বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ৭২টি ম্যাচ শেষ হওয়ার পর শুরু হয়েছে নকআউট পর্বের উত্তেজনা। এরই মধ্যে ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অপ্টা অ্যানালিস্ট গ্রুপ পর্বের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে প্রকাশ করেছে তাদের সেরা একাদশ। এই দলে জায়গা পেয়েছেন বিশ্বসেরা তারকাদের পাশাপাশি আলোচনায় উঠে আসা কয়েকজন নতুন মুখও।
গোলবারের নিচে আছেন কেপ ভার্দের
অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। ৪০ বছর বয়সী এই গোলকিপার স্পেন, উরুগুয়ে ও সৌদি আরবের
বিপক্ষে ধারাবাহিকভাবে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হন। গ্রুপ পর্বে
একাধিক ক্লিন শিট রেখে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি।
রক্ষণভাগের ডান প্রান্তে জায়গা
পেয়েছেন ঘানার মারভিন সেনায়া। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর দৃঢ় রক্ষণ, ট্যাকল এবং এক-অন-এক
পরিস্থিতিতে সফলতা তাঁকে এই অবস্থানে এগিয়ে রেখেছে।
দুই সেন্টারব্যাক হিসেবে নির্বাচিত
হয়েছেন কেপ ভার্দের দিনেই বোর্হেস এবং স্পেনের তরুণ ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি। বোর্হেস
অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ ক্লিয়ারেন্স ও ট্যাকলের মাধ্যমে প্রতিপক্ষের আক্রমণ প্রতিহত করেছেন।
অন্যদিকে কুবারসি দুর্দান্ত পাসিং, বল পুনরুদ্ধার এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণ গড়ার দক্ষতায়
নজর কেড়েছেন।
বাম প্রান্তের রক্ষণে রয়েছেন
জাপানের কেইতো নাকামুরা। আক্রমণে উঠে আসা, সফল ড্রিবল এবং গোল তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকার কারণে তিনি এই একাদশে স্থান করে নিয়েছেন।
মিডফিল্ডে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের
ওয়েস্টন ম্যাকেনি ও ইকুয়েডরের পেদ্রো ভিতে। ম্যাকেনি আক্রমণভাগে সুযোগ সৃষ্টি এবং
গতিময় ফুটবলের জন্য প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে ভিতে পাসিং, বল দখল পুনরুদ্ধার
এবং সৃজনশীল খেলায় নিজের দক্ষতার ছাপ রেখেছেন।
আক্রমণভাগের ডান উইংয়ে রয়েছেন
লিওনেল মেসি। গ্রুপ পর্বে ধারাবাহিক গোল ও অসাধারণ নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ছিলেন টুর্নামেন্টের
অন্যতম সেরা পারফরমার।
বাম উইংয়ে জায়গা পেয়েছেন
ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচেই গোল করে দলের আক্রমণকে
আরও কার্যকর করে তুলেছেন তিনি।
দুই স্ট্রাইকার হিসেবে নির্বাচিত
হয়েছেন নরওয়ের আর্লিং হলান্ড এবং ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। মাত্র দুটি ম্যাচে
চার গোল করে হলান্ড নিজের গোল করার অসাধারণ ক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন। অন্যদিকে এমবাপ্পে
ধারাবাহিক গোল, অ্যাসিস্ট এবং ম্যাচজয়ী পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আবারও প্রমাণ করেছেন
কেন তিনি বর্তমান ফুটবলের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ড।
গ্রুপ পর্বের পারফরম্যান্স
বিবেচনায় অপ্টার এই একাদশে অভিজ্ঞতা, তারুণ্য এবং ধারাবাহিকতার দারুণ সমন্বয় দেখা
গেছে। নকআউট পর্বে এই ফুটবলারদের অনেকেই নিজেদের পারফরম্যান্স আরও উঁচু পর্যায়ে নিয়ে
যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবেন।

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ৭২টি ম্যাচ শেষ হওয়ার পর শুরু হয়েছে নকআউট পর্বের উত্তেজনা। এরই মধ্যে ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অপ্টা অ্যানালিস্ট গ্রুপ পর্বের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে প্রকাশ করেছে তাদের সেরা একাদশ। এই দলে জায়গা পেয়েছেন বিশ্বসেরা তারকাদের পাশাপাশি আলোচনায় উঠে আসা কয়েকজন নতুন মুখও।
গোলবারের নিচে আছেন কেপ ভার্দের
অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। ৪০ বছর বয়সী এই গোলকিপার স্পেন, উরুগুয়ে ও সৌদি আরবের
বিপক্ষে ধারাবাহিকভাবে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হন। গ্রুপ পর্বে
একাধিক ক্লিন শিট রেখে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি।
রক্ষণভাগের ডান প্রান্তে জায়গা
পেয়েছেন ঘানার মারভিন সেনায়া। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর দৃঢ় রক্ষণ, ট্যাকল এবং এক-অন-এক
পরিস্থিতিতে সফলতা তাঁকে এই অবস্থানে এগিয়ে রেখেছে।
দুই সেন্টারব্যাক হিসেবে নির্বাচিত
হয়েছেন কেপ ভার্দের দিনেই বোর্হেস এবং স্পেনের তরুণ ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি। বোর্হেস
অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ ক্লিয়ারেন্স ও ট্যাকলের মাধ্যমে প্রতিপক্ষের আক্রমণ প্রতিহত করেছেন।
অন্যদিকে কুবারসি দুর্দান্ত পাসিং, বল পুনরুদ্ধার এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণ গড়ার দক্ষতায়
নজর কেড়েছেন।
বাম প্রান্তের রক্ষণে রয়েছেন
জাপানের কেইতো নাকামুরা। আক্রমণে উঠে আসা, সফল ড্রিবল এবং গোল তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকার কারণে তিনি এই একাদশে স্থান করে নিয়েছেন।
মিডফিল্ডে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের
ওয়েস্টন ম্যাকেনি ও ইকুয়েডরের পেদ্রো ভিতে। ম্যাকেনি আক্রমণভাগে সুযোগ সৃষ্টি এবং
গতিময় ফুটবলের জন্য প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে ভিতে পাসিং, বল দখল পুনরুদ্ধার
এবং সৃজনশীল খেলায় নিজের দক্ষতার ছাপ রেখেছেন।
আক্রমণভাগের ডান উইংয়ে রয়েছেন
লিওনেল মেসি। গ্রুপ পর্বে ধারাবাহিক গোল ও অসাধারণ নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ছিলেন টুর্নামেন্টের
অন্যতম সেরা পারফরমার।
বাম উইংয়ে জায়গা পেয়েছেন
ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচেই গোল করে দলের আক্রমণকে
আরও কার্যকর করে তুলেছেন তিনি।
দুই স্ট্রাইকার হিসেবে নির্বাচিত
হয়েছেন নরওয়ের আর্লিং হলান্ড এবং ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। মাত্র দুটি ম্যাচে
চার গোল করে হলান্ড নিজের গোল করার অসাধারণ ক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন। অন্যদিকে এমবাপ্পে
ধারাবাহিক গোল, অ্যাসিস্ট এবং ম্যাচজয়ী পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আবারও প্রমাণ করেছেন
কেন তিনি বর্তমান ফুটবলের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ড।
গ্রুপ পর্বের পারফরম্যান্স
বিবেচনায় অপ্টার এই একাদশে অভিজ্ঞতা, তারুণ্য এবং ধারাবাহিকতার দারুণ সমন্বয় দেখা
গেছে। নকআউট পর্বে এই ফুটবলারদের অনেকেই নিজেদের পারফরম্যান্স আরও উঁচু পর্যায়ে নিয়ে
যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবেন।

আপনার মতামত লিখুন