানামুখী সংকটকে অস্বীকার না করে, সেগুলোকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় না করানোর প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।

বক্তব্যে বিগত সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, “প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে বিপুল পরিমাণ বিদেশি ঋণের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঋণের বোঝা দেশের জনগণকে আরও অনেক বছর বয়ে বেড়াতে হবে।তবে জনগণের শক্তির ওপর ভর করেই সরকার দেশকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, এবারের বাজেট কেবল বার্ষিক আয়-ব্যয়ের প্রথাগত হিসাব নয়, বরং এর মূল উদ্দেশ্য অর্থনীতির একটি শক্ত ভিত্তি গড়ে তোলা।বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা। এটি নিম্নআয়ের মানুষের জীবনযাত্রার বোঝা লাঘব করার বাজেট। অর্থনীতির শৃঙ্খলা ধীরে ধীরে ফিরিয়ে আনাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬


অর্থনীতি পুনর্গঠনে তিন ধাপের পরিকল্পনা সরকারের: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image

দেশের অর্থনীতিকে সচল টেকসই করতেপুনরুদ্ধার, উত্তরণ পুনর্গঠন’—এই তিন ধাপে সরকার কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের (বাজেট অধিবেশন) ১৮তম কার্যদিবসে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই পরিকল্পনার কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংসদে সরকারি বিরোধী দলের মধ্যে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও আমরা জনগণের মনে আশার সঞ্চার করতে পেরেছি। যদিও সংসদে ভবিষ্যতের চেয়ে অতীত নিয়ে আলোচনা বেশি হয়েছে, তবে জনগণ চায় আমরা যেন ভবিষ্যৎ নিয়েই কথা বলি।

এবারের বাজেটকে সুন্দর, স্বাভাবিক বাস্তবমুখী হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এটি সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনে কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দেবে। তিনি জানান, ইতিমেধ্যে ৬১টি পণ্যের শুল্ক প্রত্যাহারের ফলে বাজারে পণ্যের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। দেশের চলমান নানামুখী সংকটকে অস্বীকার না করে, সেগুলোকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় না করানোর প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।

বক্তব্যে বিগত সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, “প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে বিপুল পরিমাণ বিদেশি ঋণের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঋণের বোঝা দেশের জনগণকে আরও অনেক বছর বয়ে বেড়াতে হবে।তবে জনগণের শক্তির ওপর ভর করেই সরকার দেশকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, এবারের বাজেট কেবল বার্ষিক আয়-ব্যয়ের প্রথাগত হিসাব নয়, বরং এর মূল উদ্দেশ্য অর্থনীতির একটি শক্ত ভিত্তি গড়ে তোলা।বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা। এটি নিম্নআয়ের মানুষের জীবনযাত্রার বোঝা লাঘব করার বাজেট। অর্থনীতির শৃঙ্খলা ধীরে ধীরে ফিরিয়ে আনাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত