ম্যাচের স্টপেজ টাইমের শেষ মিনিট (৯৫)। গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলির গড়ানো শটে জয় সূচক গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে হিউস্টনের স্টেডিয়াম। সমুরাইদের চ্যালেঞ্জ ভেঙে মার্কিন মুলুকে ফিরে সাম্বা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় ব্রাজিল। নব্বই মিনিটের শেষে ২-১ গোলে জয় সেলেকাওদের। শুরুতে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল জাপান। সানোর গোলে প্রথমার্ধের শেষে পিছিয়ে ছিল ব্রাজিল। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে সমতা ফেরায় ক্যাসেমিরো। বাকি সময়টা ব্রাজিলের আক্রমণের ঝড় সামাল দিতে পারেনি জাপান। দুই অর্ধ দু’দলের বললে খুব ভুল হবে না। প্রথমার্ধে ম্লান ফুটবলের পর, দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের টেম্পো বাড়িয়ে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন। নাটকীয় জয়ে প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল। জারি হেক্সা অভিযান।
গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলকে কঠিন
প্রতিপক্ষের মুখে পড়তে হয়নি। তাই সেইভাবে পরীক্ষিত নয়। এদিন ভিনিসিয়ুস আটকে যেতেই আটকে
যায় ব্রাজিল। অন্যদিকে, গোটা ৪৫ মিনিটে একটি সুযোগ পায় জাপান। তাতেই গোল। ক্যাসেমিরোর
ভুলে পিছিয়ে পড়ে ব্রাজিল। ম্যাচের ২৯ মিনিটে কাই সু সানোর গোলে এগিয়ে যায় জাপান। অবিশ্বাস্য
গোলে ক্ষণিকের জন্য স্তব্ধ হয়ে যায় হিউস্টনের গোটা স্টেডিয়াম। ম্যাচের গতির বিপক্ষে
গিয়ে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে আক্রমণ জাপানের। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে গতি বাড়িয়ে ক্যাসেমিরোকে
পরাস্ত করেন সানো। গ্যাব্রিয়েলকে কাটিয়ে বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার শটে গোল। দুর্গ
রক্ষা করতে পারেনি অ্যালিসন।
২০০২ সালের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার
ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও জিতেছিল ব্রাজিল। সেবারই শেষবার বিশ্বকাপ
জেতে সেলেকাওরা। এবারও পিছিয়ে পড়েও ম্যাচে প্রত্যাবর্তন। প্রথমার্ধে বিরক্তিকর ফুটবল
ব্রাজিলের। কিন্তু বিরতির পর এক অন্য ব্রাজিল। ম্যাচের ৫২ থেকে ৫৮ মিনিটের মধ্যে চারটে
গোলের সুযোগ।
যেভাবে আক্রমণের ঝড় তুলেছিল
ব্রাজিল, আটকে রাখা মুশকিল ছিল। পারেওনি জাপান। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে সমতা ফেরান ক্যাসেমিরো।
গ্যাব্রিয়েলের ক্রস থেকে হেড করে ১-১ করেন। এবার আর দুর্গ অক্ষত রাখতে পারেননি সুজুকি।
। দু’মিনিট পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল সেলেকাওরা। কিন্ত ভিনিসিয়ুসের শট বল জাপানের
কিপার সুজুকির হাত ছুঁয়ে পোস্টে লাগে। দ্বিতীয়ার্ধে অনেক বেশি পজিটিভ ফুটবল খেলে ব্রাজিল।
তার ফলও মেলে। মার্টেনেলির স্টপেজ টাইমের গোল শেষ ষোলোয় পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। তবে
ব্রাজিল ফ্যানদের একটাই আফশোস, এদিন আর বল পায়ে নেইমারকে দেখার সুযোগ মেলেনি।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
ম্যাচের স্টপেজ টাইমের শেষ মিনিট (৯৫)। গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলির গড়ানো শটে জয় সূচক গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে হিউস্টনের স্টেডিয়াম। সমুরাইদের চ্যালেঞ্জ ভেঙে মার্কিন মুলুকে ফিরে সাম্বা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় ব্রাজিল। নব্বই মিনিটের শেষে ২-১ গোলে জয় সেলেকাওদের। শুরুতে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল জাপান। সানোর গোলে প্রথমার্ধের শেষে পিছিয়ে ছিল ব্রাজিল। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে সমতা ফেরায় ক্যাসেমিরো। বাকি সময়টা ব্রাজিলের আক্রমণের ঝড় সামাল দিতে পারেনি জাপান। দুই অর্ধ দু’দলের বললে খুব ভুল হবে না। প্রথমার্ধে ম্লান ফুটবলের পর, দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের টেম্পো বাড়িয়ে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন। নাটকীয় জয়ে প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল। জারি হেক্সা অভিযান।
গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলকে কঠিন
প্রতিপক্ষের মুখে পড়তে হয়নি। তাই সেইভাবে পরীক্ষিত নয়। এদিন ভিনিসিয়ুস আটকে যেতেই আটকে
যায় ব্রাজিল। অন্যদিকে, গোটা ৪৫ মিনিটে একটি সুযোগ পায় জাপান। তাতেই গোল। ক্যাসেমিরোর
ভুলে পিছিয়ে পড়ে ব্রাজিল। ম্যাচের ২৯ মিনিটে কাই সু সানোর গোলে এগিয়ে যায় জাপান। অবিশ্বাস্য
গোলে ক্ষণিকের জন্য স্তব্ধ হয়ে যায় হিউস্টনের গোটা স্টেডিয়াম। ম্যাচের গতির বিপক্ষে
গিয়ে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে আক্রমণ জাপানের। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে গতি বাড়িয়ে ক্যাসেমিরোকে
পরাস্ত করেন সানো। গ্যাব্রিয়েলকে কাটিয়ে বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার শটে গোল। দুর্গ
রক্ষা করতে পারেনি অ্যালিসন।
২০০২ সালের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার
ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও জিতেছিল ব্রাজিল। সেবারই শেষবার বিশ্বকাপ
জেতে সেলেকাওরা। এবারও পিছিয়ে পড়েও ম্যাচে প্রত্যাবর্তন। প্রথমার্ধে বিরক্তিকর ফুটবল
ব্রাজিলের। কিন্তু বিরতির পর এক অন্য ব্রাজিল। ম্যাচের ৫২ থেকে ৫৮ মিনিটের মধ্যে চারটে
গোলের সুযোগ।
যেভাবে আক্রমণের ঝড় তুলেছিল
ব্রাজিল, আটকে রাখা মুশকিল ছিল। পারেওনি জাপান। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে সমতা ফেরান ক্যাসেমিরো।
গ্যাব্রিয়েলের ক্রস থেকে হেড করে ১-১ করেন। এবার আর দুর্গ অক্ষত রাখতে পারেননি সুজুকি।
। দু’মিনিট পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল সেলেকাওরা। কিন্ত ভিনিসিয়ুসের শট বল জাপানের
কিপার সুজুকির হাত ছুঁয়ে পোস্টে লাগে। দ্বিতীয়ার্ধে অনেক বেশি পজিটিভ ফুটবল খেলে ব্রাজিল।
তার ফলও মেলে। মার্টেনেলির স্টপেজ টাইমের গোল শেষ ষোলোয় পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। তবে
ব্রাজিল ফ্যানদের একটাই আফশোস, এদিন আর বল পায়ে নেইমারকে দেখার সুযোগ মেলেনি।

আপনার মতামত লিখুন