চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তাতে অংশ নিতে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর কোনো আইনগত বাধা থাকবে না বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
আজ মঙ্গলবার
(৩০ জুন) আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায় দেওয়ার পর, নিজ কার্যালয়ে
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।
সাংবাদিকদের
এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন: "কোনো ব্যক্তির একটি নির্দিষ্ট সময়ের
অযোগ্যতা তো আর সারাজীবন থাকবে না। পূর্ববর্তী নির্বাচনে যে কারণে আপিলটি মঞ্জুর হলো,
তার ফলে তিনি নির্বাচিত হওয়া সত্ত্বেও সেই নির্বাচনের ফলাফলটি ভোগ করতে পারলেন না।
তবে পরবর্তী নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি যদি সেই অযোগ্যতা (যেমন ঋণখেলাপি) কাটিয়ে যোগ্য
হন, তাহলে তো তার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত কোনো বাধা থাকার কথা না।"
এর আগে আজ সকালে
প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এক রায়ে চট্টগ্রাম-৪ আসনে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা
বাতিল করেন। আদালতের এই আদেশের ফলে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হওয়া
সত্ত্বেও আসলাম চৌধুরীর বিজয়ী ফলাফল আর গেজেট আকারে প্রকাশ করা যাবে না।
গত ১৫ জুন দীর্ঘ
শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিনটি (৩০ জুন) ধার্য করেছিলেন আপিল বিভাগ। মামলায় বিভিন্ন
পক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
জামায়াতে
ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে:
সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির, সহযোগী আইনজীবী
মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
আসলাম চৌধুরীর
পক্ষে: সিনিয়র আইনজীবী
মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।
১৮ জানুয়ারি: ঋণখেলাপির অভিযোগের মুখে থাকা আসলাম
চৌধুরীর মনোনয়নপত্রটি নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিনে বৈধ ঘোষণা করা হয়।
হাইকোর্ট
ও ব্যাংকের চ্যালেঞ্জ:
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে রিট দায়ের করে।
হাইকোর্ট তা খারিজ করলে ব্যাংক আপিল বিভাগে আবেদন করে। একই সাথে ওই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী
জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকী হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে 'লিভ টু আপিল'
করেন।
৩ ফেব্রুয়ারি: আপিল বিভাগ জামায়াত প্রার্থীর লিভ টু
আপিল মঞ্জুর করেন। এর ফলে আসলাম চৌধুরী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে অংশ নিতে পারলেও আদালত
নির্দেশ দেন যে, আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার ফলাফল স্থগিত থাকবে।
১২ ফেব্রুয়ারি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসলাম
চৌধুরী বেসরকারিভাবে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আইনি মারপ্যাঁচে তার ফলাফল
আজ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি এবং অবশেষে আজ তার প্রার্থিতাই বাতিল হলো।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তাতে অংশ নিতে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর কোনো আইনগত বাধা থাকবে না বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
আজ মঙ্গলবার
(৩০ জুন) আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায় দেওয়ার পর, নিজ কার্যালয়ে
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।
সাংবাদিকদের
এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন: "কোনো ব্যক্তির একটি নির্দিষ্ট সময়ের
অযোগ্যতা তো আর সারাজীবন থাকবে না। পূর্ববর্তী নির্বাচনে যে কারণে আপিলটি মঞ্জুর হলো,
তার ফলে তিনি নির্বাচিত হওয়া সত্ত্বেও সেই নির্বাচনের ফলাফলটি ভোগ করতে পারলেন না।
তবে পরবর্তী নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি যদি সেই অযোগ্যতা (যেমন ঋণখেলাপি) কাটিয়ে যোগ্য
হন, তাহলে তো তার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত কোনো বাধা থাকার কথা না।"
এর আগে আজ সকালে
প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এক রায়ে চট্টগ্রাম-৪ আসনে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা
বাতিল করেন। আদালতের এই আদেশের ফলে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হওয়া
সত্ত্বেও আসলাম চৌধুরীর বিজয়ী ফলাফল আর গেজেট আকারে প্রকাশ করা যাবে না।
গত ১৫ জুন দীর্ঘ
শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিনটি (৩০ জুন) ধার্য করেছিলেন আপিল বিভাগ। মামলায় বিভিন্ন
পক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
জামায়াতে
ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে:
সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির, সহযোগী আইনজীবী
মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
আসলাম চৌধুরীর
পক্ষে: সিনিয়র আইনজীবী
মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।
১৮ জানুয়ারি: ঋণখেলাপির অভিযোগের মুখে থাকা আসলাম
চৌধুরীর মনোনয়নপত্রটি নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিনে বৈধ ঘোষণা করা হয়।
হাইকোর্ট
ও ব্যাংকের চ্যালেঞ্জ:
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে রিট দায়ের করে।
হাইকোর্ট তা খারিজ করলে ব্যাংক আপিল বিভাগে আবেদন করে। একই সাথে ওই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী
জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকী হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে 'লিভ টু আপিল'
করেন।
৩ ফেব্রুয়ারি: আপিল বিভাগ জামায়াত প্রার্থীর লিভ টু
আপিল মঞ্জুর করেন। এর ফলে আসলাম চৌধুরী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে অংশ নিতে পারলেও আদালত
নির্দেশ দেন যে, আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার ফলাফল স্থগিত থাকবে।
১২ ফেব্রুয়ারি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসলাম
চৌধুরী বেসরকারিভাবে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আইনি মারপ্যাঁচে তার ফলাফল
আজ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি এবং অবশেষে আজ তার প্রার্থিতাই বাতিল হলো।

আপনার মতামত লিখুন