বর্তমান সরকার যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে বলে দৃঢ় ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনার ওপর বক্তব্য দেওয়ার সময় সংসদনেতা ও প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন।
একই সাথে দেশের
উত্তরাঞ্চলের মানুষের পানির অধিকার নিশ্চিত করতে ‘পদ্মা ব্যারেজ’ নির্মাণের উদ্যোগ
গ্রহণের কথাও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী
তাঁর বক্তব্যে প্রস্তাবিত বাজেটকে একটি ‘জীবনবান্ধব বাজেট’ হিসেবে অভিহিত করেন। সরকারের
সুদৃঢ় সদিচ্ছার প্রশংসা করে তিনি বলেন, “অন্যান্য বছরের মতো এবারের বাজেট ঘোষণার পর
বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়েনি।” সংসদ অধিবেশনে তিনি দেশের অর্থনীতি,
কৃষি, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি, শিক্ষা এবং জ্বালানি খাতের দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও
রাজশাহী ও রংপুর
বিভাগের সংসদ সদস্যসহ উত্তরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের পানি ও তিস্তা নদী নিয়ে যে গভীর
উদ্বেগ রয়েছে, বর্তমান সরকার তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী
বলেন: “আমাদের সংসদ সদস্যরা, বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চল, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ থেকে
যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের দুটি বড় কনসার্ন হচ্ছে পদ্মা ও তিস্তা নদী। বিএনপি
সরকার বরাবরই কৃষি ও কৃষিবান্ধব সরকার এবং যখনই দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে, মানুষের
পানির অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে।”
বর্ষা মৌসুমের
অতিরিক্ত পানি ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমে সারা বছর যেন কৃষকরা নিরবচ্ছিন্ন পানির সরবরাহ
পান, সেজন্য সরকার ‘পদ্মা ব্যারেজ’ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
এর পরপরই তিস্তা প্রসঙ্গে অত্যন্ত জোরালো ভাষায় তিনি ঘোষণা করেন, “জাতীয় অগ্রাধিকার
ভিত্তিতে ইনশাআল্লাহ এই সরকার যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন
করবে।”

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
বর্তমান সরকার যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে বলে দৃঢ় ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনার ওপর বক্তব্য দেওয়ার সময় সংসদনেতা ও প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন।
একই সাথে দেশের
উত্তরাঞ্চলের মানুষের পানির অধিকার নিশ্চিত করতে ‘পদ্মা ব্যারেজ’ নির্মাণের উদ্যোগ
গ্রহণের কথাও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী
তাঁর বক্তব্যে প্রস্তাবিত বাজেটকে একটি ‘জীবনবান্ধব বাজেট’ হিসেবে অভিহিত করেন। সরকারের
সুদৃঢ় সদিচ্ছার প্রশংসা করে তিনি বলেন, “অন্যান্য বছরের মতো এবারের বাজেট ঘোষণার পর
বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়েনি।” সংসদ অধিবেশনে তিনি দেশের অর্থনীতি,
কৃষি, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি, শিক্ষা এবং জ্বালানি খাতের দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও
রাজশাহী ও রংপুর
বিভাগের সংসদ সদস্যসহ উত্তরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের পানি ও তিস্তা নদী নিয়ে যে গভীর
উদ্বেগ রয়েছে, বর্তমান সরকার তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী
বলেন: “আমাদের সংসদ সদস্যরা, বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চল, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ থেকে
যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের দুটি বড় কনসার্ন হচ্ছে পদ্মা ও তিস্তা নদী। বিএনপি
সরকার বরাবরই কৃষি ও কৃষিবান্ধব সরকার এবং যখনই দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে, মানুষের
পানির অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে।”
বর্ষা মৌসুমের
অতিরিক্ত পানি ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমে সারা বছর যেন কৃষকরা নিরবচ্ছিন্ন পানির সরবরাহ
পান, সেজন্য সরকার ‘পদ্মা ব্যারেজ’ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
এর পরপরই তিস্তা প্রসঙ্গে অত্যন্ত জোরালো ভাষায় তিনি ঘোষণা করেন, “জাতীয় অগ্রাধিকার
ভিত্তিতে ইনশাআল্লাহ এই সরকার যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন
করবে।”

আপনার মতামত লিখুন